Legal Document

Title: Import Policy Order 2015-18
Type: Order
Issuing Agency: Ministry of Commerce
Responsible Agency: Ministry of Commerce
Issuing Date: 10-02-2016

আমদানি নীতি আদেশ

২০১৫-১৮

সূচীপত্র

অধ্যায়

নাম

প্রারম্ভিক

আমদানি সংক্রান্ত সাধারণ বিধানাবলী

আমদানি সংক্রান্ত ফিস

বিবিধ বিধানাবলী

শিল্প খাতে আমদানির সাধারণ বিধানাবলী

বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ কর্তৃক আমদানির বিধানাবলী

সরকারি খাতের আমদানিকারকগণ কর্তৃক আমদানি

ইম্পোর্ট ট্রেড কন্ট্রোল (আই টি সি) কমিটি

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এবং ট্রেড এসোসিয়েশন এর বাধ্যতামূলক সদস্য পদ

 পরিশিষ্ট-১ 

নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা

পরিশিষ্ট-২

যৌথভিত্তিতে (জয়েন্ট বেসিস-এ) আমদানির পদ্ধতি

পরিশিষ্ট-৩

কেমিক্যালসমূহের নাম

পরিশিষ্ট-৪

চীফ অব মেম্বারবডিস

সম্পূর্ণ আদেশটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

আদেশ

তারিখ: ২৮ মাঘ ১৪২২ বঙ্গাব্দ/ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ

       এস,আর,ও নং- ২৮-আইন/২০১৬।- Imports and Exports (Control) Act, 1950 (Act. XXXIX of 1950) এর section 3(1) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নিম্নরূপ আদেশ জারি করিল, যথা:-

প্রথম অধ্যায়

প্রারম্ভিক

১।    সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রয়োগ, মেয়াদ, ইত্যাদি।- (১) এই আদেশ আমদানি নীতি আদেশ, ২০১৫-২০১৮ নামে অভিহিত হইবে।

       (২)   ভিন্নরূপ উল্লিখিত না হইলে ইহা বাংলাদেশে সকল প্রকার পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

       (৩)  ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে এবং ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকিবেঃ

       তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ তারিখ অতিক্রান্ত হইবার পর নূতন আমদানি নীতি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত ইহার কার্যকারিতা অব্যাহত থাকিবে।

(৪)   এই আদেশে যাহা কিছু থাকুক না কেন, সময়ে সময়ে অর্থ আইন বা অন্য কোন আইনের অধীনে প্রজ্ঞাপন, বিজ্ঞপ্তি বা আদেশে আমদানি সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোন বিধান জারি করা হইলে উক্ত বিধান, এই আদেশের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, এই আদেশের উপর প্রাধান্য পাইবে।

২।    সংজ্ঞা।- বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থি কোন কিছু না থাকিলে, এই আদেশে-

(১)   ‘‘অন্ট্রাপো (Entre-port) বাণিজ্য” অর্থ এইরূপ বাণিজ্য যেক্ষেত্রে আমদানিকৃত কোন পণ্যের গুণগত মান, পরিমাণ, আকৃতিসহ কোন প্রকার পরিবর্তন ব্যতিরেকে পণ্য মূল্য অন্যূন ৫% এর অধিক মূল্যে তৃতীয় কোন দেশে রপ্তানি করা হয়, যাহা বন্দর সীমানার বাহিরে আনা যাইবে না, তবে অন্য কোন বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানির উদ্দেশ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদনক্রমে এক বন্দর হইতে অন্য বন্দরে পরিবহন করা যাইতে পারে;

(২)     ‘‘আইন’’ অর্থ Imports and Exports (Control) Act, 1950 (Act. XXXIX of 1950);

(৩)  ‘‘আমদানিকারক’’ অর্থ Importers, Exporters and Indentors (Registration) Order, 1981 এর article 2(f) তে সংজ্ঞায়িত Importers;

(৪)   ‘‘আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’’ অর্থ প্রধান নিয়ন্ত্রক এবং আইনের অধীন জারিকৃত বিভিন্ন বিধি ও আদেশের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী লাইসেন্স, পারমিট বা নিবন্ধন সনদপত্র প্রদানের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন;

(৫)   ‘‘আমদানির ভিত্তি’’ অর্থ একজন নিবন্ধিত আমদানিকারকের শেয়ার নির্ধারণ করিবার জন্য গৃহীত শতকরা ভাগ, হার অথবা সূত্র;

(৬)  ‘‘আমদানি মূল্য’’ অর্থ বাংলাদেশের বন্দরে অন্ট্রাপো বাণিজ্য ও পুনঃ রপ্তানির জন্য আমদানিকৃত পণ্যের সিএফআর মূল্য;

(৭) ‘‘ইন্ডেন্টর’’ অর্থ Importers, Exporters and Indentors (Registration) Order, 1981 এর article 2(g) তে সংজ্ঞায়িত indentor;

 

(৮)  ‘‘এইচ এস কোড নম্বর’’ অর্থ পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কিত আট বা ততোধিক সংখ্যা বিশিষ্ট এইচ এস কোড;

 

(৯)   ‘‘এল, সি’’ বা ’’ঋণপত্র’’ অর্থ এই আদেশের অধীন আমদানির উদ্দেশ্যে ইস্যুকৃত ঋণপত্র (Letter of Credit);

 

(১০)   ‘‘এল,সি অথরাইজেশন (এল,সি,এ) ফরম’’ অর্থ ঋণপত্র খুলিবার জন্য অনুমতি প্রদানের নির্ধারিত ফরম;

 

(১১) ‘‘ক্লি­য়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট (সি এন্ড এফ এজেন্ট)’’ বা ’’ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার (এফ এফ)’’ অর্থ এইরূপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যাহারা  সি এন্ড এফ এজেন্ট বা এফ এফ হিসাবে কাজ করিতেছেঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের টিআইএন থাকিতে হইবে এবং উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম কম্পিউটারাইজড হইতে হইবে;

 

(১২) ‘‘খাদ্যসামগ্রী’’ অর্থ এইরূপ খাদ্যসামগ্রী যাহা মানুষ কর্তৃক সরাসরি বা প্রক্রিয়াকরণের পরে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয়;

 

(১৩)   ‘‘নিবন্ধিত আমদানিকারক’’ অর্থ Importers, Exporters and Indentors (Registration) Order, 1981 এর অধীন নিবন্ধিত কোন Importers;

 

(১৪) ‘‘নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা’’ অর্থ পরিশিষ্ট-১ এ উল্লিখিত আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা;

 

(১৫) ‘‘পণ্য’’ অর্থ Customs Act, 1969 (Act No. IV of 1969) এর First Schedule এ উল্লিখিত পণ্য;

 

(১৬)   ‘‘পরিশিষ্ট’’ অর্থ এই আদেশের সহিত সংযোজিত পরিশিষ্ট;

 

(১৭)     ‘‘পারমিট’’ অর্থ আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত অনুমতিপত্র, আমদানি পারমিট, ক্লিয়ারেন্স পারমিট (ছাড়পত্র), ফেরতের ভিত্তিতে আমদানি পারমিট, রপ্তানি পারমিট বা, ক্ষেত্রমত, রপ্তানি তথা আমদানি পারমিট;

 

(১৮) “পোষক কর্তৃপক্ষ” অর্থ কোন বিশেষ শ্রেণি বা খাতের শিল্পের নিয়ন্ত্রণ করে এমন কোন প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ যাহা Rules of Business এর Schedule 1  ( Allocation of Business) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট খাত যেই মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কর্মপরিধিভুক্ত, সেই মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনাধীন অধিদপ্তর, সংস্থা, পরিদপ্তর বা দপ্তর;

 

(১৯)  ‘‘পুনঃ রপ্তানি’’ অর্থ স্থানীয়ভাবে পুনঃ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে গুণগতমান বা আকৃতির যে কোন একটির অথবা উভয়ের পরিবর্তনপূর্বক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানিকৃত পণ্য আমদানি মূল্যের সহিত ন্যূনতম ১০% মূল্য সংযোজনপূর্বক রপ্তানি;

 

(২০)  ‘‘প্রকৃত ব্যবহারকারী’’ অর্থ নিবন্ধিত আমদানিকারকগণ ব্যতিরেকে এইরূপ কোন ব্যক্তি, গোষ্ঠী, প্রতিষ্ঠান, সংঘ বা সংস্থা যাহারা নিজের ব্যবহার বা ভোগের জন্য সীমিত পরিমাণে আমদানিযোগ্য পণ্য (শিল্পের যে কাঁচামাল পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজন আছে উহা ব্যতীত), এই আদেশের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আমদানি করিতে পারিবেন কিন্তু বিক্রয় বা হস্তান্তর করিতে পারিবেন না;

 

(২১) ‘‘প্রধান নিয়ন্ত্রক’’ অর্থ Imports and Exports (Control) Act, 1950 এর section 2(a) তে সংজ্ঞায়িত Chief Controller;

 

(২২)  ‘‘প্রবাসী বাংলাদেশী’’ অর্থ বিদেশে কর্মরত বা বসবাসরত বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী বাংলাদেশী নাগরিক;

 

(২৩) ‘‘বাণিজ্যিক আমদানিকারক’’ অর্থ Importers, Exporters and Indentors (Registration) Order, 1981 এর অধীন নিবন্ধিত একজন আমদানিকারক, যিনি পুনঃ প্রক্রিয়াকরণ ব্যতিরেকেই বিক্রয়ের জন্য পণ্য আমদানি করেন;

 

(২৪) ‘‘মৎস্য বা পশু বা পাখীর খাদ্য’’ অর্থ এইরূপ খাদ্যসামগ্রী যাহা মৎস্য বা পশু বা পাখীর খাদ্য হিসাবে সরাসরি আমদানি করা হয় অথবা প্রক্রিয়াকরণের পরে মৎস্য বা পশু বা পাখীর খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়;

 

(২৫) ‘‘লিজ ফাইন্যান্সিং আমদানিকারক’’ অর্থ Importers, Exporters and Indentors (Registration) Order, 1981 এর অধীন, বিশেষ ক্ষেত্র হিসাবে নিবন্ধিত আমদানিকারকগণ, যাহারা শিল্প, শক্তি, খনিজ, কৃষি, নির্মাণ, যানবাহন এবং প্রফেশনাল সার্ভিস খাতে ইজারা দেওয়ার জন্য মেশিনারী ও ইকুইপমেন্ট আমদানির লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত;

 

(২৬) ‘‘শিল্প ভোক্তা বা Industrial Consumer’’ অর্থ Importers, Exporters and Indentors (Registration) Order, 1981 এর অধীন শিল্প খাতের আমদানিকারক হিসাবে নিবন্ধিত কোন ১০০% বাংলাদেশী শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট পোষক কর্তৃপক্ষের নিবন্ধিত বিদেশী বিনিয়োগকারী;

 

(২৭) ‘‘সরকারি খাতের আমদানিকারক’’ অর্থ সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ইনস্টিটিউট, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, করপোরেশন এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়;

 

(২৮) ‘‘উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত দ্রব্যাদি’’ অর্থ উদ্ভিদ প্রজাতি বা উদ্ভিদজাত দ্রব্যাদি বা বীজসহ উদ্ভিদের জীবন্ত বা মৃত অংশ, উদ্ভিদ উৎসের বংশ উৎপাদনকারী, জার্মপ্লাজম, উদ্ভিদ উৎসের প্রক্রিয়াজাতকৃত বা অপ্রক্রিয়াজাতকৃত দ্রব্যাদি যাহা তাহাদের বৈশিষ্ট্যের কারণে অথবা প্রক্রিয়াকরণের কারণে বালাইবহন, সংক্রমণ ও বিস্তার করিতে সক্ষম এবং প্যাকিং দ্রব্যাদি ও তুলা;

 

(২৯) “এডহক শিল্প আইআরসি” অর্থ নতুন স্থাপিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, উহাদের কাঁচামাল, মোড়কসামগ্রী ও যন্ত্রাংশ আমদানির নিমিত্ত (নিয়ন্ত্রিত তালিকাভুক্ত পণ্য বা বিভিন্ন অনুচ্ছেদে আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্যসামগ্রী ব্যতীত)  সংশ্লিষ্ট পোষক কর্তৃপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত/জারিকৃত এডহক শিল্প আইআরসি; এবং

 

(৩০) “মুদ্রা বা Currency” অর্থ Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (Act No. VII of 1947)-তে সংজ্ঞায়িত মুদ্রা বা Currency।

 

সূচীপত্র

 

দ্বিতীয় অধ্যায়

আমদানি সংক্রান্ত সাধারণ বিধানাবলী

 

 

৩।    পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণ।- (১) এই আদেশের অধীন পণ্য আমদানি নিম্নবর্ণিত উপায়ে নিয়ন্ত্রিত হইবে, যথা:-

 

       (ক)  এই আদেশে ভিন্নরূপ উল্লিখিত না হইলে, নিয়ন্ত্রিত পণ্য তালিকায় (পরিশিষ্ট-১) উল্লিখিত আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যসামগ্রী আমদানি করা যাইবে না:

 

  তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল পণ্য শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য, সে সকল পণ্য, উক্তরূপ শর্তাবলী পালন সাপেক্ষে, আমদানিযোগ্য হইবে;

 

       (খ) উপ-অনুচ্ছেদ (ক) এ বর্ণিত পণ্যাদি ব্যতীত অন্যান্য পণ্যাদি অবাধে আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(২)   আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্য তালিকায় (পরিশিষ্ট-১) বর্ণিত কোন পণ্যের আমদানিযোগ্যতা নিরূপণের ক্ষেত্রে, বর্ণনা এবং উহার সংশ্লিষ্ট এইচ এস কোডের মধ্যে বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হইলে সংশ্লিষ্ট পণ্যের বর্ণনাই প্রাধান্য পাইবে।

ব্যাখ্যা।- এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্য তালিকার (পরিশিষ্ট-১) এর ‘খ’ অংশে বর্ণিত পণ্যাদি আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য সামগ্রী বলিয়া বিবেচিত হইবে।

 

৪।    আমদানি নিয়ন্ত্রণের শর্তাবলী।- এই আদেশ কার্যকর হইবার পূর্বে বা এই আদেশে নিয়ন্ত্রিত তালিকাভুক্ত হওয়ার বা অন্য কোন বিধান আরোপের কারণে যদি কোন পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে উক্ত নিয়ন্ত্রণ নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে হইবে, যথা:-

 

(ক)  স্থানীয় কোন শিল্প প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বিশেষ কোন পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রিত করা হইলে সংশ্লিষ্ট পোষক বা বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন উক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পণ্য উৎপাদনের বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়মিত মনিটর করিবে;

 

(খ)  প্রতিষ্ঠান (Protected Industry) বিশেষ করিয়া যাহারা ‘‘সংযোজন কাজে’’ নিয়োজিত তাহাদিগকে সক্রিয়ভাবে এবং সত্বর প্রগতিশীল উৎপাদনে যাইতে হইবে;

 

(গ)  কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি অথবা বিনিময় হার হ্রাস পাওয়ার কারণ ব্যতিত যদি কোন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায় অথবা আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য যতটুকু বৃদ্ধি পাইয়াছে তাহা অপেক্ষা তুলনামূলকভাবে যদি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের মূল্য অসমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি পায় তাহা হইলে, সংশ্লিষ্ট পোষক বা বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানির উপর আরোপিত নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করা যাইবে;

 

(ঘ)   ইসরাইল হইতে অথবা ঐ দেশে উৎপাদিত কোন পণ্য আমদানিযোগ্য হইবে না এবং ঐ দেশের পতাকাবাহী জাহাজেও কোন পণ্য আমদানি করা যাইবে না;

 

(ঙ)  কোন পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধকরণ অথবা বাধা-নিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে যদি কাহারও কোন আপত্তি থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিষয়টি বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং ট্যারিফ কমিশন বিষয়টি পরীক্ষার পর সুপারিশ আকারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বিবেচনার জন্য পেশ করিবে।

 

৫।    পণ্য আমদানির সাধারণ শর্তাবলী।- (১) এইচ, এস, কোড নম্বর ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা- পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে        Customs Act, 1969 (Act No. IV of 1969) এর First Schedule এ লিখিত হারমোনাইজড পদ্ধতিতে       পণ্যের শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কিত অন্যূন আট সংখ্যাবিশিষ্ট এইচ, এস, কোড নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করিতে হইবে।

 

              তবে শর্ত থাকে যে, সঠিকভাবে পণ্যের এইচ, এস, কোড নম্বর উল্লেখ করা না থাকিলে কোন ব্যাংক এল সি   অথরাইজেশন ফরম ইস্যু করিতে বা ঋণপত্র খুলিতে পারিবে না।

 

 

 

(২)  আর,ও,আর (Right of Refusal) ভিত্তিক অনাপত্তির প্রয়োজনীয়তা-

 

(ক)  পাবলিক সেক্টর এজেন্সী কর্তৃক অবাধে আমদানিযোগ্য কোন পণ্য আমদানির জন্য কোন কর্তৃপক্ষ হইতে আর,ও,আর ভিত্তিক অনাপত্তি গ্রহণের প্রয়োজন নাইঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, নিয়ন্ত্রিত তালিকায় বা শর্তযুক্ত কোন পণ্য পাবলিক সেক্টর এজেন্সী কর্তৃক আমদানির প্রয়োজন হইলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি বা, ক্ষেত্রমত, পোষক মন্ত্রণালয় বা বিভাগ অথবা উভয়ের অনাপত্তির ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে;

 

(খ)  বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট অনুমোদিত প্রকল্পের চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকিলে আমদানি নিয়ন্ত্রিত তালিকার অন্তর্ভুক্ত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর বা সংস্থা উক্ত প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণ, চুক্তিপত্রের সংশ্লিষ্ট বিধান ইত্যাদি উল্লে­খক্রমে আমদানিতব্য পণ্যের বিবরণ, এইচ, এস, কোড নম্বর, পরিমাণ বা সংখ্যা ও মূল্য উল্লে­খক্রমে অনুমতি প্রদানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রত্যয়নকৃত তালিকা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করিবে।

 

(৩) প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শন-

      

(ক)  এই আদেশে যে সকল পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রাক-জাহাজীকরণ শর্ত রহিয়াছে তাহা অবশ্যই প্রতিপালন করিতে হইবে; এবং

 

(খ) ভিন্নরূপ উল্লে­খিত না হইলে পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে Bangladesh Flag Vessels (Protection) Ordinance, 1982 (Ord. No. XIV of 1982) মোতাবেক পণ্য জাহাজীকরণ করা যাইবে।

 

(৪)  প্রতিযোগিতামূলক হারে আমদানি-

 

(ক)  সর্বাধিক প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য আমদানি করিতে হইবে এবং আমদানিকারক আমদানিকৃত পণ্য বাবদ প্রদত্ত বা প্রদেয় মূল্য সংক্রান্ত দলিল-দস্তাবেজ যে কোন সময়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে বাধ্য থাকিবে;

 

(খ) বেসরকারি খাতে অবারিত (untied) পণ্য সাহায্যের অধীনে আমদানির ক্ষেত্রে অন্ততঃ দুইটি উৎস দেশের অন্যূন তিনটি সরবরাহকারী বা ইনডেন্টর এর নিকট হইতে দরপত্র গ্রহণ করিয়া সর্বাপেক্ষা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের পণ্য আমদানি করিতে হইবেঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হইবে না; এবং

 

(গ) সরকারি খাতে প্রতিযোগিতামূলক হারে আমদানির ক্ষেত্রে, পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার পূর্বে তুলনামূলক বাজার দর যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে দরপত্র আহবান করিতে হইবে এবং সর্বাপেক্ষা প্রতিযোগিতামূলক হারে পণ্য আমদানি করিতে হইবে।

 

      (৫) ইনকোটার্মস ব্যবহারের মাধ্যমে আমদানি-

 

(ক)  প্রচলিত ইনকোটার্মস অনুসারে জল, স্থল ও আকাশ পথে পণ্য আমদানি করা যাইবে। তবে শর্ত থাকে যে, এফওবি ভিত্তিতে আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারককে Foreign Exchange Regulation Act, 1947 এবং তদধীন প্রণীত বিধিমালা যথাযথভাবে মানিয়া চলিতে হইবে;

 

(অ)  ডিডিপি, সিআইএফ এবং সিআইপি ব্যতিত অন্যান্য ইনকোটার্মস ব্যবহার করিয়া পণ্য আমদানি করা যাইবে; ইনকোটার্মস অনুযায়ী ফ্রেইটসহ অন্যান্য চার্জ বিদেশে প্রেরণযোগ্য হইলে Foreign Exchange Regulation Act, 1947 এবং তদধীন প্রণীত বিধিমালা যথাযথভাবে মানিয়া চলিতে হইবে যাহাতে আমদানি বাবদ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ না হয়;

 

(আ) সিআইএফ বা সিআইপি ভিত্তিতে কোন প্রকার পণ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে আমদানি করা যাইবে না, যদি না সংশ্লিষ্ট বিদেশী ঋণচুক্তি বা প্রকল্প চুক্তিতে সিআইএফ বা সিআইপি ভিত্তিতে আমদানির জন্য সুনির্দিষ্ট শর্ত থাকে;

 

(ই)  কোন প্রবাসী বাংলাদেশী তাহার অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় ও বিদেশী বিনিয়োগকারী ইক্যুইটি শেয়ার অংশের ক্যাপিটাল মেশিনারী ও কাঁচামাল সিআইএফ বা সিআইপি ভিত্তিতে প্রেরণ করিতে পারিবে;

 

(ঈ) বিনামূল্যে প্রেরিতব্য পণ্য বা উপহার সামগ্রী সিআইএফ বা সিআইপি ভিত্তিতে প্রেরণ করা যাইবে;

 

(উ) খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সিআইএফ বা সিআইপি ভিত্তিতে খাদ্যদ্রব্য আমদানি করিতে পারিবে।

 

(খ)    (অ)     ঋণপত্র খোলার পূর্বে সরকারি পর্যায়ে আমদানির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং বেসরকারীভাবে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী হইতে প্রয়োজনীয় ইন্স্যুরেন্স কভার নোট ক্রয় করিতে হইবে। আমদানিকৃত মালামাল শুল্ক কর্তৃপক্ষ হইতে ছাড়করণের সময় ইন্সুরেন্স পলিসি শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে;

 

(আ)   এই আদেশের সংশ্লিষ্ট সকল বিধিবিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে শুল্ক স্টেশন হিসাবে ঘোষিত ডাকঘরের মাধ্যমে বাণিজ্যিক পণ্য ডাকযোগে আমদানি করা যাইবে; এবং

(ই)    জল এবং স্থলপথে বোল্ডার পাথর আমদানি করা যাইবে।

 

 

(৬) কান্ট্রি অব অরিজিন উল্লেখক্রমে আমদানি-

 

(ক)  সকল প্রকার আমদানির ক্ষেত্রে পণ্য, পণ্যের মোড়ক, পাত্র বা কনটেইনারের গায়ে ‘‘কান্ট্রি অব অরিজিন’’ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকিতে হইবে;

 

(খ)  রপ্তানিকারক সংশ্লিষ্ট সরকার, অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কর্তৃক ইস্যুকৃত উৎস দেশ      ‘‘কান্ট্রি      অব অরিজিন’’ সংক্রান্ত সনদপত্র আমদানি সংক্রান্ত দলিলাদির সঙ্গে পণ্য খালাসের      সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট অবশ্যই দাখিল করিতে হইবেঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, কয়লা, রপ্তানিমুখী পোষাক শিল্প ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ‘‘কান্ট্রি অব অরিজিন’’ এর এই শর্ত প্রযোজ্য হইবে না;

 

(গ)  মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের ক্ষেত্রে- মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত বাংলাদেশে প্রচলিত আইনে নিবন্ধিত ব্রান্ডের পণ্যসামগ্রী আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রান্ডের পণ্যের মেধাস্বত্ত্বাধিকারী কর্তৃক সত্যায়িত মেধাস্বত্ব সনদপত্র পণ্য খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে;

 

(ঘ)   তুলা আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি বেলের গায়ে ‘‘কান্ট্রি অব অরিজিন’’ উল্লে­খ করা প্রয়োজন হইবে নাঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, ফাইটো স্যানিটারী সার্টিফিকেটে ‘‘কান্ট্রি অব অরিজিন’’ উল্লে­খ থাকিতে হইবে;

 

(ঙ) Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (Act VII of 1947) এর বিধান মোতাবেক এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক আরোপিত শর্ত সাপেক্ষে যে সমস্ত শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত সেই সকল শিল্পসহ অন্যান্য শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ‘‘কান্ট্রি অব অরিজিন’’ উল্লেখ করার প্রয়োজন হইবে না;

 

(চ)   Aluminium Ingot, Zinc Ingot সহ অন্যান্য Non-ferrous এবং Ferrous metals আমদানির ক্ষেত্রে ‘‘কান্ট্রি অব অরিজিন’’ উল্লেখ করার প্রয়োজন হইবে না;

 

(ছ)   ছাতক সিমেন্ট কারখানার জন্য কাঁচামাল হিসাবে চুনাপাথর আমদানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন চালান বা লটে রজ্জুপথে আমদানিকৃত এবং নৌপথে আমদানিকৃত চুনাপাথরের জন্য রজ্জুপথে পরিবহণকৃত সরবরাহ তালিকা মোতাবেক এবং নৌপথের ক্ষেত্রে ঋণপত্রে উল্লিখিত পরিমাণের জন্য প্রত্যেক চালান বা লটের পরিবর্তে রপ্তানিকারক সংশ্লিষ্ট সরকার, অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কর্তৃক ইস্যুকৃত ‘‘কান্ট্রি অব অরিজিন’’ সংক্রান্ত সনদপত্র পণ্য খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট একবার দাখিল করিলেই চলিবে।

 

(৭) আমদানিকারকের নাম, ঠিকানা ও ইটিআইএন/ইউটিআইএন, বিআইএন লিপিবদ্ধকরণ-

নিম্নলিখিত আমদানি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে আমদানিকৃত মালামাল সর্ববৃহৎ যে প্যাকেট, মোড়ক, টিনজাত মোড়ক, স্যাক প্যাক, উডেন বক্স বা অন্যান্য প্যাকেটে আমদানি করা হইলে উহার ন্যূনতম শতকরা দুই ভাগের উপর আমদানিকারকের নাম, ঠিকানা ও ইটিআইএন/ইউটিআইএন, বিআইএন অমোচনীয় কালি দ্বারা লিপিবদ্ধ বা ছাপানো থাকিতে হইবে, যথা:-

      

(ক)  বাল্ক আকারে মোড়কবিহীন অবস্থায় পণ্যের ক্ষেত্রে;

       (খ)  প্রতি চালানে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) মার্কিন ডলার মূল্য পর্যন্ত পণ্যের ক্ষেত্রে;

       (গ)  সরকারি খাতে আমদানির ক্ষেত্রে;

              (ঘ)   বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট অনুমোদিত প্রকল্পের জন্য আমদানির ক্ষেত্রে;

(ঙ)  আমদানি নীতি আদেশে প্রদত্ত বিধান মোতাবেক বিনামূল্যে নমুনা, বিজ্ঞাপন সামগ্রী ও ১,০০০ (এক হাজার) বা তার কম মার্কিন ডলার মূল্যের উপহার সামগ্রীর ক্ষেত্রে;

(চ)   ট্রান্সফার অব রেসিডেন্স ব্যাগেজ (আমদানি) বিধিমালা, ২০০০ এর আওতায় প্রেরিত পণ্যের ক্ষেত্রে;

       (ছ)   প্রকৃত ব্যবহারকারী কর্তৃক আমদানির ক্ষেত্রে;

       (জ)  দূতাবাসসমূহ কর্তৃক আমদানির ক্ষেত্রে;

(ঝ)  বন্ডেড ওয়্যারহাউজের আওতায় ১০০% রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানির ক্ষেত্রে;

       (ঞ) ফেরতের ভিত্তিতে পণ্যাদি আমদানির ক্ষেত্রে;

       (ট)   পণ্যাদি রপ্তানি তথা আমদানির ক্ষেত্রে;

       (ঠ)   অন্ট্রাপো পদ্ধতিতে আমদানির ক্ষেত্রে;

(ড)  বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা দাতব্য প্রতিষ্ঠান বা হাসপাতাল কর্তৃক আমদানির ক্ষেত্রে; এবং

       (ঢ)   প্রবাসী কর্তৃক প্রেরিত পণ্যের ক্ষেত্রে।

 

৬।   অর্থের উৎস।- নিম্নবর্ণিত উৎসের আওতায় পণ্য আমদানি করা যাইবে, যথা:-

(ক)  নগদ-

(অ)  নগদ বৈদেশিক মুদ্রা (বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি);

(আ) প্রবাসী বাংলাদেশীদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব;

(ই)  বৈদেশিক অর্থ সাহায্য (পণ্য সাহায্য, ঋণ, অনুদান);

(ঈ)  পণ্য বিনিময়- বার্টার এবং বিশেষ বাণিজ্য চুক্তি (এস,টি,এ)।

      

(খ)  বাণিজ্যিক আমদানিকারক ও শিল্প প্রতিষ্ঠান তাহাদের জন্য বার্টার এবং এস,টি,এ’র অধীনে ঘোষিত ভিত্তি অনুসারে নিজ নিজ প্রাপ্য হিস্যার ব্যবহার করিতে পারিবে;

 

(গ)  সরকারের সুনির্দিষ্ট পূর্বানুমতিক্রমে সম্পাদিত বেসরকারি  খাতের বিশেষ বাণিজ্য চুক্তির (এস,টি,এ) অধীন পণ্য আমদানি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে করা যাইবে; এবং

 

(ঘ)   কেবল বর্তমানে বলবৎ চুক্তিসমূহের মেয়াদ অবসান না হওয়া পর্যন্ত দফা (ক) এর উপ-দফা (ঈ) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে।

      

৭।   আমদানি ব্যয় খাতে অর্থের ব্যবস্থা।- ভিন্নরূপ উল্লিখিত না হইলে, প্রধানতঃ নগদ অর্থের অধীনেই আমদানিকারকগণকে আমদানি করিতে হইবে।

 

৮।   আমদানি পদ্ধতি।- পণ্য আমদানির পদ্ধতি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

 

(১)   আমদানি লাইসেন্স অনাবশ্যক- ভিন্নরূপ নির্দেশ না থাকিলে, কোন পণ্য আমদানির জন্য আমদানির লাইসেন্স প্রয়োজন হইবে না।

 

(২)   এল, সি, এ, ফরমের মাধ্যমে আমদানি- ভিন্নরূপ নির্দেশ না থাকিলে, অর্থের উৎস নির্বিশেষে ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানির ক্ষেত্রে (এল,সি, ব্যাংক ড্রাফট, রেমিটেন্স ইত্যাদি) এল,সি,এ, ফরম আবশ্যক হইবে।

(৩)  ঋণপত্রের মাধ্যমে আমদানি- ভিন্নরূপ নির্দেশ না থাকিলে, শুধু অপ্রত্যাহারযোগ্য ঋণপত্র খুলিয়া আমদানি করিতে হইবে:

 

 

       তবে শর্ত থাকে যে, দ্রুত পচনশীল খাদ্যদ্রব্য টেকনাফ শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি চালানে মার্কিন ডলার ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) মূল্যসীমা ও অন্যান্য স্থল পথে আমদানির ক্ষেত্রে মার্কিন ডলার দশ হাজার মূল্য সীমার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী আমদানির জন্য মূল্যসীমা নির্বিশেষে ঋণপত্র ছাড়া এলসিএ ফরমের মাধ্যমে আমদানি করা যাইবেঃ

 

 

আরো শর্ত থাকে যে, এই পদ্ধতির আওতায় উপ-অনুচ্ছেদ (৬) এ উল্লিখিত শর্তাবলী একইভাবে প্রযোজ্য হইবে এবং আমদানিকারককে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে ঋণপত্র ব্যতিরেকে আমদানির জন্য নিবন্ধিত হইতে হইবে।

 

 

(৪)  ঋণপত্র না খুলিয়া এল,সি,এ ফরমের মাধ্যমে আমদানি- নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে ঋণপত্র না খুলিয়া এল,সি,এ, ফরমের মাধ্যমে আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  সাইট ড্রাফট অথবা ইউজেন্স বিলের ভিত্তিতে পুস্তক, জার্নাল, ম্যাগাজিন ও সাময়িকী আমদানি;

 

(খ)  শিল্প খাতের আমদানিকারক হিসাবে নিবন্ধিত আমদানিকারকগণ কর্তৃক স্বীয় কারখানায়    ব্যবহৃতব্য কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে মূল্যসীমা নির্বিশেষে এবং       বাণিজ্যিক আমদানিকারক      কর্তৃক বাংলাদেশ হইতে মূল্য পরিশোধ করিয়া বাৎসরিক      অনধিক ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) মার্কিন ডলার মূল্যের যে কোন আমদানিযোগ্য পণ্য, তবে      মায়ানমার হইতে-

 

 

(অ) চাল, ডাল, ভুট্টা, সীম, আদা, রসুন, সয়াবিন তেল, পামওয়েল, পেঁয়াজ ও মাছ আমদানির ক্ষেত্রে একক চালানে অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) মার্কিন ডলার ও অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে একক চালানে ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) মার্কিন ডলার; এবং

 

(আ) সরকারি ব্যবস্থাপনায় চাল আমদানির ক্ষেত্রে একক চালানে অনধিক ২.০০ (দুই) মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত ঋণপত্র ব্যতীত আমদানি করা যাইবে এবং এইক্ষেত্রে বাৎসরিক সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দু্ই লক্ষ) মার্কিন ডলারের সীমা প্রযোজ্য হইবে না;

 

(গ)  যে সকল পণ্য সাহায্য, ঋণ ও অনুদানের অধীনে ঋণপত্র ব্যতিরেকে আমদানির জন্য সুনির্দিষ্ট ক্রয় পদ্ধতি রহিয়াছে; এবং

 

(ঘ)   স্বীকৃত ঔষধ শিল্প কর্তৃক ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে পরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে উৎপাদিত ঔষধের মান নির্ধারণ কাজে ব্যবহার্য ‘‘ইন্টারন্যাশনাল কেমিক্যাল রেফারেন্স’’।

 

(৫)  আমদানি পারমিট এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ক্লিয়ারেন্স পারমিট (জরিমানাসহ খালাসের নিমিত্তে) এর মাধ্যমে আমদানি- নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে এল,সি,এ ফরম এর অথবা ঋণপত্র খুলিবার প্রয়োজন হইবে না, তবে আমদানিকারককে আমদানি পারমিট বা, ক্ষেত্রমত, ক্লিয়ারেন্স পারমিট গ্রহণ করিতে হইবে, যথা:-

 

(ক)  ইউনেস্কো কুপন সমর্পন করিয়া পুস্তক, জার্নাল, ম্যাগাজিন, সাময়িকী এবং বৈজ্ঞানিক ও গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি আমদানি;

 

(খ)  নিম্নেবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে আয় হইতে পরিশোধ (Pay as you earn scheme) প্রকল্পের অধীন কেবল বাংলাদেশ ব্যাংকের (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বোর্ডের বৈদেশিক ঋণ বাছাই কমিটির) ছাড়পত্রের ভিত্তিতে আমদানি, যথা-

             

(অ)  আমদানিযোগ্য নতুন এবং অনধিক ১০ (দশ) বৎসরের পুরাতন প্লান্ট এবং মেশিনারী;

 

(আ) নূতন অথবা অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসরের পুরাতন বা রিকন্ডিশন্ড মটর গাড়ী;

 

(ই)  যে কোন পরিমাণ পরিবহণ ক্ষমতাসম্পন্ন নূতন অথবা অনধিক ১৫ (পনের) বৎসরের পুরাতন রিফ্রিজারেটেড জাহাজসহ ইস্পাত অথবা কাঠের তৈরী মালবাহী ও যাত্রীবাহী জাহাজ:

 

তবে শর্ত থাকে যে, সমুদ্রগামী জাহাজের ক্ষেত্রে অনধিক ২৫(পঁচিশ) বৎসরের পুরাতন জাহাজও আমদানিযোগ্য হইবে;

 

(ঈ)  উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র গ্রহণ করিয়া রপ্তানিমুখী শিল্প প্লান্ট এবং মেশিনারি;

 

(উ)  সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য নূতন অথবা অনধিক ২৫ (পঁচিশ) বৎসরের পুরাতন জাহাজ ও ট্রলারঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকল্পের অধীন আমদানির অনুমোদন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট অনুমোদন পত্রের কপি প্রধান নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং আমদানিকারকগণ পণ্য আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহকারে প্রধান নিয়ন্ত্রকের নিকট পূর্বানুমতির জন্য আবেদন করিবেন;

 

(গ)  বিদেশ হইতে প্রত্যাগত যাত্রী কর্তৃক ব্যাগেজ রুলসমূহের আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ বা মূল্যের অতিরিক্ত পণ্য আমদানি যদি উক্ত আমদানিকৃত পণ্য সংশ্লি­ষ্ট ব্যাগেজ রুলের অধীন আমদানিযোগ্য হয়;

 

(ঘ)   নমুনা, বিজ্ঞাপন সামগ্রী এবং উপহার দ্রব্য আমদানি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ ১৩ তে উল্লিখিত বিধানে বর্ণিত মাত্রার অধিক পরিমাণ বিনা মূল্যের নমুনা, বিজ্ঞাপন সামগ্রী এবং উপহার দ্রব্যাদি আমদানি;

 

(ঙ)  শুধু ভেষজ এবং ঔষধাদি বোনাস পদ্ধতিতে এই শর্তে আমদানি যে, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকগণ উক্ত আমদানির সুবিধা ভোক্তাগণকে ভোগ করিতে দিতে বাধ্য থাকিবেন। এই উদ্দেশ্যে মহাপরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর যথাযথ পদ্ধতি উদ্ভাবন করিবেন;

 

(চ)   দেশী-বিদেশী যৌথ উদ্যোগে ও ১০০% বিদেশী উদ্যোগে স্থাপিত বা স্থাপিতব্য অনুমোদিত শিল্পের বিদেশী অংশীদারের মূলধন হিসাবে ক্যাপিটাল মেশিনারি ও যন্ত্রাংশ আমদানি; এবং

 

(ছ)   পারমিট হইতে সুনির্দিষ্টভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয় নাই এইরূপ অন্যান্য পণ্য আমদানি।

 

(৬)  বিলম্বিত মূল্য পরিশোধের (ডেফার্ড পেমেন্ট) ভিত্তিতে অথবা সরবরাহকারীর ঋণের বিপরীতে আমদানি- এই আদেশে বর্ণিত বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিধিবদ্ধ পদ্ধতির ভিত্তিতে বিলম্বিত মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে অথবা সরবরাহকারীর ঋণের বিপরীতে মালামাল আমদানি করা যাইবে।

 

(৭)  সরাসরি বিদেশে মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে আমদানি- শুধু প্রবাসী বাংলাদেশী কর্তৃক সরাসরি বিদেশে মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে যে কোন আমদানিযোগ্য পণ্য মূল্যসীমা নির্বিশেষে বাংলাদেশে বসবাসরত বাংলাদেশীর নামে প্রেরণ করা যাইবে এবং প্রাপকের নাম ও ঠিকানা আমদানি সংক্রান্ত দলিলে উল্লেখ করিতে হইবে, এইরূপ ক্ষেত্রে-

 

(ক)  আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি বা আমদানি পারমিট প্রয়োজন হইবে না;

 

(খ)  বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী হিসাবে ঐ দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করিতে হইবে, এই প্রত্যয়নপত্রে প্রেরকের পাসপোর্ট নম্বর, পেশা, বাৎসরিক আয়, বিদেশে অবস্থানের মেয়াদ ইত্যাদি উল্লেখ থাকিতে হইবে; এবং

 

(গ)  মূল্য পরিশোধের রসিদে দূতাবাসের প্রত্যয়ন থাকিতে হইবে।

 

(৮)  ঋণপত্র খোলার সময়সীমা-

 

(ক)  ভিন্নতর নির্দেশ না থাকিলে, নগদ অর্থে আমদানির ক্ষেত্রে সকল আমদানিকারককে এল,সি,এ ফরম জারি বা নিবন্ধনের ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে ঋণপত্র খুলিতে হইবে:

 

 

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান নিয়ন্ত্রক আমদানি ও রপ্তানি উক্ত সময়সীমা উপযুক্ত মেয়াদ পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবেন;

 

(খ)  বিদেশী ঋণ বা অনুদান হিসাবে এবং বার্টার বা এস টি এ এর অধীন প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্তৃক ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে ঋণপত্র খুলিতে হইবে।

 

 

(৯)  পণ্য জাহাজীকরণ সময়সীমা-

 

(ক)  ভিন্নরূপ নির্দেশ না থাকিলে, ব্যাংক কর্তৃক এল,সি,এ ফরম জারীর তারিখ হইতে যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে ১৭ (সতের) মাস এবং অন্যান্য সকল পণ্যের ক্ষেত্রে ০৯ (নয়) মাসের মধ্যে পণ্য জাহাজীকরণ করিতে হইবে;

 

(খ)  পণ্য ঋণ বা অনুদান এবং একাউন্ট ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট বা কাউন্টার ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট এর অধীন আমদানির ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্তৃক ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে পণ্য জাহাজীকরণ করিতে হইবে; এবং

 

(গ) আমদানিকারকের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত পরিস্থিতির কারণে কোন পণ্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জাহাজীকরণ করা সম্ভব না হইলে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রধান নিয়ন্ত্রক জাহাজীকরণের সময়সীমা উপযুক্ত মেয়াদের জন্য বর্ধিত করিতে পারিবেন।

 

(১০) নিষেধাজ্ঞা বা বাধা-নিষেধ আরোপের পর ঋণপত্রের উপর বিধি-নিষেধ- কোন পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ অথবা শর্তযুক্ত বলিয়া ঘোষিত হইলে মনোনীত ব্যাংক অথবা আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সেই পণ্যের জন্য পূর্বের খোলা ঋণপত্রের জন্য জাহাজীকরণের সময়সীমা বর্ধন অথবা ঋণপত্রের সংশোধন অথবা পণ্যের মূল্য বা পরিমাণ বৃদ্ধি করিতে পারিবে না।

 

(১১) এল,সি,এ ফরমের সহিত যে সকল দলিলপত্র দাখিল করা আবশ্যক- সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতের আমদানিকারকগণ ঋণপত্র খুলিবার জন্য এল,সি,এ ফরমের সহিত নিম্নলিখিত দলিলপত্র তাঁহাদের মনোনীত ব্যাংকে দাখিল করিবেন, যথা:-

 

(ক)  আমদানিকারক কর্তৃক যথাযথভাবে স্বাক্ষরিত ঋণপত্র দরখাস্ত ফরম;

      

(খ) ইন্ডেন্টর কর্তৃক মালামালের জন্য প্রদত্ত ইনডেন্ট অথবা বিদেশী সরবরাহকারী প্রদত্ত প্রোফরমা ইনভয়েস, যাহা প্রযোজ্য; এবং

 

(গ)  ইন্স্যুরেন্স কভার নোট।

 

(১২) সরকারি খাতের আমদানিকারকগণ কর্তৃক যে সকল অতিরিক্ত কাগজপত্র দাখিল করা আবশ্যক- উপ-অনুচ্ছেদ (১১) এ বর্ণিত কাগজপত্রাদির অতিরিক্ত হিসাবে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বা, ক্ষেত্রমত, কর্তৃপক্ষের মঞ্জুরীপত্রের সত্যায়িত প্রতিলিপি সরকারি খাতের আমদানিকারকগণকে দাখিল করিতে হইবে।

 

 

(১৩) বেসরকারি আমদানিকারকগণ কর্তৃক যে সকল অতিরিক্ত কাগজপত্র দাখিল করা আবশ্যক-

উপ-অনুচ্ছেদ (১১) এ বর্ণিত কাগজপত্রাদি ছাড়াও নিম্নলিখিত কাগজপত্রাদি বেসরকারি খাতের আমদানিকারকগণকে দাখিল করিতে হইবে, যথা:-

(ক)  নিবন্ধনকৃত স্থানীয় বণিক ও শিল্প সমিতি অথবা নিখিল বাংলাদেশ ভিত্তিক তাহার নিজ ব্যবসার প্রতিনিধিত্বকারী সংশ্লিষ্ট ট্রেড এসোসিয়েশন হইতে উহার বৈধ সদস্য হিসাবে প্রত্যয়নপত্র;

      

(খ)  সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসরের জন্য নবায়নকৃত আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র;

 

(গ)  আমদানিকারক পূর্ববর্তী বৎসরের আয়কর পরিশোধ করিয়াছেন অথবা আয়কর রিটার্ণ দাখিল করিয়াছেন এই মর্মে তিন প্রস্থ ঘোষণাপত্র;

 

(ঘ)   ব্যক্তিগত ব্যবহার ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর (ইটিআইএন) গ্রহণের প্রমাণপত্র;

 

(ঙ)  এই আদেশের অধীন প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্তৃক বিভিন্ন সময় জারিকৃত সরকারি বিজ্ঞপ্তি অথবা নির্দেশের মাধ্যমে চাওয়া হইয়াছে এইরূপ কাগজপত্র;

 

(চ)   এই আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অন্য যে কোন কাগজ বা দলিলপত্র;

 

(ছ)   সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বা বাংলাদেশী ইন্সুরেন্স কোম্পানীর কভার নোট এবং উহার বিপরীতে ষ্ট্যাম্পযুক্ত বীমা পলিসি, যাহা পণ্য খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

 

(১৪) এল,সি,এ বা এল, সি’র শর্ত বা নিয়ম লংঘন-

 

(ক)  মনোনীত ব্যাংক কর্তৃক এল,সি,এ ফরম ইস্যুকরণ এবং তাহা অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে নিবন্ধন, যেরূপ প্রযোজ্য, এবং ঋণপত্র খোলার পূর্বে বা এল,সি,এ ফরম বা এল,সি’র মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মালামাল জাহাজজাত করা হইলে তাহা এই আদেশ লংঘনক্রমে আমদানি হিসাবে গণ্য হইবে;

 

(খ)  মিথ্যা অথবা সঠিক নহে এইরূপ তথ্য প্রদান করিয়া অথবা জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাপ্ত এল,সি,এ ফরম অবৈধ এবং বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে ; এবং

 

(গ)  শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্যাদি আমদানির ক্ষেত্রে অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে ঋণপত্র খোলার পূর্বে জাহাজজাত করা হইলে তাহা এই আদেশ লংঘনক্রমে আমদানি হিসাবে গণ্য হইবে না।

 

 

(১৫) ইনডেন্ট এবং প্রোফরমা ইনভয়েসের বিপরীতে আমদানি- নিবন্ধিত স্থানীয় ইনডেন্টর কর্তৃক জারিকৃত ইনডেন্ট অথবা বিদেশী উৎপাদনকারী বা বিক্রেতা বা সরবরাহকারী কর্তৃক জারিকৃত প্রোফরমা ইনভয়েসের বিপরীতে ঋণপত্র প্রতিষ্ঠা করা যাইবে।

 

(১৬) এল, সি, এ ফরমের ক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহের অনুসরণীয় পদ্ধতি- এল,সি,এ ফরম গ্রহণ বা জারি করিবার ক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহকে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে, যথা:-

                    

(ক) মনোনীত ব্যাংক কর্তৃক এল,সি,এ ফরম গ্রহণ:-

 

(অ)  বেসরকারি খাতে স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং নিবন্ধিত বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ কর্তৃক মালামাল আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলার জন্য এল,সি,এ ফরম ও আনুষঙ্গিক কাগজ-পত্রাদি তাহাদের নিজ নিজ মনোনীত ব্যাংকে দাখিল করিতে হইবে;

 

(আ) বেসরকারি সকল আমদানিকারকের নিকট হইতে এল,সি,এ ফরম গ্রহণ করিবার সময় মনোনীত ব্যাংক এই মর্মে নিশ্চিত হইবে যে, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকের বৈধ আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র (আই,আর,সি) রহিয়াছে, সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসরের জন্য প্রদেয় নবায়ন ফি যথাযথভাবে পরিশোধ করা হইয়াছে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি চালানের বিবরণ উক্ত আমদানিকারকের আই,আর,সি’তে যথারীতি রেকর্ড করা হইয়াছে। বেসরকারি খাতের কোন আমদানিকারককে আই,আর,সি হইতে সুনির্দিষ্টভাবে অব্যাহতি প্রদান করা না হইলে বৈধ অথবা বৈধভাবে নবায়নকৃত আই,আর,সি ব্যতীত তাহার এল,সি,এ ফরম গ্রহণ করা যাইবে না অথবা ঋণপত্র খোলা যাইবে না;

 

(ই)  স্থলপথে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশে গন্তব্য স্থলবন্দর সংশ্লিষ্ট ঋণপত্রে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করিতে হইবে;

 

(ঈ)  নতুন শিল্প স্থাপনের উদ্দেশ্যে ক্যাপিটাল মেশিনারী এবং প্রাথমিক যন্ত্রাংশ আমদানির জন্য আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র (আই,আর,সি) ছাড়াই এল,সি খোলা যাইবে। এইরূপ ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ন্ত্রকের নিকট হইতে আই,আর,সি  অব্যাহতি পত্র গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না। অবাধ সেক্টরভুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় ক্যাপিটাল মেশিনারী ও যন্ত্রাংশ আমদানির জন্য পোষকের কোন আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পত্রের প্রয়োজন হইবে না; এবং

 

(উ)  বিদেশী বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ক্যাপিটাল মেশিনারী ও যন্ত্রাংশ আমদানি বাবদ ব্যয় বিনিয়োগকারীদের ইক্যুইটির অংশ হইতে নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধিত হইবে মর্মে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সনদপত্র প্রয়োজন হইবে।

 

(খ)  এইচ, এস, কোড নম্বর লিপিবদ্ধকরণ- ঋণপত্র খোলার সময় বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ আমদানি পণ্যের যথাযথ বর্ণনা, পণ্যের সঠিক এইচ.এস কোড নম্বর লিপিবদ্ধকরণ এবং যুক্তিসঙ্গত মূল্য উল্লেখ করিবে। তফসিলী ব্যাংকগুলি উপরোক্ত ব্যবস্থা পালন করিতেছে কি না সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মনিটর করিবে;

 

(গ)        এল,সি,এ ফরম নিবন্ধন- এল,সি অথবা এল,সি ব্যতিরেকে আমদানির ক্ষেত্রে এল,সি,এ ফরম ইস্যুকারী অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক এল,সি,এ ফরম নিবন্ধন সম্পাদন করিয়া এল,সি,এ ফরমের কপি মূল্য পরিশোধের পর মাসিক বিবরণীর সহিত বাংলাদেশ ব্যাংক, আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, আমদানিকারক এবং শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবে এবং ১(এক) কপি নিজে সংরক্ষণ করিবে; ডিলার ব্যাংক কর্তৃক এল,সি,এ ফরম লিপিবদ্ধকরণের সকল তথ্যাদি একটি বিবরণী আকারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে মাসিক ভিত্তিতে দাখিল করিতে হইবে;

 

 

(ঘ) সরকারি বরাদ্দের বিপরীতে যে সকল এল,সি,এ ফরম নিবন্ধনের আবশ্যকতা নাই সেই সকল ক্ষেত্রের বিধান- ঋণ, অনুদান, বিনিময় অথবা বিশেষ বাণিজ্য চুক্তির (এসটিএ) অধীন আমদানির ক্ষেত্রে মনোনীত ব্যাংক, আমদানিকারকের এল,সি,এ ফরমে উল্লিখিত বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া এল,সি,এ ফরম বা এল,সি দরখাস্ত ফরম এবং অন্যান্য আবশ্যকীয় দলিলপত্র এল,সি খুলিবার অনুরোধ জানাইয়া নির্ধারিত ব্যাংকের নিকট প্রেরণ করিবে এবং নির্ধারিত ব্যাংক তখন এল,সি খুলিয়া সংশ্লিষ্ট এল,সি,এ ফরমের ৩য় ও ৪র্থ কপি আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে অবশ্যই প্রেরণ করিবে;

 

(ঙ) আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের রেকর্ডভুক্তির জন্য ঋণপত্রের কপি প্রেরণ- ঋণপত্র খোলার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ঋণপত্রের একটি পঠনযোগ্য কপি এবং সংশোধিত হইয়া থাকিলে উহার একটি কপি সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট তাহাদের রেকর্ডভুক্তির জন্য ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে প্রেরণ করিবে;

 

(চ) বেসরকারি আমদানিকারক কর্তৃক দাখিলকৃত আয়কর ঘোষণাপত্র প্রেরণ- সংশ্লিষ্ট বেসরকারি আমদানিকারকের মনোনীত ব্যাংক আমদানিকারক কর্তৃক দাখিলকৃত আয়কর ঘোষণাপত্রের একটি কপি নিজের কাছে রাখিবে এবং অপর একটি কপি পরিচালক (গবেষণা এবং পরিসংখ্যান), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর নিকট প্রেরণ করিবে;

 

(ছ) মনোনীত ব্যাংক পরিবর্তন- সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক আমদানি ও রপ্তানি দপ্তরাধীন এলাকার মধ্যে উভয় ব্যাংকের অনাপত্তি সাপেক্ষে মনোনীত ব্যাংক পরিবর্তন করা যাইবে; এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকদ্বয়ের অনাপত্তি পত্রের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

সূচীপত্র

 

তৃতীয় অধ্যায়

আমদানি সংক্রান্ত ফিস

৯।   নিবন্ধন সনদপত্র।- (১) ২০১৫-২০১৬ হইতে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বৎসরের জন্য বাণিজ্যিক এবং শিল্প খাতের আমদানিকারকগণ বার্ষিক মোট আমদানি মূল্য-সীমার ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত ছয়টি শ্রেণিতে শ্রেণিভুক্ত হইবেন এবং তাহাদের নিবন্ধন (আইআরসি) ও নবায়ন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

 

শ্রেণী নং

বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্যসীমা

প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস

বার্ষিক নবায়ন ফিস

প্রথম

টাঃ ৫,০০,০০০

টাঃ ৫,০০০

টাঃ ৩,০০০

দ্বিতীয়

টাঃ ২৫,০০,০০০

টাঃ ১০,০০০

টাঃ ৬,০০০

তৃতীয়

টাঃ ৫০,০০,০০০

টাঃ ১৮,০০০

টাঃ ১০,০০০

চতুর্থ

টাঃ ১,০০,০০,০০০

টাঃ ৩০,০০০

টাঃ ১৫,০০০

পঞ্চম

টাঃ ৫,০০,০০,০০০

টাঃ ৪৫,০০০

টাঃ ২২,০০০

ষষ্ঠ

টাঃ ৫,০০,০০,০০০ এর ঊর্ধ্বে

টাঃ ৬০,০০০

টাঃ ৩০,০০০

 

(২)   যে কোন আমদানিকারক তাহার ইচ্ছা অনুযায়ী উপরে বর্ণিত ছয়টি শ্রেণীর মধ্যে যে কোন একটি শ্রেণীর আমদানিকারক হিসাবে নিবন্ধনের জন্য উক্ত শ্রেণীর বিপরীতে উল্লিখিত ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বরাবরে আবেদন জানাইবেন এবং ফিস পরিশোধের প্রমাণস্বরূপ ট্রেজারী চালানের মূল কপি এবং আবেদনপত্রের সহিত প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র দাখিল করিবেন। 

 

(৩)  প্রত্যেক আমদানিকারকের আই,আর,সি’তে নবায়ন ফিসের হার এবং বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্যসীমা সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সীল-স্বাক্ষরসহ রেকর্ড করিয়া দেওয়া হইবে।

 

(৪)   নিবন্ধিত সকল শ্রেণির আমদানিকারকগণ নিবন্ধন সনদপত্র নবায়নের জন্য উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লিখিত ছয়টি শ্রেণির মধ্যে কোন্ শ্রেণিভুক্ত হইতে ইচ্ছুক, সেই বিষয়ে লিখিত দরখাস্তের দুই কপি, আই,আর,সি’র মূলকপি, বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নাই সেখানে সোনালী ব্যাংকে ‘‘১/১৭৩১/০০০১/১৮০১’’ হিসাব খাতে সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর নবায়ন ফি জমাদানের ট্রেজারী চালানের কপিসহ নবায়ন বই সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বরাবরে জমা প্রদান করিবেন।

 

(৫)   সকল শ্রেণির আমদানিকারকগণ নিজ নিজ মনোনীত ব্যাংকের মাধ্যমেও আই,আর,সি নবায়ন করিতে পারিবেন।

 

(৬)  আমদানিকারকগণ আই,আর,সি-এর মূলকপিসহ আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট শ্রেণির জন্য নির্ধারিত নবায়ন ফিস যথাযথ রশিদ গ্রহণপূর্বক মনোনীত ব্যাংকে নগদ টাকায় প্রদান করিবেন।

 

(৭)  ব্যাংকসমূহ নবায়ন ফিস বাবদ গৃহীত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নাই সেখানে সোনালী ব্যাংকে ‘‘১/১৭৩১/০০০১/১৮০১’’ হিসাব খাতে পৃথক পৃথকভাবে জমা প্রদান করিবেন।

 

(৮)  ব্যাংক কর্তৃক বার্ষিক নবায়ন ফিসের ও বার্ষিক মোট আমদানির সর্বোচ্চ মূল্যসীমা আমদানিকারকের আই,আর,সি-তে সীল স্বাক্ষরসহ রেকর্ড করা হইবে এবং আই,আর,সি-এর মূলকপি আমদানিকারককে ফেরত দেওয়া হইবে।

 

(৯)  আমদানিকারকের দরখাস্তের এক কপি মনোনীত ব্যাংক নিজের নিকট রাখিবে এবং অপর এক কপি নবায়ন ফিস প্রদান সম্পর্কিত ট্রেজারি চালানের মূল কপিসহ বিভিন্ন শ্রেণীর আমদানিকারকের পৃথক পৃথক তালিকা প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে প্রেরণ করিবে।

 

(১০) আমদানিকারকগণ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসরের জন্য উক্ত অর্থ বৎসরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নবায়ন ফিস কোন প্রকার সারচার্জ ব্যতিরেকে পরিশোধ করিতে পারিবে।

 

(১১) উপ-অনুচ্ছেদ (১০) এ উল্লিখিত তারিখের পূর্বে পণ্য সামগ্রী আমদানির উদ্দেশ্যে কোন প্রকার ঋণপত্র খুলিতে আগ্রহী হইলে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারককে প্রথমে নির্ধারিত হারে উক্ত বৎসরের জন্য নবায়ন ফিস যথাযথভাবে পরিশোধ করিতে হইবে।

 

(12)  উপ-অনুচ্ছেদ (১০) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে নবায়ন ফিস প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে বকেয়া       নবায়ন ফিসসহ নিম্নবর্ণিত হারে সারচার্জ প্রদান করিতে হইবে, যথাঃ-

 

সময়সীমা

সারচার্জের পরিমাণ

এক বৎসর বা উহার কম বিলম্বের জন্য সারচার্জ

টাঃ ৫০০

এক বৎসরের ঊর্ধ্বে কিন্তু দুই বৎসরের ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ বিলম্বের জন্য সারচার্জ

টাঃ ১,০০০

দুই বৎসরের ঊর্ধ্বে কিন্তু তিন বৎসরের ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ বিলম্বের জন্য সারচার্জ

টাঃ ২,০০০

তৃতীয় বৎসরের পর পরবর্তী প্রতি বৎসরের জন্য সারচার্জ

পূর্ববর্তী বৎসরের দ্বিগুণ হারে

 

(১৩) উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লিখিত শ্রেণীর মধ্যে নিবন্ধিত কোন আমদানিকারক উচ্চতর শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত হইয়া বর্ধিত অংকের আমদানি সুবিধা গ্রহণ করিতে আগ্রহী হইলে তিনি উচ্চতর শ্রেণীর জন্য প্রযোজ্য নবায়ন ফিসের অবশিষ্ট অংশ উপ-অনুচ্ছেদ (৪), (৫) এবং (৬) এ বর্ণিত পদ্ধতিতে প্রদান করিবেন।

 

(১৪) আই,আর,সি-তে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর পর ব্যাংক কর্তৃক আবেদন পত্রের এক কপি নবায়ন ফিসের অবশিষ্ট অংশ প্রদান সম্পর্কিত ট্রেজারী চালানের মূলকপিসহ প্রেরণপূর্বক বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে।

 

(১৫) কোন আমদানিকারক তাহার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বার্ষিক সর্বোচ্চ মূল্যসীমার অতিরিক্ত অংকের পণ্য সামগ্রী আমদানির জন্য ঋণপত্র খুলিতে পারিবেন না।

 

(১৬) উপ-অনুচ্ছেদ (১৫) এর শর্ত লংঘিত হইলে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও তাহার মনোনীত ব্যাংক উভয়েই সমভাবে দায়ী হইবে।

 

(১৭) নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে আই,আর,সি প্রদানের জন্য প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমদানি ও রপ্তানি দপ্তরে সুপারিশ প্রেরণ করিবার সময় বার্ষিক সর্বোচ্চ মূল্যসীমার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানকে কোন শ্রেণির আমদানিকারক হিসাবে নিবন্ধিত করিতে হইবে সেই বিষয়ে পোষক কর্তৃপক্ষ তাহাদের সুপারিশপত্রে পরিস্কারভাবে উল্লেখ করিবেন।

 

(১৮) ইনডেন্টর এবং রপ্তানিকারকগণ নিম্নবর্ণিত হারে নিবন্ধন ও নবায়ন ফিস প্রদান করিবেন, যথা:-

 

প্রাথমিক নিবন্ধন ফিস

বার্ষিক নবায়ন ফিস

ইনডেন্টর

টাঃ ৪০,০০০

টাঃ ২০,০০০

রপ্তানিকারক

টাঃ ৭,০০০

টাঃ ৫,০০০

 

(১৯ইনডেন্টরগণ নবায়ন ফিস বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নাই সেখানে সোনালী ব্যাংকে ‘‘/১৭৩১/০০০১/১৮০১’’ হিসাব খাতে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে জমাদানের পর উক্ত চালানের কপিআই,আর,সি মূলকপিসহ নবায়ন বই রেকর্ড এবং যাচাই-এর জন্য সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে জমা প্রদান করিতে পারিবেন।

 

(২০ইন্ডেন্টরগণ যথাযথ রশিদ গ্রহণপূর্বক তাহাদের নিজ নিজ মনোনীত ব্যাংকের নগদ টাকায় নিবন্ধন সনদপত্র এবং নবায়ন ফিস প্রদান করিতে পারিবেন।

 

(২১ব্যাংকসমূহ নবায়ন ফিস বাবদ গৃহীত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নাই সেখানে সোনালী ব্যাংকে উপ-অনুচ্ছেদ ( উল্লিখিত হিসাব খাতে পৃথক পৃথকভাবে জমা দিবে এবং জমাকৃত চালানের মূলকপি রেকর্ড এবং যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে প্রেরণ করিবে।

 

(২২রপ্তানিকারকগণ নিজ নিজ নবায়ন ফিস বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নাই সেখানে সোনালী ব্যাংকে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে উপ-অনুচ্ছেদ ( উল্লিখিত হিসাব খাতে জমা দিবেন এবং জমাকৃত চালানের মূলকপি রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্রসহ এই ফিস প্রদানের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করিবার জন্য প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে প্রেরণ করিবেন।

 

(২৩) ইনডেন্টর এবং রপ্তানিকারকগণ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসরের জন্য উক্ত অর্থ বৎসরের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ পর্যন্ত নবায়ন ফিস কোন প্রকার সারচার্জ ব্যতিরেকে পরিশোধ করিতে পারিবেন।

 

(২৪) উপ-অনুচ্ছেদ (২৩) এ উল্লিখিত সময়-সীমার মধ্যে নবায়ন ফিস প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে বকেয়া নবায়ন ফিসসহ নিম্নবর্ণিত হারে সারচার্জ প্রদান করিতে হইবে, যথা:-

 

সময়সীমা

ইনডেন্টর

রপ্তানিকারক

এক বৎসর বা উহার কম বিলম্বের জন্য সারচার্জ

টাঃ ১,০০০

টাঃ ৫০০

এক বৎসরের ঊর্ধ্বে কিন্তু দুই বৎসরের ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ বিলম্বের জন্য সারচার্জ

টাঃ ২,০০০

টাঃ ১,০০০

দুই বৎসরের ঊর্ধ্বে কিন্তু তিন বৎসরের ঊর্ধ্বে নহে এইরূপ বিলম্বের জন্য সারচার্জ

টাঃ ৩,০০০

টাঃ ১,৫০০

তৃতীয় বৎসরের পর পরবর্তী প্রতি বৎসরের জন্য সারচার্জ

পূর্ববর্তী বৎসরের দ্বিগুণ হারে

পূর্ববর্তী বৎসরের দ্বিগুণ হারে

 

 

(২৫) যে সকল ইনডেন্টর নবায়ন ফিস প্রদান করিয়া নিবন্ধন সনদপত্র নবায়ন করিবেন, নবায়ন ফিস সংগ্রহের তথ্যসহ তাহাদের তালিকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আঞ্চলিক আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে প্রেরণ করিবেন।

 

(২৬) তিন বৎসরের অধিক সময়ের জন্য নবায়ন ফিস প্রদানে ব্যর্থ হইয়াছেন এইরূপ আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও ইনডেন্টরগণের নিবন্ধন সনদপত্র নবায়নের আবেদন গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমদানি ও রপ্তানি কর্তৃক নিষ্পত্তি করা হইবে ।

 

(২৭) নিবন্ধন সনদ নবায়ন বই- সকল নিবন্ধিত আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও ইনডেন্টরগণকে নিবন্ধন সনদপত্র নবায়ন সংক্রান্ত তথ্যাদি পৃষ্ঠাংকনের জন্য নিবন্ধন সনদপত্রের বিপরীতে নবায়ন বই গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(২৮) প্রতিটি নবায়ন বইয়ের জন্য ‘‘১/১৭৩১/০০০১/১৮০১’’ হিসাব খাতে চালানের মাধ্যমে ১,০০০ (এক হাজার) টাকা ফিস প্রদান করিতে হইবে।

 

(২৯) নূতন নিবন্ধন সনদপত্র গ্রহণের ক্ষেত্রে নিবন্ধন সনদপত্রের সহিত নবায়ন বই গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(৩০) ইতিপূর্বে নিবন্ধিত আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও ইনডেন্টরগণকে নিজ নিজ এলাকাধীন সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক আমদানি ও রপ্তানি দপ্তর হইতে ফিস পরিশোধের চালান দাখিলপূর্বক নবায়ন বই গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(31) সকল নিবন্ধিত আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও ইন্ডেন্টরগণকে নিবন্ধন সনদপত্র জারি ও বার্ষিক নবায়ন ফিস এর সহিত ১৫% হারে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) প্রদান করিতে হইবে।

 

সূচীপত্র

 

চতুর্থ অধ্যায়

বিবিধ বিধানাবলী

 

১০।  যৌথ আমদানি।- (১) সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী আমদানিকারকগণ তাঁহাদের সুবিধামত এক বা একাধিক দলে   যৌথভাবে আমদানি করিতে পারিবেন।

 

(২)   যৌথভাবে আমদানির পদ্ধতি পরিশিষ্ট-২ এ উল্লেখ করা হইয়াছে।

 

(৩)  শিল্প ভোক্তাগণ কেবল অন্য শিল্প ভোক্তার সহিত গোষ্ঠীভুক্ত হইতে পারিবেন।

 

(৪)   বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ অপর বাণিজ্যিক আমদানিকারকের সহিত এক বা একাধিক গোষ্ঠীভুক্ত হইতে পারিবেন।

 

১১।  প্রকৃত ব্যবহারকারী কর্তৃক আমদানি।- (১) আমদানিকারক হিসাবে নিবন্ধিত নহে এইরূপ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান      নিজ ব্যবহারের (personal use) জন্য, অনুমতি ব্যতিরেকে, সর্বোচ্চ ৭০০০ (সাত হাজার) মার্কিন ডলার       পর্যন্ত মূল্যের অবাধে আমদানিযোগ্য পণ্য নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি করিতে পারিবেন।

 

(২)   ৭০০০ (সাত হাজার) মার্কিন ডলার এর অধিক মূল্যের পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(৩)  সরকারি কর্মচারী এবং সংবিধিবদ্ধ সংস্থাসমূহের কর্মচারীগণের ক্ষেত্রেও উপ-অনুচ্ছেদ (১) ও (২) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে;

 

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কর্মচারীর সাথে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা সংস্থা প্রধানের নিকট হইতে এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র দাখিল করিতে হইবে যে, আমদানিতব্য পণ্য আবেদনকারীর প্রকৃত ব্যবহারের জন্য, বিক্রয়ের জন্য নহে।

 

(৪)   উপ-অনুচ্ছেদ (১), (২) ও (৩) এ উল্লিখিত প্রকৃত ব্যবহারকারীগণ কর্তৃক আমদানিকৃত পণ্য আমদানির তারিখ হইতে এক বৎসরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বিক্রয় করা যাইবে না।

 

১২।  প্রবাসী পেশাজীবী কর্তৃক আমদানি।- প্রবাসী বাংলাদেশী পেশাজীবীগণ আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কোন অনুমতি বা পারমিট গ্রহণ ব্যতিরেকে বিদেশে উপার্জিত নিজ অর্থ হইতে মূল্যসীমা নির্বিশেষে নিজ পেশাগত কর্মের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি আমদানি করিতে পারিবেন।

 

      ব্যাখ্যা।- এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পেশাজীবি অর্থে ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, কৃষিবিদ সহ সকল শ্রেণির পেশাজীবিকে বুঝাইবে।

 

১৩।  নমুনা, বিজ্ঞাপন সামগ্রী ও উপহার দ্রব্য আমদানি।- (১) প্রতি অর্থ বৎসরে প্রধান নিয়ন্ত্রকের অনুমতি এবং পারমিট ব্যতিরেকেই, বিনা মূল্যে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে সিএফআর মূল্যসীমার মধ্যে নমুনা, বিজ্ঞাপন সামগ্রী এবং উপহার দ্রব্য আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

আমদানিকারকের শ্রেণি

নমুনা, বিজ্ঞাপন সামগ্রী এবং উপহার দ্রব্যাদি

সিএফআর মূল্যসীমা

ঔষধের আমদানিকারক, তদীয়  ইনডেন্টর ও এজেন্ট।

ভেষজ এবং ঔষধাদি ।

টাঃ ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) মাত্র।

সকল আমদানিকারক, ইনডেন্টর এবং এজেন্ট

অন্যান্য নমুনা এবং বিজ্ঞাপন সামগ্রী।

টাঃ ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ ) মাত্র।

বাংলাদেশে নিয়োজিত বিদেশী প্রস্ত্ততকারকের এজেন্ট

ভোক্তাগণের নিকট পরিচিতির উদ্দেশ্যে বিক্রয়ের জন্য নূতন ব্রান্ডের পণ্য।

টাঃ ১,৫০,০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) মাত্র।

ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান

যথার্থ উপহার সামগ্রী

টাঃ ১,৫০,০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) মাত্র।

 

সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকের ব্যবসার সহিত জড়িত অন্যান্য সামগ্রীর মধ্যে ডায়েরী, পুস্তিকা, পোষ্টার, দিনপঞ্জি, প্রচারপত্র, কারিগরী পুস্তিকা ও কোম্পানীর নাম মুদ্রিত/খোদাইকৃত বলপেন, চাবির রিং এবং লাইটার বিজ্ঞাপন সামগ্রীর অন্তর্ভুক্ত হইবে।

 

(২)   রপ্তানির উদ্দেশ্যে নূতন নূতন ডিজাইনের সামগ্রী উৎপাদনের সুবিধার্থে অথবা বিদেশী ক্রেতাদের পছন্দ অনুসারে স্থানীয়ভাবে মালামাল উৎপাদনের সুবিধার্থে প্রতি অর্থ বৎসরে প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতি ও পারমিট ছাড়া বিনামূল্যে নমুনা আমদানির জন্য বিভিন্ন শ্রেণির রপ্তানিকারকগণ নিম্নরূপ সুবিধা পাইবেন, যথা :-

 

ক্রমিক নং

রপ্তানিকারকের শ্রেণী

নমুনা আমদানির বার্ষিক মূল্যসীমা/সর্বোচ্চ সংখ্যা

শর্ত

(১)

(২)

(৩)

(৪)

১।

রপ্তানিমুখী তৈরী পোষাক শিল্প

(ক) ক্যাটাগরী প্রতি ১২(বার)টি করিয়া সর্বোচ্চ ৭০০ (সাত শত) টি নমুনা;

(খ)  তৈরী পোষাক শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পুরাতন তৈরী পোষাক প্রস্ত্ততকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বৎসরে রপ্তানিকৃত পোষাকে ব্যবহৃত কাপড়ের ২% আমদানি সুবিধা পাইবে;

(গ) নতুন কারখানার ক্ষেত্রে অনুমোদিত ক্ষমতার অর্ধেকের জন্য যে পরিমাণ কাপড়/ ফেব্রিক্স/ ইয়ার্ণ/ উল/এক্রিলিক প্রয়োজন তার ২% আমদানি সুবিধা পাইবে ।

 

 

 

 

-

২।

রপ্তানিমুখী যন্ত্রচালিত জুতা শিল্প

সর্বোচ্চ ৫০০ (পাঁচ শত) জোড়া নমুনা।

-

৩।

রপ্তানিমুখী ট্যানারী শিল্প

সর্বোচ্চ ৩০০ (তিন শত) পিস পাকা চামড়ার নমুনা।

-

৪।

অন্যান্য রপ্তানিকারক/উৎপাদক

মার্কিন ডলার ১০,০০০ (দশ হাজার) মাত্র।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো হইতে প্রত্যয়নপত্র/ সুপারিশপত্র দাখিল সাপেক্ষে।

 

(৩) রপ্তানি অর্ডার সম্পাদনের জন্য এইরূপ নমুনা আমদানির প্রকৃত প্রয়োজন হইলে এবং সংশ্লিষ্ট বিদেশী সরবরাহকারী বিনামূল্যে তাহা সরবরাহ করিতে সম্মত না হইলে, সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক/ উৎপাদনকারীগণ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সুপারিশ ও প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতিক্রমে উপরে উল্লিখিত নিজ নিজ মূল্য/পরিমাণের মধ্যে নগদ বৈদেশিক মুদ্রার অধীন স্বাভাবিক ব্যাংকিং পদ্ধতিতে মূল্য পরিশোধ করিয়াও নমুনা আমদানি করিতে পারিবেন।

 

(৪)   রপ্তানির উদ্দেশ্যে পণ্য প্রস্ত্ততের জন্য প্রয়োজনবোধে নিষিদ্ধ বা শর্তযুক্ত দ্রব্যাদিও উপরে উল্লিখিত নিজ নিজ মূল্য/পরিমাণের মধ্যে নমুনা হিসাবে আমদানি করা যাইবে।

 

(৫)   উপ-অনুচ্ছেদ (১) ও (২) এ বর্ণিত মূল্যসীমার অতিরিক্ত পণ্য আমদানি করিবার প্রয়োজন হইলে প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতি এবং আমদানি পারমিট গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(৬)  তৈরী অবস্থায় আমদানি নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি স্থানীয়ভাবে সংযোজন/উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন হইলে সংশ্লিষ্ট সেক্টরের স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতিক্রমে এইরূপ পণ্যের প্রত্যেক প্রকার মডেল অনূর্ধ্ব দুইটি করিয়া বিনামূল্যে আমদানি করা যাইবে; বিদেশী সরবরাহকারীর স্থানীয় এজেন্টগণও টেন্ডারে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজন হইলে এইরূপ সামগ্রী নমুনা হিসাবে আমদানির অনুরূপ সুবিধা পাইবেন।

 

(৭)  প্রবাসী বাংলাদেশীগণ কর্তৃক দেশে অবস্থানরত নিজ পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য অবাণিজ্যিক পরিমাণে প্রেরিত ১০,০০০.০০(দশ হাজার) টাকা মূল্যসীমা পর্যন্ত উপহার সামগ্রী (নিয়ন্ত্রিত তালিকাভুক্ত পণ্যসহ) কোন প্রকার পারমিট ব্যতিরেকে প্রদেয় শুল্ক ও কর যথারীতি পরিশোধ সাপেক্ষে শুল্ক কর্তৃপক্ষ হইতে সরাসরি ছাড় করা যাইবে এবং উল্লি­খিত মূল্যসীমার মধ্যে প্রতি অর্থ বৎসরে আমদানিকৃত কোন একটি পণ্যের সংখ্যা ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর ক্ষেত্রে একটির অধিক এবং অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে পাঁচটির অধিক হইবে না।

 

১৪।  পুনঃ রপ্তানির জন্য অস্থায়ী আমদানি।- (১) বিদেশী প্রস্ত্ততকারীগণের এজেন্ট এবং প্রতিনিধিগণ বাংলাদেশে প্রদর্শনের জন্য নিম্নবর্ণিত শর্তসাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে তাহাদের প্রিন্সিপাল অথবা প্যারেন্ট কোম্পানীর যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জাম আমদানি করিতে পারিবেন, যথা:-

 

       (ক)  আমদানিকৃত যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জাম এক বৎসরের মধ্যে পুনঃ রপ্তানি করিতে হইবে; এবং

 

       (খ)  সময়মত পুনঃরপ্তানি করা হইবে মর্মে প্রত্যয়নপত্র এবং একটি ব্যাংক গ্যারান্টি অথবা আইনগত       দলিল যাহা মাল খালাসের সময় আমদানিকারক কর্তৃক দাখিল করিতে হইবে।

 

(২)   বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অথবা অন্য কোন সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনে, ফেরতের ভিত্তিতে, যে সমস্ত সরঞ্জাম বা সামগ্রী আমদানি করিবার প্রয়োজন হয়, তাহাতে কোন নিষিদ্ধ কিংবা শর্তযুক্ত পণ্য  অন্তর্ভুক্ত থাকিলে ঐ সকল পণ্য প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতিক্রমে/পুনঃরপ্তানির জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে আমদানি করা যাইবে।

 

(৩)  উপ-অনুচ্ছেদ (২) এ উল্লিখিত পুনঃরপ্তানির জন্য আমদানিকৃত সরঞ্জাম বা সামগ্রী যে কোন স্থানীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতিক্রমে রেয়াতি শুল্কে হস্তান্তর করা যাইবে।

 

(৪)  অন্ট্রাপো বাণিজ্যের লক্ষ্যে আমদানি- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হইতে প্রদত্ত Import permit on returnable basis এর মাধ্যমে ক্রেতা কর্তৃক প্রদেয় ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে অন্ট্রাপো বাণিজ্যের নিমিত্ত পণ্য আমদানি করা যাইবে এবং উক্তরূপ অন্ট্রাপো আমদানির ক্ষেত্রে পণ্যের ঘোষণায় অন্ট্রাপো বা সাময়িক আমদানি (Temporary Import) কথাটি উল্লেখ থাকিতে হইবে।

 

(৫)   আমদানি ও রপ্তানি বন্দর একই হইলে আমদানিকৃত পণ্য বন্দরের বাহিরে নেওয়া যাইবে না।

 

(৬)  আমদানি ও রপ্তানি বন্দর ভিন্ন হইলে ডিউটি ড্র-ব্যাকের আওতায় শুল্ককর পরিশোধ অথবা ১০০% ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে শুল্ক কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে রপ্তানি বন্দরে স্থানান্তরপূর্বক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পণ্য রপ্তানি করিতে হইবে।

 

(7)              পুনঃ রপ্তানির লক্ষ্যে আমদানি- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হইতে প্রদত্ত Import     permit on returnable basis এর মাধ্যমে ক্রেতা কর্তৃক প্রদেয় রপ্তানি ঋণপত্রের বিপরীতে ডিউটি ড্র ব্যাকের      আওতায় শুল্ককর পরিশোধ অথবা ১০০% ব্যাংক গ্যারান্টি অথবা বন্ডেড ওয়্যার হাউজ এর আওতায় ১০০% রপ্তানির উদ্দেশ্যে যে কোন পণ্য আমদানি করা যাইবে।

 

 

(8)              পুনঃ রপ্তানি পণ্যের প্যাকেট বা মোড়কে ‘‘বাংলাদেশে প্রক্রিয়াকৃত’’ বলিয়া উল্লেখ করিতে হইবে এবং       পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ, প্যাকিং-এর তারিখ, প্যাকিং-এর মধ্যে কি আছে তাহা প্রতিটি      পাত্র/কন্টেইনার/পাটজাত দ্রব্য দ্বারা প্রস্তুত মোড়কের গায়ে লিপিবদ্ধ/ছাপানো থাকিতে হইবে।

 

 

(9)              আমদানিকৃত পণ্য পুনঃ রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সকল পদ্ধতি ও আনুষ্ঠানিকতা পালন     করিতে      হইবে।

 

 

(10)         মেশিনারী, ইকুইপমেন্ট বা সিলিন্ডার মেরামত, রি-ফিলিং বা মেইনটেন্যান্স ইত্যাদির জন্য বিদেশে প্রেরণের ক্ষেত্রে পণ্যের সমমূল্যের ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান করতঃ আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে রপ্তানি কাম-আমদানি পারমিট বা অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং সামরিক বাহিনী ও পুলিশ বিভাগের ক্ষেত্রে উল্লিখিত সমমূল্যের ব্যাংক গ্যারান্টির পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট পোষক মন্ত্রণালয়ের অনুমতিপত্র দাখিলপূর্বক আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে রপ্তানি-কাম-আমদানি পারমিট বা অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

 

 

(11)         উপ-অনুচ্ছেদ ১০ এর বিধানাবলী শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে এবং উক্তরূপ প্রযোজ্যতার ক্ষেত্রে    পোষক কর্তৃপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অঙ্গীকারনামা দাখিল করিতে হইবে।

 

 

(১২) বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম টারবাইন (গিয়ারবক্স সহ বা ছাড়া) বা সমজাতীয় মেশিনারীর ক্ষেত্রে  টারবাইন উৎপাদনকারী অথবা ওভারহোল্ডকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পাদিত চুক্তিপত্রের শর্ত/ ঋণপত্র মোতাবেক টারবাইন (গিয়ার বক্সসহ বা ছাড়া) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানি করতঃ উহা প্রতিস্থাপন (Replacement) পূর্বক মেয়াদ উত্তীর্ণ টারবাইন (গিয়ার বক্সসহ বা ছাড়া) সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে রপ্তানি করিবার জন্য আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে রপ্তানি বা আমদানি পারমিট এর অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে; এইক্ষেত্রে ওভারহোল্ডকারী প্রতিষ্ঠানের সহিত চুক্তি মোতাবেক সার্ভিস চার্জ/প্রতিস্থাপন ব্যয় ঋণপত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পরিশোধ করিয়া প্রদান করা যাইবে।

 

(১৩) (ক) তৈরী পোশাক রপ্তানির পর ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় তাহা ফেরত আসিলে বন্দর হইতে খালাস ও পুনঃরপ্তানির ক্ষেত্রে:

 

(অ)  বন্ডেড ওয়্যারহাউসের ক্ষেত্রে যে সকল তৈরী পোশাক রপ্তানি করা হইয়াছে তাহা ত্রুটিযুক্ত হওয়ায় অথবা অন্য কোন কারণে উহা ফেরত আসার প্রেক্ষিতে বন্দর হইতে খালাস ও পুনঃ রপ্তানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিয়েন ব্যাংক ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের অনাপত্তির ভিত্তিতে প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্তৃক তাহা খালাস ও পুনঃ রপ্তানির জন্য ছাড়পত্র প্রদান করা হইবে;

 

 

(আ) বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স বিহীন অথবা স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহারপূর্বক রপ্তানিকৃত ত্রুটিযুক্ত তৈরী পোশাক ফেরত আসিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ ১ (এক) বৎসরের মধ্যে পুনঃ রপ্তানি করার অঙ্গীকার নামার ভিত্তিতে প্রধান নিয়ন্ত্রকের ছাড়পত্র গ্রহণপূর্বক রপ্তানিকৃত পণ্য ফেরত আনিতে পারিবেন; তবে, অঙ্গীকারনামা অনুযায়ী পণ্য পুনঃরপ্তানি করিতে ব্যর্থ হইলে প্রচলিত মূসক আইন অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ে মূসক প্রদান সাপেক্ষে মূসক-১১ অনুযায়ী গৃহীত রেয়াতের সমপরিমাণ মূসক পরিশোধ সাপেক্ষে (শুধুমাত্র স্থানীয় কাপড়ের ক্ষেত্রে) স্থানীয় বাজারে বিক্রয় করিতে পারিবেন।

 

       (খ)  ত্রুটিযুক্ত কাপড় ফেরত প্রদানের ক্ষেত্রে:

 

(অ)  যে সকল ত্রুটিযুক্ত কাপড় এবং এক্সেসরিজ সরবরাহকারী/রপ্তানিকারক কর্তৃক ফেরত নিতে আগ্রহী এবং বাংলাদেশ হইতে কোন বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করা হয় নাই সেই সকল ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিয়েন ব্যাংক ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের অনাপত্তির ভিত্তিতে প্রধান নিয়ন্ত্রক পুনঃ রপ্তানির জন্য ছাড়পত্র প্রদান করিবেন;

 

 

(আ) যে সকল ত্রুটিযুক্ত কাপড় এবং এক্সেসরিজ সরবরাহকারী/রপ্তানিকারক ফেরত নিতে আগ্রহী এবং বাংলাদেশ হইতে বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করা হইয়া থাকিলে ক্রেতা-বিক্রেতার (Buyer-seller) এর দ্বিপাক্ষিক সম্মতিতে ইনভেন্টরি (Inventory) প্রস্ত্ততের ভিত্তিতে ত্রুটিযুক্ত কাপড়ের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতঃ তৎবাবদ বৈদেশিক মুদ্রা টি, টি (TT) অথবা এল, সি এর মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ অথবা সমপরিমাণ পণ্য প্রতিস্থাপনের পর সংশ্লিষ্ট লিয়েন ব্যাংক ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের অনাপত্তির ভিত্তিতে প্রধান নিয়ন্ত্রক ত্রুটিযুক্ত কাপড় এবং এক্সেসরিজ পুনঃ রপ্তানির ছাড়পত্র প্রদান করিবেন।

 

 

(14)        ওয়ারেন্টি রিপ্লেসমেন্ট হিসাবে পণ্যাদি আমদানি এবং তদপ্রেক্ষিতে ত্রুটিপূর্ণ মালামাল    সংশ্লিষ্টসরবরাহকারীর নিকট ফেরত প্রদানের জন্য আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে অনুমতি     গ্রহণ করিতে হইবে।

 

 

১৫।  বাংলাদেশ অর্থনেতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ( বি.ই.জেড.এ ) এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় (ই.পি.জেড)  আমদানি এবং উক্ত এলাকা হইতে রপ্তানি।- (১) বাংলাদেশ অর্থনেতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ( বি.ই.জেড.এ ) এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় আমদানি এবং উক্ত স্থান হইতে রপ্তানি এই আদেশের বহির্ভূত থাকিবেঃ

 

              তবে শর্ত থাকে যে, এই আদেশের পরিশিষ্ট-১ এ বর্ণিত নিষিদ্ধ পণ্যাদি আমদানি করা যাইবে না এবং      পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করিতে হইবে।

 

       (২)   বি.ই.জেড.এ এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় বাংলাদেশের বাহিরে অন্য কোন দেশ হইতে আমদানি অথবা তথা হইতে বিদেশে রপ্তানি সম্পর্কিত ব্যাংকিং ও শুল্ক পদ্ধতি যথাক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং     জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে জারিকৃত নির্দেশাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।

 

 

(৩)  বি.ই.জেড.এ এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকায় আমদানি এবং উক্ত এলাকা হইতে রপ্তানি বিষয়ক সকল পরিসংখ্যান সংশ্লিষ্ট শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রক্ষিত হইবে।

 

 

(৪)   উপ-অনুচ্ছেদ (৫) এবং (৬) এ উল্লিখিত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে বি.ই.জেড.এ এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা এবং উক্ত এলাকার বাহিরে বাংলাদেশের অন্য যে কোন স্থানের মধ্যে পণ্য চলাচল প্রচলিত আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ রেগুলেশন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হইবে।

 

(৫)   বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি,জেড, এলাকায় ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে ক্রয় করিবার প্রয়োজন আছে এইরূপ পণ্যের তালিকা বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি, জেড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণয়ন করিবার পর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনাপত্তি সাপেক্ষে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে। উক্ত তালিকায় যে কোন পরিবর্তন বা সংশোধন একই পদ্ধতিতে করা যাইবে। এই তালিকা মোতাবেক বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে পণ্য ক্রয় বাবদ বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি,জেড এলাকায় অবস্থিত শিল্পসমূহকে তাহাদের বৈদেশিক মুদ্রার একাউন্ট হইতে কনভার্টিবল মুদ্রায় মূল্য পরিশোধ করিতে হইবে। প্রতি বৎসর, প্রতি অর্থ বৎসর বা প্রতি তিন মাস সময়কালে স্থানীয়ভাবে কত টাকার দ্রব্যাদি ক্রয় করা যাইবে তাহা উল্লেখক্রমে বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি, জেড কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট শিল্প ইউনিটের অনুকূলে একটি পাস বুক ইস্যু করিবে। পাস বুকের প্রোফরমা ও হিসাব পদ্ধতি বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি, জেড কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট শুল্ক কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনাক্রমে ঠিক করিবেন। এইভাবে একটি পাস বুকের মূল্যসীমা শেষ হইয়া গেলে বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি, জেড কর্তৃপক্ষ নূতন মূল্যসীমা এনডোর্স করিবে অথবা নূতন পাস বুক ইস্যু করিবে।

 

(৬)  বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি,জেড এলাকার যে সকল যন্ত্রপাতি মেরামতের জন্য এলাকার বাহিরে আনার প্রয়োজন হইবে সেইগুলির জন্য বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি, জেড কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ‘‘ইন পাস’’ ও ‘‘আউট পাস’’ ইস্যু করিবে। এই পাসের ভিত্তিতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ যথাযথ রেজিস্টারে এন্ট্রি করিয়া সেইগুলি মেরামতের উদ্দেশ্যে বাহিরে আনিবার ও মেরামত শেষে ভিতরে নিবার অনুমতি প্রদান করিবে। তবে বাহিরে ও ভিতরে আনা-নেওয়ার হিসাব ও ডকুমেন্টেশন পদ্ধতি বি.ই.জেড.এ এবং ই,পি, জেড কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট শুল্ক কর্তৃপক্ষের সহিত আলোচনার মাধ্যমে স্থির করিবে।

 

১৬।  মানুষের খাদ্য দ্রব্যাদি আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তাদি।- (১) যে কোন দেশে উৎপন্ন দুগ্ধ, দুগ্ধজাত খাদ্য দ্রবাদি, ভোজ্য তৈল ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী আমদানির ক্ষেত্রে উহাদের পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। এই ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত সনদ আমদানি সংক্রান্ত দলিলের সাথে শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিতে হইবে। আমদানিকৃত দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যদ্রব্য Added Melamine মুক্ত, যে গাভী থেকে দুগ্ধ আহরণ করা হইয়াছে সেই গাভীকে Estrogenic Hormones and Hormone growth promotants (HGPs) Treatment করা হয় নাই এবং ভারী ধাতুর মাত্রা Codex Standard অনুযায়ী রহিয়াছে মর্মে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র আমদানিকারককে অবশ্যই শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে। উল্লেখ্য, যে সমস্ত সবজি বীজ  ও শস্য সরাসরি খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হইতে পারে সেই সমস্ত সবজি বীজ ও শস্য  আমদানির ক্ষেত্রেও  উপরোক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে।

     

(২)   যে কোন দেশ হইতে খাদ্য দ্রব্য আমদানির ক্ষেত্রে শিপিং ডকুমেন্টের সহিত রপ্তানিকারক দেশের  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষণ প্রতিবেদন বাধ্যতামূলকভাবে থাকিতে হইবে এবং এই প্রতিবেদন তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষায় আমদানিতব্য দ্রব্যাদির জাহাজীকরণ অবস্থায় প্রতি কিলোগ্রাম সিজিয়াম-১৩৭ এর মাত্রা কি পরিমাণ পাওয়া গিয়াছে তাহা উল্লেখ করিতে হইবে। অবশ্য ইহা ছাড়াও খাদ্যদ্রব্য মানুষ-এর খাওয়ার উপযোগী এই সাধারণ সার্টিফিকেটও প্রয়োজন হইবে:

 

তবে শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্য আমদানির ক্ষেত্রে লোডিং পোর্ট হইতে জাহাজজাত খাদ্যসামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করিয়া প্রেরণ করিবার প্রয়োজন হইবে না।

 

(৩)  যে কোন দেশ হইতে আমদানিতব্য এই অনুচ্ছেদে উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্যের তেজস্ক্রিয়তার সীমা/পর্যায় পরীক্ষার ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হইবে, যথা:-

 

(ক)  আমদানিতব্য উল্লি­খিত খাদ্যসামগ্রী জাহাজীকরণের পূর্বে সরবরাহকারীর পরীক্ষণ এজেন্ট অথবা ক্রেতা/প্রাপকের পরীক্ষণ এজেন্ট এই সমস্ত খাদ্যদ্রব্যের তেজস্ক্রিয়তার পর্যায় পরীক্ষা করাইবার বন্দোবস্ত করিবেন;

 

(খ)  ক্রেতা/প্রাপক বা তাহার পরীক্ষণ এজেন্ট উপরোক্ত পণ্যবাহী কোন জাহাজ বাংলাদেশী বন্দরে আগমনের পূর্বেই তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষণ সম্পর্কিত প্রত্যয়নপত্র কুরিয়ার সার্ভিস যোগে শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠাইবার ব্যবস্থা করিবেন;

 

(গ)  তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নির্ধারিত সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য সীমা অপেক্ষা অধিক হইলে উক্ত খাদ্যসামগ্রী জাহাজীকরণ করা যাইবে না;

 

 

(ঘ)   যে সমস্ত খাদ্য ইউরোপীয় দেশে উৎপন্ন নহে এবং তৃতীয় কোন দেশে প্যাকেটজাত/টিনজাত অথবা জাহাজজাতও নহে সে সমস্ত  আমদানির ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা সম্পর্কিত প্রত্যয়নপত্র কুরিয়ার সার্ভিসযোগে শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবার প্রয়োজন হইবে না:

 

তবে শর্ত থাকে যে, আমদানিতব্য খাদ্যসামগ্রীর তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষণের একটি প্রতিবেদন দাখিল করিতে হইবে যাহাতে তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষায় আমদানিতব্য দ্রব্যাদির প্রতি কিলোগ্রামে সিজিয়াম-১৩৭ কি মাত্রায় পাওয়া গিয়াছে মর্মে উল্লেখ থাকিতে হইবে; এবং

 

(ঙ)  উক্ত খাদ্যসামগ্রী যে মানুষের খাওয়ার উপযোগী সেই মর্মে সার্টিফিকেট, বিল অব লেডিং (বি,এল) এর সঙ্গে প্রেরণ করিতে হইবে।

 

(৪)   উপ-অনুচ্ছেদ (২) এবং দফা (৩) এ বর্ণিত শর্তাদি সন্তোষজনকভাবে পূরণ করার পরই শুল্ক বিভাগ ও বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজ হইতে সংশ্লিষ্ট মাল জেটিতে নামাইবার অনুমতি প্রদান করিবেন।

 

(৫)   জাহাজ বন্দরে পৌঁছিবার পর-

 

(ক)  আমদানিকারকের প্রতিনিধি এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ (বন্দর এলাকা হইতে নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে) অথবা জাহাজের মাস্টার (বহির্নোংগর বা মুরিং-এ জাহাজ থাকিবার ক্ষেত্রে সেখানে স্পেশাল এপ্রেইজমেন্ট করা হইবে) এর উপস্থিতিতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ জাহাজযোগে প্রেরিত মালামালের প্রয়োজনীয় সংখ্যক নমুনা সংগ্রহ করিবেন এবং নমুনা যথাযথভাবে প্যাকিং করিবার পর উহার সহিত বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন কর্তৃক নির্দেশিত প্রোফরমা সম্বলিত হার্ডবোর্ডের একটি ট্যাগ লাগাইবেন;

 

(খ)  উক্ত ট্যাগে নমুনা সংগ্রহে জড়িত কাস্টমস কর্তৃপক্ষ, আমদানিকারকদের প্রতিনিধি, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জাহাজের মাস্টারের স্বাক্ষর সুস্পষ্ট থাকিতে হইবে;

 

(গ)  এইভাবে প্যাকিং-এর পর ট্যাগসহ নমুনাটি সংগ্রহকারী কাস্টমস কর্মকর্তা কাস্টমস নমুনারুমে পাঠাইয়া দিবেন;

 

(ঘ)   নমুনা রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাস্টমস কর্মকর্তা সকল নমুনার যথাযথ রেকর্ড রাখিবেন এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তা/কর্মচারীর নিকট যথাযথ রেকর্ড রক্ষণ ও স্বাক্ষর গ্রহণ সাপেক্ষে হস্তান্তর করিবেন;

 

(ঙ)  বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন পরবর্তী চবিবশ ঘন্টার মধ্যে ঐ সকল নমুনা পরীক্ষণের ফলাফল নমুনা রুমে হস্তান্তর করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, কোন নমুনা অফিস সময়ের পর সংগৃহীত হইলে তাহা দায়িত্বপ্রাপ্ত কাস্টমস কর্মকর্তার ব্যক্তিগত তদারকিতে থাকিবে এবং পর দিন অফিস খোলার সঙ্গে সঙ্গে  তিনি তাহা নমুনা রুমে হস্তান্তর করিবেন;

 

(চ)   বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রতিনিধি যথাযথ খবর সাপেক্ষে সকাল বেলায় নমুনারুম হইতে ঐ নমুনা সংগ্রহ করিবেন এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষণ শেষে পরীক্ষণ ফলাফল রিপোর্ট কাস্টমস এর নমুনা রুমে পাঠানোর ব্যবস্থা করিবেন;

 

(ছ)   বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রতিনিধি নমুনা রুম হইতে দিনে দুইবার অর্থাৎ সকাল ও বিকালে নমুনা সংগ্রহ করিবেন।

 

(৬)  বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পরীক্ষায় আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্যে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা গ্রহণযোগ্য সীমার ঊর্ধ্বে প্রমাণিত হইলে প্রেরিত মালামাল খালাস করা হইবে না এবং রপ্তানিকারক/সরবরাহকারী উহা নিজ ব্যয়ে ফেরত লইতে বাধ্য থাকিবেন।

 

(৭)  উপ-অনুচ্ছেদ (৩), (৪) এবং (৫) এ বর্ণিত পরীক্ষণ পদ্ধতি যে কোন দেশে উৎপন্ন দুগ্ধ, দুগ্ধ খাদ্য, দুগ্ধজাত দ্রব্যাদি, মৎস্যজাত খাদ্য-দ্রব্যাদি, ভোজ্য তেল ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী ভিন্ন কোন দেশে টিনজাত/প্যাকেটজাত বা জাহাজীকরণ করা হইলে সেই ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।

 

(৮)  উপ-অনুচ্ছেদ (৩), (৪), (৫) এবং (৬) এ বর্ণিত শর্তগুলি সংশ্লিষ্ট এল, সি/ক্রয় চুক্তিতে সন্নিবেশিত হইবে।

 

(৯)   আমদানিকৃত খাদ্যসামগ্রী বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন কর্তৃক পরীক্ষার পর উহার তেজস্ক্রিয়তা গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে রহিয়াছে এইরূপ প্রত্যয়নপত্র পাওয়ার পরই কেবল শুল্ক কর্তৃপক্ষ যথা নিয়মে তাহা ছাড় করিবার অনুমতি দিবেন।

 

(১০) উপ-অনুচ্ছেদ (১) এবং (৯) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় উৎপন্ন এবং মালয়েশিয়া, সিংগাপুর ও ইন্দোনেশিয়া হইতে আমদানিকৃত বা আমদানিতব্য পাম অয়েল, পামওলিন ও আরবিডি পাম স্টিয়ারিনের কোন তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষার প্রয়োজন হইবে নাঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন মাঝে মাঝে বাজার হইতে উক্ত দ্রব্যাদির নমুনা সংগ্রহ করিয়া পরীক্ষা করিবে এবং তাহাতে ক্ষতিকর মাত্রার তেজস্ক্রিয়তা পাওয়া গেলে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হইবে।

 

(১১) আমদানিকৃত আরবিডি পাম স্টিয়ারিনের বিশুদ্ধতা নির্ণয়ের জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)/বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) কর্তৃক পরীক্ষা করাইতে হইবে; এই উদ্দেশ্যে শুল্ক কর্তৃপক্ষ, বন্দর কর্তৃপক্ষ, আমদানিকারক ও তাহার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে আরবিডি পাম স্টিয়ারিনের নমুনা সংগ্রহ করিবে এবং তাহা সীল করিয়া বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন /বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করিবে; বিএসটিআই/বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমদানিকৃত উক্ত দ্রব্যাদির নমুনা ত্বরিত পরীক্ষার ব্যবস্থা করিবেন এবং তাহা আমদানি দলিলে উল্লিখিত আরবিডি পাম স্টিয়ারিন কিনা সেই সম্পর্কে একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন প্রদান করিবেন; বিএসটিআই/বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ উক্ত প্রতিবেদন শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন।

 

(১২) আমদানিকৃত/আমদানিতব্য উল্লিখিত খাদ্য দ্রব্যাদির তেজস্ক্রিয়তার সীমা/পর্যায় পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় আমদানিকারক বহন করিবেন; আমদানিকৃত/আমদানিতব্য আরবিডি পাম স্টিয়ারিন, বিএসটিআই/বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ কর্তৃক পরীক্ষণ সংক্রান্ত ব্যয়ও আমদানিকারক বহন করিবেন।

 

(১৩) সিগারেট, সিগারেট পেপার, পাইপের তামাক, হুইস্কি, বিয়ার ও অন্যান্য মদ জাতীয় পানীয়, কনসেনট্রেটেড এসেন্স, মশলা, ঔষধ আমদানির ক্ষেত্রে কোন তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষার প্রয়োজন হইবে না।

 

(১৪) আমদানিকৃত/আমদানিতব্য যে সমস্ত খাদ্যের তেজস্ক্রিয়তার সীমা এবং পরীক্ষণ পদ্ধতি খাদ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করিয়াছে সেই সকল খাদ্য দ্রব্যের ক্ষেত্রে এই আদেশে উল্লিখিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হইবে না; খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিই সেই সমস্ত দ্রব্যের ক্ষেত্রে অনুসৃত হইবে।

 

(১৫) দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য দ্রব্যের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য তেজস্ক্রিয়তার সীমা প্রতি কিলোগ্রামে সিজিয়াম-১৩৭ এর ৯৫ বি. কিউ এবং অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের জন্য সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য তেজস্ক্রিয়তার সীমা প্রতি কিলোগ্রাম সিজিয়াম-১৩৭ এর ৫০ বি. কিউ। আমদানিকৃত দ্রব্যাদিতে বিদ্যমান সিজিয়াম-১৩৭ এর তেজস্ক্রিয়তার কোন প্রকার তরলীকরণ, ঘণীভূতকরণ, বা প্রক্রিয়াকরণ ব্যতিরেকে যে অবস্থায় বন্দরে পৌঁছিবে তদবস্থায়ই বিবেচ্য হইবে; স্থানীয় দ্রব্যাদির ক্ষেত্রে বাজারজাত অবস্থায় সিজিয়াম-১৩৭ এর তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ ধরা হইবে। এই সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য তেজস্ক্রিয়তার সীমা সরকার কর্তৃক সময় সময় পুনঃ নির্ধারিত হইতে পারিবে।

 

(১৬) সার্কভুক্ত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং এশিয়া-প্রশান্ত  মহাসাগরীয় দেশসমূহ হইতে সরাসরি চাউল, গম, অন্যান্য খাদ্যশস্য এবং খাদ্যদ্রব্য আমদানির ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা সংক্রান্ত উপরোক্ত বাধ্যবাধকতা নিম্নবর্ণিত শর্তাদি পালন সাপেক্ষে শিথিলযোগ্য হইবে, যথা:-

 

(ক)  আমদানিকৃত চাউল, গম, অন্যান্য খাদ্যশস্য এবং খাদ্যদ্রব্য সার্কভুক্ত বা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় কোন দেশে উৎপন্ন হইতে হইবে এবং আমদানি সংক্রান্ত দলিলাদির সঙ্গে রপ্তানিকারক দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি বা অনুমোদিত সংস্থা কর্তৃক ইস্যুকৃত উৎস দেশ সংক্রান্ত সনদপত্র (সার্টিফিকেট অব অরিজিন) শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিলকরণ;

 

(খ)  আমদানিকৃত চাউল, গম, অন্যান্য খাদ্যশস্য এবং খাদ্যদ্রব্যের মান ও গুণাগুণ মানুষের খাওয়ার উপযোগী এবং সর্বপ্রকার ক্ষতিকারক জীবাণুমুক্ত মর্মে রপ্তানিকারক দেশের সরকারি বা অনুমোদিত সংস্থা কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষ ও সংগনিরোধ কর্মকর্তার (Quarantine Officer) নিকট প্রদান;

      

(গ)  সার্কভুক্ত দেশসমূহ হইতে দ্রুত পঁচনশীল খাদ্য সামগ্রী যথা- তাজা ফলমূল, মাছ, শাকসবজি ইত্যাদি আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশের সরকার বা সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত তেজস্ক্রিয়তা সংক্রান্ত সনদ দাখিল করা; এবং

 

(ঘ)   পঁচনশীল খাদ্যসামগ্রী হিসাবে বিদেশ হইতে হিমায়িত মাংস ও সামুদ্রিক খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দিষ্ট ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে আমদানিকারকের জিম্মায় তাহার ওয়্যারহাউজে সাময়িকভাবে রাখা যাইবে।

(১৭) দুগ্ধজাত খাদ্য (মিল্ক ফুড) নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে এইচ এস হেডিং নম্বর ০৪.০২ বা ১৯.০১ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোডে উল্লি­খিত দুগ্ধজাত খাদ্য, ননীযুক্ত শিশু খাদ্যসহ সকল প্রকার দুগ্ধজাত খাদ্য সামগ্রী আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  দুগ্ধজাত শিশুখাদ্য খুচরা মোড়কে ২.৫ কেজি পর্যন্ত কেবল টিনসহ বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা  Bag in Box এ আমদানি করিতে হইবে;

 

(খ)  ননীযুক্ত দুগ্ধজাত খাদ্য খুচরা মোড়কে ২.৫ কেজি পর্যন্ত  টিন বা Bag in Box পাত্রে আমদানি করিতে হইবে;

 

(গ)  বিনিয়োগ বোর্ড বা বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন বা পরিচালক জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান (আইপিএইচএন) কর্তৃক স্বীকৃত প্যাকিং বা ক্যানিং সেক্টরের স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্থানীয়ভাবে মোড়কজাতকরণের (খুচরা) উদ্দেশ্যে বৃহৎ বায়ুরুদ্ধ (Hermetic Container) মোড়কে ননীযুক্ত দুগ্ধজাত খাদ্য ও শিশুখাদ্য আমদানি করিতে হইবে;

 

(ঘ)   আমদানিকৃত ননীযুক্ত দুগ্ধজাত খাদ্য ও শিশু খাদ্য টিন বা বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা Bag in Box-এর উপর দৃশ্যমান স্থানে ‘‘মায়ের দুধের বিকল্প নাই’’ কথাটি বাংলায় সুস্পষ্টভাবে ও অপেক্ষাকৃত বড় হরফে লিখিত থাকিতে হইবে;

 

(ঙ)  মিল্ক ফুডের টিন বা বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা Bag in Box এর উপর দুধের উপাদান এবং বিভিন্ন উপকরণের আনুপাতিক হার বাংলায় লিখিত থাকিতে হইবে;

 

(চ)   প্রতিটি টিনসহ বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা  Bag in Box এর গায়ে মিল্ক ফুড প্রস্ত্ততের তারিখ ও মানুষের খাদ্য হিসাবে ব্যবহারের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ বাংলা বা ইংরেজীতে সুস্পষ্টভাবে এমবুস অথবা অমোচনীয় কালি দ্বারা কম্পিউটারাইজড প্রিন্টিং করা থাকিতে হইবে;

 

(ছ)   প্রতিটি টিনসহ বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা Bag in Box এর গায়ে মিল্ক ফুড এর প্রকৃত ওজন (নেট ওয়েট) বাংলা বা ইংরেজীতে লিখিত থাকিতে হইবে; এবং দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত শিশুখাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে পরিচালক জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান (IPHN) কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশন নম্বর স্পষ্ট অক্ষরে প্রতিটি টিন/ টিনসহ বায়ুরুদ্ধ মোড়ক/ Bag in Box এর গায়ে উল্লেখ থাকিতে হইবে;

 

(জ)  দফা (ঘ), (ঙ), (চ) এবং (ছ) এ বর্ণিত শর্তাবলী টিনসহ বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা Bag in Box এর গায়ে এমবুস করা থাকিতে হইবে এবং উহা কোনক্রমেই পৃথকভাবে লেবেল ছাপাইয়া টিনসহ বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা Bag in Box এর গায়ে লাগানো যাইবে না; এবং

 

(ঝ)  শিশু খাদ্যের অর্থাৎ যাহাতে ১৯% পর্যন্ত ফ্যাট জাতীয় দ্রব্য থাকে সেই ক্ষেত্রে প্রতিটি টিনসহ বায়ুরুদ্ধ মোড়ক বা Bag in Box এর মধ্যে মাপিবার চামচও সরবরাহ করিতে হইবে।

 

(১৮) ননীবিহীন গুঁড়াদুধ নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

 

(ক)  বস্তায় অথবা টিনের সীলযুক্ত প্যাকিংয়ে;

 

(খ)  রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত বিশ্লে­ষণ সনদ পেশকরণ এবং উক্ত সনদে এই মর্মে একটি ঘোষণা বিবৃত থাকিতে হইবে যে, আমদানিকৃত গুঁড়া দুধ মানুষের খাওয়ার জন্য যোগ্য;

 

(গ)  বস্তা বা টিন বা পাত্রের উপর দুধ তৈয়ারীর তারিখ ও মানুষের খাওয়ার উপযোগিতার মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ লিপিবদ্ধ করিতে হইবে;

 

(ঘ)   দুগ্ধজাত খাদ্য ও গুঁড়া দুধ আমদানির ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নির্ধারণের জন্য প্রাক- জাহাজীকরণ পরীক্ষণ (প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন) এবং তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সীমার মধ্যে থাকিলেই কেবল উহা জাহাজজাত করা যাইবে এবং এতদসংক্রান্ত পরীক্ষণ রিপোর্ট শিপিং ডকুমেন্ট হিসাবে অন্যান্য কাগজপত্রের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে; এবং

 

(ঙ)  আমদানিকৃত দুগ্ধজাত খাদ্য ও গুঁড়াদুধ দেশে পৌঁছিবার পর ছাড় করিবার পূর্বে দ্বিতীয়বার তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরীক্ষা করা হইবে এবং তাহা গ্রহণযোগ্য ও অনুমোদিত সীমার মধ্যে পাওয়া গেলেই শুধু ছাড় করিতে দেওয়া হইবে; আমদানিকৃত দুগ্ধজাত খাদ্য ও গুঁড়া দুধ দেশে পৌঁছিবার পর ইহার তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই আদেশে বর্ণিত পদ্ধতি যথারীতি প্রযোজ্য হইবে।

 

 

(১৯) সকল প্রকার খাদ্য ও পানীয় আমদানির ক্ষেত্রে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ প্রতিটি পাত্র বা কন্টেইনার বা মোড়কের গায়ে সুস্পষ্টভাবে এমবুস থাকিতে হইবে এবং পৃথকভাবে লেবেল ছাপাইয়া তাহা মোড়ক বা পাত্র বা কন্টেইনারের গায়ে লাগানো যাইবে না:

 

তবে শর্ত থাকে যে, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য কোন ক্রমেই আমদানি করা যাইবে না।

 

(২০) মদ্য জাতীয় পানীয় আমদানির ক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ উল্লেখ করিবার প্রয়োজন নাই।

 

(২১) সংরক্ষিত খাদ্যে preservative, additive এবং রং ব্যবহার করিলে উহার মাত্রা ও বিবরণ উল্লেখ থাকিতে হইবে এবং পৃথকভাবে লেবেল লাগানো যাইবে না; এইরূপ ক্ষেত্রে এমবুস করিতে হইবে।

 

(২২) খাদ্য ও পানীয় প্রস্ত্ততে ব্যবহার্য কাঁচামালসমূহের মধ্যে যেইগুলি নির্দিষ্ট মেয়াদান্তে ব্যবহার অনুপযোগী হইয়া পড়ে সেই সকল পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ পাত্র বা কন্টেইনার বা মোড়কের গায়ে লিখিত বা মুদ্রিত থাকিতে হইবে।

 

(২৩) আমদানিকৃত সকল খাদ্যদ্রব্য (সরাসরি খাওয়া/পান করা যায় বা প্রক্রিয়াকরণের পরে খাদ্য বা পানীয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়) আমদানির ক্ষেত্রে উৎস নির্বিশেষে এইরূপ খাদ্যদ্রব্য ক্ষেত্র অনুসারে কোন বয়সের মানুষের খাওয়ার উপযোগী তাহা উল্লেখসহ ‘‘মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়’’, ‘‘ক্ষতিকর কোন দ্রব্য মিশ্রিত নাই’’ এবং ‘‘সর্বপ্রকার জীবানুমুক্ত’’ মর্মে রপ্তানিকারক দেশের সরকার বা সরকার অনুমোদিত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র শিপিং ডকুমেন্টের সহিত অবশ্যই সংযোজন করিতে হইবে।

 

(২৪) বাংলাদেশে খাদ্যদ্রব্য আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারক উক্ত খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে অনুচ্ছেদ ২৬ এর উপ-অনুচ্ছেদ (২৮) এ প্রদত্ত অন্তর্ভুক্ত খাদ্যদ্রব্যেও প্রয়োজনীয় সকল তথ্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সষ্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর নির্ধারিত ফরমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সষ্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর নিকট এবং অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) এর নিকট সরবরাহ করিবেন।

 

(২৫) খাদ্যদ্রব্য বাংলাদেশে পৌঁছিলে শুল্ক কর্তৃপক্ষ উক্ত খাদ্যদ্রব্য ছাড় করিবার পূর্বে খাদ্যদ্রব্যের নমুনা বিএসটিআই বা বিসিএসআইআর এর নিকট সরবরাহ করিবেন এবং বিএসটিআই বা বিসিএসআইআর এর পরীক্ষায় খাদ্যদ্রব্য মান সম্পন্ন না হইলে শুল্ক কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

 

(২৬) বিএসটিআই নির্ধারিত খাদ্যমানের চাইতে নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য আমদানি হইলে তাহা আমদানিকারকের নিজ খরচে রপ্তানি উৎস দেশে বা তৃতীয় কোন দেশে ফেরৎ পাঠাইতে হইবে এবং খাদ্যদ্রব্য আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্রে উক্তরূপ শর্ত সংযোজন করিতে হইবে।

 

 

(২৭) সরকারি ত্রাণসামগ্রী হিসাবে খাদ্যদ্রব্য আমদানি করা হইলে খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত ল্যাবটেস্ট পরীক্ষায় মানুষের খাওয়ার উপযোগি প্রাপ্তি সাপেক্ষে খালাস করা যাইবে এবং এইক্ষেত্রে এই আদেশের অনুচ্ছেদ ১৬(৩)(ঙ) এর শর্ত শিথিলযোগ্য হইবে।

 

(২৮) মানুষের খাদ্য হিসাবে জিএমও (GMO-Genetically Modified Organism), এলএমও (LMO-Living Modified Organism) আমদানির ক্ষেত্রে Bangladesh Biosafety Guidelines অনুসরণ করিতে হইবে।

 

১৭।  মৎস্য খাদ্য, হাঁস-মুরগীর খাদ্য ও পশুর খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অতিরিক্ত শর্তাদি।- (১) মৎস্য খাদ্য, হাঁস-মুরগীর খাদ্য ও পশুর খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক  প্রদত্ত তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষণ সম্পর্কিত প্রতিবেদন এবং উক্ত খাদ্যদ্রব্য মৎস্য বা হাঁস-মুরগী বা পশুর খাওয়ার উপযোগী মর্মে প্রত্যয়নপত্র শিপিং ডকুমেন্টস এর সাথে বাধ্যতামূলকভাবে থাকিতে হইবে এবং উক্ত প্রতিবেদনে তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষায় আমদানিতব্য দ্রব্যে জাহাজীকরণ অবস্থায় প্রতি কিলোগ্রামে সিজিয়াম-১৩৭ এর মাত্রা কি পরিমাণ পাওয়া গিয়াছে তাহা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকিতে হইবে।

 

(২)   (ক)  আমদানিকৃত মৎস্য খাদ্য ক্লোরোমফেনিকল ও নাইট্রেফিউরানসহ ক্ষতিকর ঔষধ, হরমোন ও                   স্টেরয়েড মুক্ত থাকিতে হইবে;

 

(খ)  হাঁস-মুরগী ও পশুর খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্যাকেট এর গায়ে উপাদানসমূহ উল্লেখ থাকিতে হইবে এবং উক্ত খাদ্য ক্লোরামফেনিকল, নাইট্রোফুরান ও এন্টিবায়োটিক এবং মেলামাইন মুক্ত বলে উল্লেখ থাকিতে হইবে ও Geneticaliy Modified Organism নাই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সনদপত্র দাখিল করিতে হইবে; এই সকল খাদ্য বন্দরে পৌঁছার সাথে সাথে সরকার অনুমোদিত পরীক্ষাগারে ক্লোরামফেনিকল, নাইট্রোফুরান ও এন্টিবায়োটিক পরীক্ষা করাইতে হইবে;

 

(গ)  সকল প্রকার মৎস্য, হাঁস-মুরগী ও পশুর খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে অবশ্যই উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকিতে হইবে।

 

 

 

(৩)  উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লিখিত প্রতিবেদন অনুযায়ী আমদানিতব্য দ্রব্যের তেজস্ক্রিয়তা গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে থাকিলেই শুধু তাহা ছাড় করা যাইবে, অন্যথায় সরবরাহকারী নিজ ব্যয়ে সংশ্লিষ্ট চালান ফেরত নিতে বাধ্য থাকিবে।

 

(৪)   প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতিক্রমে Meat ও Bone Meal আমদানি করা যাইবে এবং উহা আমদানির ক্ষেত্রে উৎস ও প্রাণীর নাম উল্লেখ করিতে হইবেঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, শুকরের Meat ও Bone Meal আমদানি করা যাইবে না এবং আমদানিকারককে রপ্তানিকারী দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হইতে নিম্নলিখিত প্রত্যয়নপত্র পণ্য খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে, যথা:-

 

 

(ক)         আমদানিকৃত পণ্যটি ক্ষতিকারক এন্টিবায়োটিকসহ ক্লোরামফেনিকল ও  নাইট্রোফিউরানমুক্ত;

 

               (খ) আমদানিকৃত পণ্যটি শুকরের উপজাত (By Product) মুক্ত;

 

(গ) আমদানিকৃত পণ্যটি ক্ষতিকারক ক্রোমিয়ামমুক্ত টেনারি উপজাত ও মেলামাইনমুক্ত হইতে হইবে;

 

       (অ)  প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতিক্রমে Fish Meal এবং Protein Concentrante আমদানি করা যাইবে এবং উহা আমদানির ক্ষেত্রে  উৎস্য ও প্রাণির নাম উল্লেখ করিতে হইবে; আমদানিকারককে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হতে নিম্নলিখিত প্রত্যায়ন পত্র পণ্য খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে যথা:

 

(ক) আমদানিকৃত পণ্যটি ক্ষতিকারক এন্টিবায়োটিকসহ ক্লোরামফেনিকল ও নাইট্রোফুরানমুক্ত;

                     (খ) আমদানিকৃত পণ্যটি ক্ষতিকারক ক্রোমিয়াম, টেনারি উপজাত ও মেলামাইন মুক্ত।

 

 

(৫)   অন্যান্য প্রাণীর উৎস হইতে উৎপাদিত Meat ও Bone Meal আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশ Bovine Spongiform Encephalopathy (BSE), Transmissible Spongiform Encephalopathy (TSE), এ্যানথ্রাক্স ও টিবিমুক্ত এই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সনদপত্র থাকিতে হইবে।

 

 

(৬)  পোল্ট্রি ও পোল্ট্রিজাত শিল্পে ব্যবহারের নিমিত্তে ভ্যাকসিন ও ডায়াগনষ্টিক রিএজেন্ট/ ডায়াগনষ্টিক কীট মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতিক্রমে আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৭)  হাঁস-মুরগী ও পাখি আমদানির ক্ষেত্রে Avian Influenza মুক্ত মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সনদপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

 

(৮)  মৎস্য বা হাঁস-মুরগী বা পশুখাদ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার সময় এই অনুচ্ছেদে উল্লিখিত শর্তগুলি ঋণপত্রে উল্লেখ করিতে হইবে।

 

(৯)   মৎস্য বা হাঁস-মুরগী বা পশুর খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বন্দরে পৌঁছার পর তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পুনরায় পরীক্ষা করার প্রয়োজন হইবে না।

 

(১০) টিন জাতীয় মোড়কে আমদানিকৃত মাছের ক্ষেত্রে (Canned Fish) মোড়কের গায়ে পণ্য প্রস্ত্তত ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ এবং প্রকৃত ওজন (নেট ওয়েট) বাংলা বা ইংরেজিতে সুস্পষ্টভাবে এমবুস অথবা অমোচনীয় কালি দ্বারা কম্পিউটারাইজড প্রিন্টিং করা থাকিতে হইবে এবং পৃথকভাবে লেবেল ছাপাইয়া মোড়কের গায়ে লাগানো যাইবে না।

 

 

(১১) মাছ আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক দেশের সরকার বা সরকার কর্তৃক স্বীকৃত সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক মাছে ফরমালিন নাই মর্মে সনদপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

(১২) আমদানিকৃত মাছে ফরমালিন ব্যবহার করা হইয়াছে কিনা তাহা সরকার স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাংলাদেশের প্রবেশ বন্দরে (Port of Entry) পরীক্ষা করাইতে হইবে এবং ফরমালিন নাই মর্মে প্রত্যয়ন সাপেক্ষে খালাসযোগ্য হইবে।

 

(১৩) গরু, ছাগল ও মুরগীর মাংস ও মানুষের খাওয়ার উপযোগী অন্যান্য পশুর মাংস আমদানির ক্ষেত্রে মোড়কের গায়ে রপ্তানিকারক দেশের মাংস উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এমবুস বা প্রিন্টেড থাকিতে হইবে এবং উহাতে সংরক্ষণের পদ্ধতি উল্লেখ করিতে হইবে এবং পৃথকভাবে লেবেল ছাপাইয়া মোড়কের গায়ে লাগানো যাইবে না। 

 

(১৪) আমদানিকৃত পণ্য Bovine Spongiform Encephalopathy (BSE) এবং Avian influenza মুক্ত মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সনদপত্র থাকিতে হইবে।

 

(১৫) ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ হইতে মাংস আমদানির ক্ষেত্রে ‘‘ম্যাড কাউ ডিজিজ মুক্ত’’ মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হইতে প্রত্যয়নপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

 

(১৬) আমেরিকা ও ইউরোপসহ অন্যান্য দেশ হইতে বোনমিল, মিটমিল ও মিট এন্ড বোনমিলের দ্বারা প্রস্ত্ততকৃত প্রোটিন কনসেনট্রেট আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশের ভেটেরিনারী কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে ‘‘উৎপাদিত পণ্য কোনভাবেই Transmissible Spongiform Encephalopathy দ্বারা সংক্রমিত নহে’’ মর্মে প্রত্যয়নপত্র এবং আমদানিকারককে রপ্তানিকারী দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হইতে নিম্নলিখিত প্রত্যয়নপত্র শিপিং ডকুমেন্টস এর সাথে অবশ্যই দাখিল করিতে হইবে, যথা:-

 

(ক)  আমদানিকৃত পণ্যটি ক্ষতিকারক এন্টিবায়োটিক ক্লোরামফেনিকল ও নাইট্রেফিউরান মুক্ত;

(খ)  আমদানিকৃত পণ্যটি শুকরের উপজাত (By Product) মুক্ত;

(গ)  আমদানিকৃত পণ্যটি ক্ষতিকারক ক্রোমিয়াম, টেনারি উপজাত ও ম্যালামাইনমুক্ত; এবং

       (ঘ)   আমদানিকৃত পণ্যটি এ্যানথ্রাক্স ও টিবিমুক্ত।

 

১৮। শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আটককৃত মালামাল খালাস।- (১) শুল্ক কর্তৃপক্ষ আমদানিকৃত কোন পণ্যের চালান আটক করিলে, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক চালানটি খালাসের জন্য শুল্ক কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রয়োজনীয় নির্দেশদানের অনুরোধ জানাইয়া প্রধান নিয়ন্ত্রকের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন; তবে শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লিখিতভাবে আপত্তি জানাইবার ৯০ (নববই) দিনের মধ্যে এইরূপ আবেদনপত্র প্রধান নিয়ন্ত্রকের নিকট দাখিল করিতে হইবে এবং বিশেষ কোন কারণ না থাকিলে উক্ত সময়সীমার পরে দাখিলকৃত কোন আবেদনপত্র বিবেচনা করা হইবে না।

 

 

(২)   উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লি­খিত আবেদনপত্রের সহিত শুল্ক কর্তৃপক্ষের লিখিত অথবা চালানটি আটক করার কারণ সম্বলিত আটক মেমো দাখিল করিতে হইবে।

 

(৩)  প্রধান নিয়ন্ত্রক উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লি­খিত কেসসমূহ আনুষংগিক সকল বিষয়াদি যথাযথ বিচার-বিবেচনা করিয়া নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকাভুক্ত পণ্য এবং অন্যান্য অনুচ্ছেদে যে সকল পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রিত করা হইয়াছে সেই সকল পণ্য ছাড় করার জন্য আইপি বা সিপি জারি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশের বিধান মোতাবেক দ্রুত নিষ্পত্তি করিবেন।

 

(৪)   আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্য এবং অন্যান্য অনুচ্ছেদে যে সকল পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রিত করা হইয়াছে সেই সকল পণ্যের ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ন্ত্রক মতামতসহ আমদানি নীতির বিধান শিথিল করিবার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করিবেন।

 

১৯। রিভিউ, আপীল এবং রিভিশনের উদ্দেশ্যে গৃহীত ক্ষেত্রসমূহে আমদানি সুবিধার দাবী।- কোন পণ্য সংশ্লিষ্ট সময়ে আমদানিযোগ্য না হইলে উহা Review, Appeal and Revision Order, 1977 এর অধীন গৃহীত ক্ষেত্রসমূহে উক্ত পণ্য আমদানির কোন দাবী গ্রাহ্য হইবে না।

 

 

২০। আদেশ লংঘনক্রমে আমদানি।- এই আদেশের কোন বিধান অথবা উহার অধীন প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্তৃক জারিকৃত কোন প্রজ্ঞাপন লংঘন করিয়া কোন পণ্য আমদানি করা হইলে উহা আইনের বিধানাবলী লংঘনক্রমে করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

 

 

২১।  আদেশ সংশোধন অথবা পরিবর্তন।- সরকার, প্রয়োজনবোধে, যে কোন সময় এই আদেশের যে কোন বিধান সংশোধন, পরিবর্তন অথবা শিথিল করিতে পারিবে।

 

২২। রপ্তানি সম্পর্কিত বিধানাবলীর প্রযোজ্যতা।- এই আদেশে রপ্তানি সম্পর্কিত যে সকল বিধান রহিয়াছে তাহা রপ্তানির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।

 

সূচীপত্র

 

পঞ্চম অধ্যায়

শিল্প খাতে আমদানির সাধারণ বিধানাবলী

 

২৩।  শিল্প খাতে আমদানির সাধারণ নিয়মাবলী।- এই আদেশে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে-

(ক)  যে সকল পণ্যের বাণিজ্যিক আমদানি নিষিদ্ধ এবং যাহাদের আমদানি, একমাত্র শিল্প খাতের জন্য বৈধ, সেই সকল পণ্য নিয়মিত ভিত্তিতে অনুমোদিত শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিয়মিত স্বত্ব অনুসারে আমদানি স্বত্বের সর্বাধিক ৩ (তিন) গুণ পর্যন্ত আমদানি করা যাইবে;

 

(খ)  এডহক ভিত্তিতে অনুমোদিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক শর্তযুক্ত পণ্য পোষক কর্তৃক সুপারিশকৃত যান্মাসিক আমদানি স্বত্বের সর্বোচ্চ দ্বিগুণ মূল্যসীমা পর্যন্ত আমদানি করা যাইবে;

 

(গ)  প্রথম এডহক শেয়ার গ্রহণ করার পর সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তাহাদের আমদানির স্বত্ব নিয়মিতকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট পোষক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে আবেদন করিতে হইবে;

 

(ঘ)   প্রথম এডহক শেয়ারের ন্যূনতম ৭০% ব্যবহার করা হইলে পোষক কর্তৃপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের আমদানি স্বত্ব এবং আই, আর, সি নিয়মিত করা হইবে; অন্যথায় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় এডহক শেয়ারের জন্য ছাড়পত্র প্রদান করা হইবে ;

 

(ঙ)  আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পোষকের সুপারিশের ভিত্তিতে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় এডহক শেয়ার প্রদানের বা আমদানি স্বত্ব নিয়মিতকরণের জন্য ছাড়পত্র জারি না করা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের এডহক আই, আর, সি নবায়ন করা যাইবে না;

 

(চ)   কোন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে প্রথম এডহক শেয়ার ব্যবহারের পর তাহাদের আমদানির স্বত্ব নিয়মিতকরণের পরিবর্তে পোষক কর্তৃপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে দ্বিতীয় বা তৃতীয় এডহক শেয়ারের জন্য অনুমতি প্রদান করা হইলে সেই শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বিতীয় বা তৃতীয় এডহক শেয়ার ব্যবহারের পর তাহাদের আমদানি স্বত্ব নিয়মিতকরণের জন্য পুনরায় পোষক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করিবে এবং পোষক কর্তৃপক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী তাহাদের এডহক আমদানি স্বত্ব ও এডহক শিল্প আই, আর, সি নিয়মিত করা হইবে;

 

(ছ)   যে সকল শিল্প খাতের জন্য একাধিক শিফটে উৎপাদন ক্ষমতার ভিত্তিতে আমদানি স্বত্ব নির্ধারণ করা হইয়াছে সেই সকল খাতের অন্তর্ভুক্ত কোন শিল্প প্রতিষ্ঠানের আমদানি স্বত্বে শর্তযুক্ত কোন কাঁচামাল বা মোড়ক সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত থাকিলে তাহা নিয়মিত ভিত্তিতে অনুমোদিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বার্ষিক আমদানি স্বত্বের ১০০% এবং এডহক ভিত্তিতে অনুমোদিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ষান্মাষিক আমদানি স্বত্বের ১০০% এর বেশী আমদানি করা যাইবে না;

 

(জ)  সরকারি খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক শর্তযুক্ত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লি­ষ্ট পণ্যের মোট বার্ষিক প্রয়োজন অর্থ বৎসরের প্রারম্ভে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হইতে অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে;

 

(ঝ)  নিয়মিত শিল্প আই, আর, সি এর বিপরীতে যে সকল ক্ষেত্রে শিল্পের কাঁচামাল বা মোড়কসামগ্রী বা যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে অগ্রীম আয়কর প্রদান হইতে রেয়াতসহ বিশেষ আর্থিক সুবিধাদি প্রদত্ত হইয়াছে সেই সকল ক্ষেত্রে সংশ্লি­ষ্ট পণ্যাদি অবাধে আমদানিযোগ্য হইলেও উহা আমদানি স্বত্বের সর্বোচ্চ ৩ (তিন) গুণের অধিক হইবে না;

 

(ঞ) শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের অনুকূলে আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তর হইতে যে আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র (আই,আর,সি) ইস্যু করা হইবে উহাতে মোট অনুমোদিত আমদানি স্বত্বের পরিমাণ (টাকার অংকে ও কথায়) সুস্পষ্টভাবে উল্লি­খিত থাকিবে এবং আই,আর,সি জারির সময় আমদানি ও রপ্তানির সংশ্লি­ষ্ট আঞ্চলিক দপ্তর পোষক কর্তৃক সুপারিশকৃত এনটাইটেলমেন্ট পেপারের একটি কপিতে প্রতিস্বাক্ষরপূর্বক শিল্প প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করিবে;

 

(ট)   এন্টাইটেলমেন্ট পেপারের পৃষ্ঠাংকনের একটি কপি সংশ্লিষ্ট পোষক কর্তৃপক্ষকে প্রদান করিতে হইবে;

 

(ঠ)   এই অনুচ্ছেদের দফা (খ) ও (ছ) এ উল্লি­খিত বিধানাবলী ঔষধ শিল্প ও বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পদ্ধতিতে পরিচালিত রপ্তানিমুখী পোষাক, হোসিয়ারী ও স্পেশালাইজ্ড্ টেক্সটাইল শিল্পের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না; তবে উহাদের ক্ষেত্রে যথাক্রমে অনুচ্ছেদ ২৪ এর উপ-অনুচ্ছেদ (৬) এবং (৯) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে;

 

 

(ড)  নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি- এই অনুচ্ছেদের দফা (খ) ও (ছ) এর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যে সকল নিয়মিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোন সরকারি বরাদ্দ ঘোষিত হয় নাই সেই সকল নিয়মিত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহাদের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, মোড়ক সামগ্রী এবং যন্ত্রাংশ (নিয়ন্ত্রিত তালিকাভুক্ত পণ্য বা বিভিন্ন অনুচ্ছেদে আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্যসমূহ ব্যতীত) নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় কোন নির্দিষ্ট সীমা ছাড়াই অবাধে আমদানি করিতে পারিবে; এবং

 

 

(ঢ)   কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত হইলে সেই শিল্পের শিল্প নিবন্ধন সনদ (আই,আর,সি) বিলুপ্তির ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে হস্তান্তর করিতে হইবে ।

 

২৪।  শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্যাদি আমদানির জন্য নির্ধারিত শর্তাবলী।- (১) বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী হোটেলসমূহ এইচ এস হেডিং নম্বর ২২.০৩, ২২.০৬ ও ২২.০৮ ও উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর এবং এইচ এস হেডিং নম্বর ১৬.০১ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য এইচ এস কোড নম্বর ১৬০১.০০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য শুকরের মাংসের সসেজসহ আমদানিযোগ্য পণ্যসমূহ, বৈদেশিক মুদ্রায় ক্রয় করিয়া আমদানি করিতে পারিবে।

 

(২)   উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লি­খিত পণ্যসমূহ বিদেশ হইতে আমদানির পরিবর্তে প্রচলিত হারে শুল্ক ও কর প্রদান সাপেক্ষে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী হোটেলসমূহ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের শুল্কমুক্ত বিপণী হইতেও ক্রয় করিতে পারিবে।

 

(৩)  উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লি­খিত আমদানি (স্থানীয়ভাবে ক্রয়কৃত পণ্যসহ) এর জন্য সংশ্লিষ্ট হোটেলগুলিকে নিম্নবর্ণিত শর্ত পূরণ করিতে হইবে, যথা:-

 

(ক)  শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য পণ্যগুলির আমদানি সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃক বিগত বৎসরে অর্জিত মোট বৈদেশিক মুদ্রার শতকরা বিশ ভাগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকিবে;

 

(খ)  মোট অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ শতকরা সাড়ে সাত ভাগের মধ্যে এ্যালকোহলিক বেভারেজ ও যন্ত্রাংশ আমদানি সীমাবদ্ধ থাকিবে এবং অবশিষ্ট শতকরা সাড়ে বারো ভাগ অন্যান্য শর্তাধীনে আমদানিযোগ্য পণ্য আমদানির জন্য ব্যবহার করা যাইবে;

 

(গ)  দফা (ক) তে বর্ণিত শর্ত অনুসারে শর্তাধীনে আমদানিযোগ্য পণ্যসমূহের মোট আমদানির মূল্য অর্জিত মোট বৈদেশিক মুদ্রার শতকরা বিশ ভাগের বেশী হইতে পারিবে না;

 

(ঘ)   সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃক অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়কারী ব্যাংক রেকর্ড করিবে এবং শর্তাধীনে আমদানিযোগ্য পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার সময় মনোনীত ব্যাংক হোটেল কর্তৃক ব্যবহৃত মুদ্রার হিসাব রেকর্ড করিবে;

 

(ঙ)  শর্তাধীনে আমদানিযোগ্য পণ্য আমদানির জন্য এল, সি, এ ফরম দাখিলের এবং ঋণপত্র খোলার পূর্বে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী হোটেলসমূহ সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে উহাদের আই, আর, সি-তে প্রয়োজনীয় এনডোর্সমেন্ট করাইয়া নিবে।

 

 

(৪)   বিয়ার ও সকল প্রকার মদ এইচ.এস. হেডিং নম্বর ২২.০৩ হইতে ২২.০৬ এবং উহাদের বিপরীতে সকল এইচ.এস. কোড কেবল বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী হোটেল কর্তৃক উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লিখিত বিধান সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে ও প্রধান নিয়ন্ত্রক আমদানি ও রপ্তানি এর পূর্বানুমতির ভিত্তিতে অনুরূপ পানীয় নির্দিষ্ট শর্তাধীনে আমদানি করা যাইতে পারে; তবে, বিয়ার ও মদ জাতীয় পানীয় আমদানির জন্য সকল ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক কর্তৃক প্রথমে মহা-পরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর হইতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র অবশ্যই গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(৫)   এম,এস,শীট ও প্লেট (হট রোল্ড), জিপি শীট, বিপি শীট, স্টেইনলেস ষ্টীল, সিআরসিএ শীট, টিন প্লেট, এমএস শীট ও সিলিকন শীট-

 

(ক)  স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য এম, এস শীট, ষ্টেইনলেস ষ্টীল শীট, সিআরসিএ শীট, সিলিকন শীট, বিপি শীট বা টিন প্লেট (মিস প্রিন্ট) এর আমদানি স্বত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকিলে সেকেন্ডারী কোয়ালিটির এই সকল দ্রব্যও আমদানি করা যাইবে এবং এই সকল পণ্যের প্রাইম কোয়ালিটি ও সেকেন্ডারী কোয়ালিটি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমদানিযোগ্য হইবে; আমদানিকৃত চালানভিত্তিক প্রতিটি সেকেন্ডারী কোয়ালিটি পণ্য বিএসটিআই কর্তৃক নির্ধারিত বাংলাদেশের মান অনুযায়ী পরীক্ষা করা হইবে; কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেকেন্ডারী কোয়ালিটির কোন পণ্যই প্রাইম কোয়ালিটি পণ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হইবে না; এবং

 

(খ) কোন প্রকার মূল্যসীমা, সাইজ, গেজ বা জিংক প্রলেপের পরিমাণের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই জি পি শীট বা কোয়ালিটির জি পি শীট বাণিজ্যিক আমদানিকারক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবাধে আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৬)  ঔষধ শিল্পের কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী-

 

(ক)  সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত ঔষধ প্রস্ত্ততকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উহাদের বার্ষিক উৎপাদন কর্মসূচীর ভিত্তিতে মহাপরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর হইতে কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রীর বিবরণ, মূল্য ও পরিমাণ সম্বলিত তালিকার (ব্লকলিষ্ট) অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে;

 

(খ) ঔষধ শিল্পে আমদানির ক্ষেত্রে ব্লকলিষ্ট ব্যবহৃত হইবে এবং ব্লকলিষ্টে বর্ণিত শর্তযুক্ত তালিকাভুক্ত বা শর্তযুক্ত তালিকা বহির্ভূত কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী সংশ্লি­ষ্ট ব্লকলিষ্টে উল্লিখিত মূল্য ও পরিমাণ অনুসারে যথারীতি আমদানি করা যাইবে; উক্ত ব্লকলিষ্ট বহির্ভূত কোন পণ্য অবাধে আমদানিযোগ্য হইলেও সংশ্লি­ষ্ট ঔষধ শিল্প কর্তৃক উহা আমদানি করা যাইবে না;

 

(গ) ঔষধ শিল্পের যে সকল কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী আমদানির ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদনের অতিরিক্ত কোন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণের শর্ত এই আদেশে উল্লেখ রহিয়াছে ঐ সকল কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লি­ষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং অনুমোদিত ব্লকলিষ্টের অনুলিপি যথারীতি মহাপরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট এবং প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে সরবরাহ করিতে হইবে; এবং

 

(ঘ)   আমদানিকৃত কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী আমদানি সংক্রান্ত ইনভয়েস ও কাঁচামালের বিশ্লেষণ প্রতিবেদন মহাপরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র অথবা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শন এজেন্ট (Pre-shipment Inspection Agent)এর নিকট হইতে প্রতিটি পণ্যের পরিমাণ, মূল্য ও গুণাগুণ সম্পর্কে প্রদত্ত সনদপত্রের ভিত্তিতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ ছাড় প্রদান করিবে।

 

(৭)  আর বি ডি পাম স্টিয়ারিন এবং ট্যালো-

 

(ক)  সাবান শিল্পের অধীন স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে পোষকের সুনির্দিষ্ট সুপারিশের ভিত্তিতে কেবল উহাদের আমদানি-স্বত্ব অনুসারে আর বি ডি পাম স্টিয়ারিন এবং ট্যালো আমদানি করা যাইবে;

 

(খ) আর বি ডি পাম স্টিয়ারিন এবং ট্যালো আমদানির পর পোষক কর্তৃপক্ষকে উহার আমদানির পরিমাণ ও ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত করিতে হইবে; পূর্ববর্তী সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত পণ্যের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর পোষক কর্তৃপক্ষ পরবর্তী শেয়ার আমদানির অনুমতি প্রদান করিবে; এবং

 

(গ) আর বি ডি পাম স্টিয়ারিন এবং ট্যালো অর্থের উৎস নির্বিশেষে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমদানিযোগ্য হইবে না।

 

(৮)  এডহক আইডব্লিউটি অপারেটর, হাঁস-মুরগী ও গবাদি পশুর খামার (পোলট্রি এন্ড ডেইরী ফার্ম) এবং মাছ ধরা প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক পণ্যাদি আমদানি- শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্বীকৃত নহে এইরূপ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ অপারেটর, মাছ ধরা প্রতিষ্ঠান এবং হাঁস-মুরগী ও গবাদি পশুর খামার উহাদের প্রয়োজনমত আমদানিযোগ্য পণ্যসমূহ কাহারও সুপারিশ বা অনুমতি ব্যতিরেকে আমদানি করিতে পারিবে, তবে এইরূপ আমদানির জন্য এই আদেশের শর্তাদি ও নিয়মাবলী যথাযথভাবে পালন করিতে হইবে।

 

(৯)  রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পণ্যাদি আমদানি-

 

(ক) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার আলোকে নিশ্চয়কৃত ও অপ্রত্যাহারযোগ্য ঋণপত্রের ভিত্তিতে তৈয়ারী পোশাক রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস পদ্ধতির অধীন পরিচালিত স্বীকৃত তৈয়ারী পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) কর্তৃক জারিকৃত ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন (ইউডি) তে অনুমোদিত পরিমাণের কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী (নিষিদ্ধ ও শর্তযুক্ত তালিকাভুক্ত পণ্যসহ) আমদানি করিতে পারিবে, তবে গ্রে-কাপড় ছাড়া অন্যান্য কাপড় আমদানির ক্ষেত্রে কেবল ১৮.২৯ মিঃ বা তদূর্ধ্ব পরিমাণ নিয়মিত ও অবিচ্ছিন্ন থান কাপড় আমদানি করা যাইবে;

 

(খ)  দফা (ক) তে উল্লিখিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে টুকরা কাপড় বা যে কোন আকারের কাটা কাপড় আমদানি করিতে দেওয়া হইবে না এবং ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের অধীন স্টেপল পিন আমদানি করা যাইবে না;

 

 

(গ) গ্রে-কাপড় আমদানির ক্ষেত্রে উপ-অনুচ্ছেদ (২৯) এর দফা (ঘ) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে, তবে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের অধীনে চারশত গ্রামের ডুপ্লেক্স বোর্ড (গ্রে-ব্যাক) পাস বইতে এন্ট্রি করিয়া আমদানি করা যাইবে;

 

(ঘ)   কলার ও ব্যাক বোর্ড হিসাবে ব্যবহার্য স্বল্পতর পুরুত্বের (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো কর্তৃক ধার্যকৃত)   ডুপ্লেক্স বোর্ড পাস বইতে এন্ট্রি করিয়া ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা     যাইবে;

 

(ঙ) দফা (ক) তে উল্লিখিত শিল্প প্রতিষ্ঠান মনোনীত ব্যাংকে যথাযথভাবে পূরণকৃত এল,সি,এ ফরম দাখিল করিয়া ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী আমদানি করিতে পারিবে এবং এইরূপ ব্যবস্থায় ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে আমদানিকৃত কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী খালাস করিবার জন্য সংশ্লি­ষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে আই পি বা সি পি নিতে হইবে না;

 

(চ)   তৈয়ারী পোশাক শিল্পের অধীনে দফা (ক) তে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহকে রপ্তানি আদেশ     সম্পাদনের জন্য বিনামূল্যে (অন নো কষ্ট বেসিস) নিম্নবর্ণিত শর্তাবলী সাপেক্ষে কাঁচামাল    আমদানি করিতে দেওয়া হইবে, যথা:-

 

(অ)  প্রতিটি কেইস পৃথকভাবে কনসাইনমেন্ট ভিত্তিতে বাংলাদেশ গার্মেন্টস    ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) কর্তৃক    ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন (ইউডি) জারির বিপরীতে খালাস করা হইবে এবং উহার    জন্য বাংলাদেশ হইতে কোন বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করা যাইবে না;

 

(আ) তৈয়ারী সামগ্রী রপ্তানির ব্যাপারে প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শন (পিএসআই) সার্টিফিকেট চাওয়া হইলে তাহা ক্রেতার খরচে প্রস্ত্তত করতঃ রপ্তানি সম্পাদন করার সময় দাখিল করিতে হইবে; তবে এইরূপ ক্ষেত্রে রপ্তানির উদ্দেশ্যে তৈয়ারী পোশাক প্রত্যাখ্যান করা যাইবে না;

 

(ই)  তৈয়ারী পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের সম্পূর্ণ পরিমাণ বা অংক বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করিতে হইবে এবং মূল্য সংযোজনের ন্যূনতম হার নিম্নরূপ হইতে হইবে, যথা:-

 

 

টেবিল

ক্ষেত্র

মূল্য সংযোজনের ন্যূনতম হার

নীট পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে

শতকরা বিশ ভাগ

সকল নন-কোটা ক্যাটাগরীর ওভেন পোষাক রপ্তানির ক্ষেত্রে

শতকরা বিশ ভাগ

কোটা ক্যাটাগরীর প্রতি ডজন এফওবি চল্লি­শ মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের ওভেন পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে

শতকরা বিশ ভাগ

প্রতি ডজন এফওবি চল্লি­শ মার্কিন ডলারের অধিক মূল্যের কোটা ক্যাটাগরীর ওভেন পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে

শতকরা বিশ ভাগ

তবে কোনক্রমেই ডজন প্রতি মূল্য সংযোজন হার ১২ (বার) মার্কিন ডলারের কম হইবে না

অধিকতর উচ্চ মূল্যের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে

মূল্য সংযোজনের হার কোটা ও নন-কোটা অনুযায়ী শতকরা পনের এবং দশ ভাগ

তবে এইরূপ ক্ষেত্রে প্রতি ডজনের এফওবি মূল্য ৬০ (ষাট) মার্কিন ডলার বা তাহার অধিক হইতে হইবে

সকল প্রকার স্যুয়েটার রপ্তানির ক্ষেত্রে

শতকরা বিশ ভাগ

সকল প্রকার শিশু পোষাক রপ্তানির ক্ষেত্রে

শতকরা পনের ভাগ

 

 

(ঈ)  কনসাইনমেন্ট ভিত্তিতে আমদানিকৃত সামগ্রীর বর্ণনা, পরিমাণ ও মূল্য অবশ্যই ইনভয়েসে উল্লেখ করিতে হইবে, তবে আমদানিকৃত কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী ইন্টার বন্ড ট্রান্সফার এর মাধ্যমে হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা যাইবে এবং গ্রে কাপড়, নিট কাপড় ও সাদা কাপড় বিভিন্ন ডাইং এবং প্রিনিটং বা প্রসেসিং প্লান্টে স্থানান্তর করা যাইবে।

 

(১০) বন্ডেড ওয়্যার হাউজ পদ্ধতিতে পরিচালিত রপ্তানিমুখী তৈয়ারী পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক শুধু রোল বা থান আকারে নীটেড কাপড় আমদানি করিতে হইবে।

 

(১১) এই আদেশে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে, অভ্যন্তরীণ মূল্য সংযোজনের হার এবং ঐ সমস্ত পণ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানি ঋণপত্রের নীট এফ, ও, বি মূল্যের বিপরীতে কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী আমদানির জন্য রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্রজ্ঞাপিত সবের্বাচ্চ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র স্থাপন করা যাইবে।

 

(১২) নিশ্চয়কৃত ও অপ্রত্যাহারযোগ্য ঋণপত্রের ভিত্তিতে স্পেশালাইজড টেক্সটাইল পণ্যাদি রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পদ্ধতির অধীনে পরিচালিত স্বীকৃত স্পেশালাইজড টেক্সটাইল শিল্পসমূহ ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণে কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী (নিষিদ্ধ ও শর্তযুক্ত তালিকাভুক্ত পণ্যসহ) আমদানি করিতে পারিবে এবং ইহার জন্য প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হইবে না।

 

(১৩) নিশ্চয়কৃত ও অপ্রত্যাহারযোগ্য ঋণপত্রের ভিত্তিতে হোসিয়ারী ও নীটেড পোশাক দ্রব্যাদি রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পদ্ধতির অধীনে পরিচালিত স্বীকৃত রপ্তানিমুখী হোসিয়ারী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণের কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী (নিষিদ্ধ ও শর্তযুক্ত তালিকাভুক্ত পণ্যসহ) আমদানি করিতে পারিবে এবং ইহার জন্য প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হইবে না, তবে হোসিয়ারী ও নিটেড পোশাক দ্রব্যাদির জন্য অনুমোদিত পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে সুতা আমদানির ক্ষেত্রে সুতা এবং নীটেড ফ্যাব্রিক্স আমদানির ক্ষেত্রে নীটেড ফ্যাব্রিক্স থান বা রোল আকারে আমদানির অনুমতি দেওয়া হইবে।

 

 

(১৪) টুকরা আকারে কোন কাপড় এবং থান বা রোল আকার ব্যতীত নীটেড ফ্যাব্রিক্স আমদানির অনুমতি দেওয়া হইবে না; স্যুয়েটার খাতের অনুমোদিত পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্যুয়েটার, জাম্পার, পুলওভার, মাফলার, হাতমোজা ও মোজা টুকরা আকারে, প্যানেল বা রোল বা থান আকারে বা খন্ড খন্ড আকারে আমদানির অনুমতি দেওয়া হইবে না, তবে এই সকল পণ্যের কাঁচামাল হিসাবে কেবল সব ধরণের সুতা আমদানির অনুমতি দেওয়া হইবে।

 

 

(১৫) রপ্তানিমুখী তৈয়ারী পোশাক বা হোসিয়ারী ও স্পেশালাইজড টেক্সটাইল ব্যতীত অন্যান্য রপ্তানিমুখী শিল্পের ক্ষেত্রে পোষকের সুপারিশের ভিত্তিতে এবং প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতিক্রমে সুনির্দিষ্ট রপ্তানি আদেশ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন হইলে নিষিদ্ধ বা শর্তাধীন আমদানিযোগ্য কাঁচামাল, মোড়ক সামগ্রী এবং যন্ত্রাংশ রপ্তানিমুখী শিল্পসমূহকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হইবে, এই সকল ক্ষেত্রে সংশ্লি­ষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে আমদানিকৃত নিষিদ্ধ অথবা শর্তাধীন আমদানিযোগ্য পণ্য বা পণ্যসমূহের মূল্যের শতকরা একশতভাগ ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিল করিতে হইবে, তবে যে সকল রপ্তানিমুখী শিল্প বন্ডেড ওয়্যার হাউজ লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত উহাদের ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের প্রয়োজন হইবে না।

 

(১৬) বন্ডেড ওয়্যার হাউজ পদ্ধতির অধীনে পরিচালিত অন্যান্য সকল সেক্টরের স্বীকৃত প্রস্ত্ততকারী ও রপ্তানিকারক শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে উহাদের কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী আমদানি করিতে পারিবে এবং এইরূপ প্রত্যক্ষ রপ্তানিকারক ও পরোক্ষ রপ্তানিকারক উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হইবে।

 

(১৭) প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমুখী শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে বন্ডেড ওয়্যার হাউজের মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানি করা যাইবে।

 

(১৮) বন্ডেড ওয়্যার হাউজ পদ্ধতির আওতায় পরিচালিত কেবল ১০০% রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যাক-টু-­ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে অথবা মাস্টার রপ্তানি ঋণপত্র এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এল,সি ছাড়াই শুধুমাত্র ক্রেতা কর্তৃক নিশ্চিত চুক্তির বিপরীতে ৪ (চার) মাসের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল এবং মোড়ক সামগ্রী রিভলভিং পদ্ধতিতে আমদানি করিতে পারিবে, এইরূপ ক্ষেত্রে-

(ক)  বিদ্যমান ফ্যাক্টরীর বেলায় সংশ্লি­ষ্ট ব্যাংক কর্তৃক বিগত বৎসরের রপ্তানি তথা পারফরমেন্সের ব্যাপারে ইস্যুকৃত সনদপত্রের উপর ভিত্তি করিয়া পরিমাণ নির্ধারণ করা হইবে; এবং

 

(খ)  নতুন ফ্যাক্টরীর ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত উৎপাদন ক্ষমতার উপর ভিত্তি করিয়া ৬ (ছয়) মাসের পরিমাণ নির্ধারণ করা হইবে;

 

(গ)  দফা (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করিয়া বন্ডেড ওয়্যার হাউজ পদ্ধতির আওতায় পরিচালিত কেবল ১০০% রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থানীয় উৎপাদনকারী-সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হইতে সাইট কিংবা সর্বোচ্চ ১৮০ (একশত আশি) দিন বিলম্বে পরিশোধ ব্যবস্থায় স্থানীয় ঋণপত্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করিতে পারিবে;

 

‌(ঘ)  প্রচলিত বিধান অনুযায়ী রপ্তানি ঋণপত্র ছাড়াও চুক্তির বিপরীতে ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কের   ভিত্তিতে সাইট বা ইউজেন্স ঋণপত্রের মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানি করা যাইবে।

 

(১৯) উপ-অনুচ্ছেদ (১৭) এ উল্লি­খিত শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অথরাইজেশনের প্রয়োজন হইবে না।         

 

(২০) তৈয়ারী পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানিকৃত বস্ত্রের কন্টেইনারে বা চালানে নগণ্য পরিমাণ বা মূল্যের টুকরা বা কাটা কাপড় পাওয়া গেলে শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সম্পূর্ণ কন্টেইনার বা চালান আটক না করিয়া কেবল টুকরা বা কাটা কাপড় আটক করিতে হইবে।

 

(২১) তৈয়ারী পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট রপ্তানি আদেশ সম্পাদনের জন্য আমদানিকৃত এমব্রয়ডার্ড কাপড়, ব্যাজ, লেবেল, স্টিকার ও প্যাচ এর ক্ষেত্রে ১৮.২৯ মিঃ এর নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হইবে না।

 

(২২) রপ্তানিমুখী তৈয়ারী পোশাক বা বস্ত্র শিল্পের জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র প্রতিষ্ঠার পূর্বে ক্রেতা বা সরবরাহকারী কর্তৃক কাঁচামাল ও মোড়ক সামগ্রী যদি জাহাজীকরণ করা হয় তাহা হইলে ইহা আমদানি নীতি লংঘন হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি চালানের মেনিফেষ্ট দাখিলের পূর্বে ব্যাক-টু-ব্যাক এল,সি খোলা হয়।

 

(২৩) বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স প্রাপ্তি সাপেক্ষে ১০০% রপ্তানিমুখী অলংকার উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুমোদিত উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র খোলার প্রয়োজন হইবে না, তবে উক্তরূপে ঋণপত্র না খুলিয়া আমদানিকৃত উপকরণ ছাড়করণের জন্য শুল্ক কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(২৪) পোশাক শিল্প কারখানায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র খোলা ব্যতিরেকে মূল্যসীমা নির্বিশেষে আমদানি করা যাইবে।

 

(২৫) অস্বচ্ছ হীরা (Rough Diamond) (এইচ, এস, কোড নম্বর ৭১০২.১০, ৭১০২.২১, ৭১০২.৩১)-

 

(ক) সুপারভাইজড বন্ডেড ওয়্যার হাউজ পদ্ধতির অধীন পরিচালিত ১০০% রপ্তানিমুখী ফিনিশড হীরা প্রস্ত্ততকারক শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ, ঋণপত্র খোলা ব্যতিরেকে, কাঁচামাল হিসাবে অস্বচ্ছ হীরা (Rough Diamond) মূল্য পরিশোধ ব্যতিরেকে, কনসাইনমেন্ট ভিত্তিতে অথবা বিদেশী ক্রেতা কর্তৃক নিশ্চিত রপ্তানি চুক্তি বা আদেশের বিপরীতে এই উপ-অনুচ্ছেদের অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে সাইট বা ইউজেন্স পদ্ধতিতে অস্বচ্ছ বা অমসৃণ হীরা (Rough Diamond) আমদানি করিতে পারিবে, তবে রপ্তানি চুক্তি বা আদেশের বিপরীতে আমদানির ক্ষেত্রে, মূল্য সংযোজন অর্থসহ আমদানি ব্যয় ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য হিসাবে বিবেচিত হইবে, যাহা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রত্যাবাসন করিতে হইবে;

 

(খ)  অমসৃণ হীরা প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে কাটিং লস হইবে অনূর্ধ্ব ৭৫%;

 

(গ) আমদানিকৃত প্রতি ক্যারেট অমসৃণ হীরার মূল্য সংযোজন অর্থ ন্যূনতম ১০ (দশ)  মার্কিন ডলার হিসাবে মোট রপ্তানিযোগ্য ফিনিশড হীরার মোট মূল্য সংযোজন অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে এল,সি, ডকুমেন্টারী কালেকশন, Cash Against Document (CAD) বা টিটি (TT) এর মাধ্যমে, প্রত্যাবাসনের শর্তে, রপ্তানিকারকগণ ফিনিশড হীরা রপ্তানি করিতে পারিবে; এবং

 

(ঘ)   অমসৃণ হীরা (Rough Diamond) আমদানি ও রপ্তানি (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ সাপেক্ষে অমসৃণ হীরা আমদানি ও রপ্তানি করিতে হইবে।

 

(২৬) বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পদ্ধতির অধীনে পরিচালিত করোগেটেড কার্টুন, থ্রেড, পলিব্যাগ, বাটার ফ্লাই, লেবেল, ইন্টারলাইনিং গামটেপ, চামড়া, চামড়াজাত দ্রব্যাদি, ফুটওয়্যার ইত্যাদি প্রস্ত্ততকারক ১০০% রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের কেমিক্যালসহ কাঁচামাল ও এক্সেসরিজ আমদানির ক্ষেত্রে প্রচলিত ব্যাক-টু-ব্যাক এল,সি সুবিধার পাশাপাশি পূর্ববর্তী প্রক্রিয়া অর্থাৎ বন্ডেড ওয়্যারহাউজ এর আওতায় ক্যাশ এল,সি পদ্ধতিতে আমদানির ব্যবস্থাও চালু থাকিবে।

 

(২৭) প্রতিটি প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের বিপরীতে নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে ইউটিলাইজেশন পারমিট (ইউপি) প্রদান করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  যে ক্ষেত্রে কোন ঋণপত্রের বিপরীতে উপকরণাদি আমদানি করিবার পর কার্টুন ও এক্সেসরিজ আমদানির পণ্যমূল্য পরিশোধ করা সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে অন্য কোন ঋণপত্রের বিপরীতে উপকরণাদি আমদানি করিবার পর নির্ধারিত সীমার অর্থ উদ্বৃত্ত থাকিলে উক্ত উদ্বৃত্ত অর্থ সংশ্লি­ষ্ট ঋণপত্রের বিপরীতে কার্টুন ও এক্সেসরিজ আমদানির পণ্য মূল্য পরিশোধকল্পে সমন্বয় করা যাইবে এবং উক্তরূপ সমন্বয় অনধিক সাতটি ঋণপত্রের মধ্যে করিতে হইবে;

 

(খ)  যে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের সহিত অন্য যে সকল ঋণপত্রের উদ্বৃত্ত অর্থ সমন্বয় করা হয় উহার সংশ্লি­ষ্ট যাবতীয় তথ্যাদি যথাঃ সংশ্লি­ষ্ট ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র নম্বর, সূত্র ও তারিখ ঋণপত্র গ্রহীতার নাম ও ঠিকানা, পণ্যের বিবরণী এবং পরিমাণ ও আনুষংগিক অন্যান্য তথ্য এইরূপ ইউ,পি-তে সুস্পষ্টভাবে উল্লে­খ করিতে হইবে;

 

(গ)  সরবরাহকৃত পণ্যের ‘এ্যাকসেসরিজ’ কাঁচামাল ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র কোন অবস্থাতেই ৬ (ছয়) মাসের অধিক সময় অসমন্বিত অবস্থায় রাখা যাইবে না;

 

(ঘ)   ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে অভ্যন্তরীণ (ইনল্যান্ড) ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের অর্থের সমন্বয় সাধন করিতে হইবে; এবং

 

(ঙ)  পণ্য চালানসমূহের মূল্য নির্বিশেষে দফা (ক) হইতে (ঘ) এর শর্তসমূহ প্রযোজ্য হইবে।

 

(২৮) আমদানি পারমিট এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ক্লিয়ারেন্স পারমিট (জরিমানাসহ খালাসের নিমিত্তে) এর মাধ্যমে আমদানি-১০০% বিদেশী উদ্যোগে স্থাপিত বা স্থাপিতব্য অনুমোদিত শিল্পের ক্যাপিটাল মেশিনারী ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে এল,সি,এ ফরম এর অথবা ঋণপত্র খুলিবার প্রয়োজন হইবে না, তবে আমদানিকারককে আমদানি পারমিট অথবা ক্ষেত্রবিশেষে ক্লিয়ারেন্স পারমিট গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(২৯) গ্রে-কাপড়-

 

(ক) স্বীকৃত টেক্সটাইল ফিনিশিং (মেকানাইজড) ইউনিট কর্তৃক ব্যাক-টু-ব্যাক এল,সি’র বিপরীতে বন্ডেড ওয়্যার হাউজ পদ্ধতিতে সকল প্রকার গ্রে-কাপড় এই শর্তে আমদানি করা যাইবে যে আমদানিকৃত সমস্ত গ্রে-কাপড় ফিনিশিং, ডাইং বা প্রিন্টিং এর পর রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পকে সরবরাহ করিতে হইবে অথবা তাহা সম্পূর্ণরূপে বিদেশে রপ্তানি করিতে হইবে;

 

(খ) আমদানিকৃত গ্রে-কাপড় ফিনিশিং, ডাইং বা প্রিন্টিং-এর পর সরাসরি বিদেশে রপ্তানি করা হইলে একই অর্থ বৎসরে আমদানিকৃত গ্রে-কাপড়ের সমপরিমাণ স্থানীয় গ্রে-কাপড় ফিনিশিং, ডাইং বা প্রিন্টিং এর পর রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের নিকট সরবরাহ করিতে হইবে অথবা বিদেশে রপ্তানি করিতে হইবে, তবে আমদানিকৃত গ্রে-কাপড় ফিনিশিং, ডাইং বা প্রিন্টিং এর পর রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের নিকট সরবরাহ করা হইলে সমপরিমাণ স্থানীয় গ্রে-কাপড় ব্যবহারের শর্ত প্রযোজ্য হইবে না;

 

(গ) গ্রে-কাপড় আমদানি সম্পর্কিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালনের বিষয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো মনিটর করিবে;

 

(ঘ)   স্বীকৃত টেক্সটাইল ফিনিশিং (মেকানাইজড) ইউনিট ছাড়াও রপ্তানিমুখী পোশাক প্রস্ত্ততকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যাক-টু-ব্যাক এল, সি’র বিপরীতে ও বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পদ্ধতিতে নিজ নিজ শুল্ক পাস বুকে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে কাস্টমস্ এস, আর, ও অথবা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত ইউটিলাইজেশন এক্সপার্ট কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত অথবা সুপারিশকৃত পরিমাণ গ্রে-কাপড় আমদানি করা যাইবে, তবে আমদানিকৃত উক্ত গ্রে-কাপড় দ্বারা তৈয়ারী পোশাক সম্পূর্ণরূপে বিদেশে রপ্তানি করতঃ বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ঐ পরিমাণ গ্রে-কাপড় পাস বুকে অন্তর্ভুক্ত করাইয়া সমন্বয় করিতে হইবে;

 

(ঙ)  সুনির্দিষ্ট রপ্তানি আদেশের বিপরীতে রপ্তানি শিল্পে ব্যবহার ও সরাসরি রপ্তানির উদ্দেশ্যে প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করিয়া গ্রে-কাপড় আমদানি করা যাইবে;

 

(চ)   রপ্তানিমুখী স্পেশালাইজড টেক্সটাইল (ডাইং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিং অথবা ডাইং, প্রিন্টিং, ফিনিশিং, উইভিং বা স্পিনিং) কেবল যাহাদের প্রযুক্তিগত যোগ্যতা আছে, সুপারভাইজড বন্ডেড ওয়্যার হাউজের আওতায় ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র ব্যতিরেকেও চার মাসের প্রয়োজনীয় গ্রে-কাপড় ও সুতা রিভলভিং পদ্ধতিতে (উৎপাদন ক্ষমতার সর্বোচ্চ ৩৩%) দফা (ক) হইতে (গ) এ বর্ণিত শর্তে আমদানি করিতে পারিবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে বিদ্যমান ফ্যাক্টরীর বেলায় সংশ্লি­ষ্ট ব্যাংক প্রদত্ত বিগত বৎসরের রপ্তানি তথা পারফরমেন্সের ব্যাপারে ইস্যুকৃত সনদপত্রের উপর ভিত্তি করিয়া পরিমাণ নির্ধারণ করা হইবে; এবং

 

(ছ)   সুপারভাইজড বন্ডেড ওয়্যারহাউজের আওতায় ১০০% রপ্তানিমুখী স্পেশালাইজড টেক্সটাইল মিল ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র ব্যতিরেকে ১২ (বার) মাসের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল রিভলভিং পদ্ধতিতে আমদানি করিতে পারিবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে বিদ্যমান শিল্প প্রতিষ্ঠানের বেলায় সংশ্লি­ষ্ট ব্যাংক কর্তৃক বিগত বৎসরের রপ্তানি তথা পারফরমেন্সের ব্যাপারে ইস্যুকৃত সনদপত্রের উপর ভিত্তি করিয়া পরিমাণ নির্ধারণ করা হইবে।

 

(30)        পার্টস, এক্সেসরিজ ও কম্পোন্যান্টস এর আমদানি- যে সকল পার্টস, এক্সেসরিজ ও কম্পোন্যান্টস এর আমদানি নিয়ন্ত্রিত সেই সকল পার্টস, এক্সেসরিজ ও কম্পোন্যান্টস মেশিনারীর অখন্ড ও অপরিহার্য অংশ হিসাবে আমদানিযোগ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লি­ষ্ট মেশিনারীও আমদানিযোগ্য হইতে হইবে।

 

(৩১) সেকেন্ড হ্যান্ড বা রিকন্ডিশন্ড ক্যাপিটাল মেশিনারীজ-

(ক)  শিল্প কারখানায় ব্যবহার্য সেকেন্ড হ্যান্ড বা রিকন্ডিশন্ড ক্যাপিটাল মেশিনারীজ ও জেনারেটর বা জেনারেটিং সেট মূল্যসীমা নির্বিশেষে আমদানিযোগ্য হইবে, তবে জেনারেটর বা জেনারেটিং সেট ব্যতীত প্রতিটি মেশিনারীজ এর অর্থনৈতিক আয়ুস্কাল কমপক্ষে ১০ (দশ) বৎসর রহিয়াছে এই মর্মে আমদানি উৎসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক মনোনীত বা নির্ধারিত বা স্বীকৃত সার্ভেয়ার কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র অবশ্যই বিল অব লেডিং এর সহিত দাখিল করিতে হইবে; এবং

 

(খ)  পুরাতন বা রিকন্ডিশন্ড জেনারেটর বা জেনারেটিং সেট আমদানির ক্ষেত্রে ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক পুরাতন নয় এই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রত্যয়ন প্রদান করিতে হইবে।

 

(৩২)      বৈদ্যুতিক মিটার (বৈদ্যুতিক কিলোওয়াট মিটার)-

 

(ক)  সিংগেল ফেজ বৈদ্যুতিক মিটার (এইচ এস কোড নম্বর ৯০২৮.৩০.১০, ৯০২৮.৩০.২০ ও ৯০২৮.৩০.৯০) সম্পূর্ণ তৈরী অবস্থায় আমদানির ক্ষেত্রে, উহার মান Electricity Metering Equipment (AC)-Particular/Requirements Part-2 Electromechanical Meters for Active Energy (Class 0.5, 1 and 2): BDS IEC 62053-11:2008 অনুযায়ী হইতে হইবে; এবং

 

(খ) বৈদ্যুতিক মিটারের যন্ত্রাংশ (এইচ এস কোড নম্বর ৯০২৮.৯০.১০ ও ৯০২৮.৯০.৯০) আমদানি পর্যায়ে মান পরীক্ষার প্রয়োজন হইবে না, তবে আমদানিকৃত যন্ত্রাংশ দ্বারা পূর্ণাংগ মিটার প্রস্ত্তত করিয়া বাজারজাত করিবার পূর্বে উহার মান বিডিএস ১৩১ : ১৯৯৮ অনুযায়ী হইতে হইবে, যাহা বিএসটিআই কর্তৃক পরীক্ষা করাইতে হইবে।

 

(৩৩) প্যাকিং অথবা ক্যানিং সেক্টরের স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহার আমদানি সীমা পর্যন্ত নিম্নবর্ণিত বিধান পালন সাপেক্ষে ননীযুক্ত গুড়োদুধ, হরলিক্স জাতীয় খাদ্য টিনের পাত্রে অথবা বৃহৎ মোড়কে আমদানি করিতে পারিবে, যথা:-

 

(ক)  আমদানিকৃত দ্রব্যের প্রতিটি চালানের সাথে রপ্তানিকারী দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (সরকারি স্বাস্থ্য বা খাদ্য বিভাগীয়) কর্তৃক ইস্যুকৃত উক্ত দ্রব্যের উপাদান ও বিভিন্ন উপকরণের আনুপাতিক হার, উহা প্রস্ত্ততের তারিখ এবং মানুষের খাদ্য হিসাবে ব্যবহারের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ সম্বলিত একটি প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত থাকিতে হইবে;

 

(খ)  উক্ত দ্রব্যসামগ্রী আমদানির ক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ১৬ এ বর্ণিত তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে;

 

(গ)  উক্ত দ্রব্যসামগ্রী টিনের পাত্রে আমদানির ক্ষেত্রে এবং টিনের পাত্রে অথবা বৃহৎ মোড়কে আমদানিকৃত দ্রব্য খুচরা মোড়কে প্যাকিং/ক্যানিং করিয়া বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ১৬ এর উপ-অনুচ্ছেদ (১৭) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে; এবং

 

(ঘ)   উক্ত দ্রব্যসামগ্রী বৃহৎ মোড়কে আমদানির ক্ষেত্রে উক্ত দ্রব্যের উপাদান ও বিভিন্ন উপকরণের আনুপাতিক হার, উহার প্রস্ত্ততের তারিখ এবং মানুষের খাদ্য হিসাবে ব্যবহারের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ সম্বলিত তথ্য বৃহৎ মোড়কের গায়ে অথবা লেবেলে অথবা স্টীকারে স্থায়ীভাবে মুদ্রিত থাকিতে হইবে।

 

 

(৩৪) নারিকেল তৈল- নারিকেল তৈল (এইচ এস হেডিং নম্বর ১৫.১৩ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক আমদানি করা যাইবে, তবে মাথায় ব্যবহারের জন্য আমদানিতব্য নারিকেল তৈলের এসিড ভ্যালু  ০.৬ এর উর্ধ্বে হইবে না এবং সাবান শিল্পের জন্য আমদানিতব্য নারিকেল তৈলের এসিড ভ্যালু ১০.০ পর্যন্ত থাকিতে পারিবে এবং নারিকেল তৈল বাণিজ্যিক ভিত্তিতে অবাধে আমদানিযোগ্য হইবে এবং এই ক্ষেত্রে উহার এসিড ভ্যালু ০.৬ এর উর্ধ্বে হইবে না।

 

(৩৫) ওয়েষ্ট এন্ড স্ক্র্যাপ আমদানি-

(ক)  কেবল শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে প্রকৃত ব্যবহারকারী স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহার আমদানি স্বত্ব অনুসারে আয়রণ ও ষ্টিল ওয়েষ্ট এন্ড স্ক্র্যাপ (এইচ এস হেডিং নম্বর ৭২.০৪ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড) আমদানি করিতে পারিবে;

             

 

(খ) কেবল শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে প্রকৃত ব্যবহারকারী স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহার আমদানি স্বত্ব অনুসারে এ্যালুমিনিয়াম ওয়েষ্ট এন্ড স্ক্র্যাপ (এইচ এস হেডিং নম্বর ৭৬.০২ এর এইচ এস কোড নম্বর ৭৬০২.০০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য) আমদানি করিতে পারিবে;

 

(গ)  কেবল শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে প্রকৃত ব্যবহারকারী স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহার আমদানি স্বত্ব অনুসারে কালেট স্ক্র্যাপ অব গ্লাস (এইচ এস হেডিং নম্বর ৭০০১.০০.০০) আমদানি করিতে পারিবে;

(ঘ)   কেবল শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে প্রকৃত ব্যবহারকারী স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহার আমদানি স্বত্ব অনুসারে কপার ওয়েষ্ট এন্ড স্ক্র্যাপ (এইচ এস হেডিং নম্বর ৭৪.০৪ এর এইচ এস কোড নম্বর ৭৪০৪.০০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য) আমদানি করিতে পারিবে; এবং

 

(ঙ)  দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত দ্রব্যসামগ্রী টক্সিক বা তেজস্ক্রিয় পদার্থমুক্ত এই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদ আমদানিকারককে অবশ্যই শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিতে হইবে।

 

(৩৬)  রিকভারড পেপার অথবা পেপার বোর্ড (ওয়েষ্ট এন্ড স্ক্র্যাপ)- শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহারের জন্য (এইচ এস হেডিং নম্বর ৪৭.০৭ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) আমদানিযোগ্য হইবে।

                

(৩৭) ব্রেক এ্যাকরেলিক- ব্রেক এ্যাকরেলিক (এইচ এস হেডিং নম্বর ৩৯.১৫ এর এইচ এস কোড নম্বর ৩৯১৫.৯০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য) নিম্নবর্ণিত শর্তে আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  যে সকল শিল্প প্রতিষ্ঠান কাঁচামাল হিসাবে এ্যাকরেলিক ব্যবহার করে কেবল ঐ সকল স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহাদের আই,আর,সি-তে উল্লিখিত উৎপাদন ক্ষমতা অনুযায়ী আমদানি করিতে পারিবে;

 

(খ)  আমদানির সঙ্গে সঙ্গে আমদানিকৃত ব্রেক এ্যাকরেলিকের উৎস এবং উৎস দেশ সম্পর্কে পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করিতে হইবে;

 

(গ)  পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আমদানিকৃত ব্রেক এ্যাকরেলিক টক্সিক বা তেজস্ক্রিয় কোন দ্রব্য, যা পরিবেশ দূষণের কারণ হইতে পারে, আছে কিনা সে সম্পর্কে জাহাজীকরণের পূর্বে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সার্ভেয়ার বা পিএসআই কোং এর নিকট হইতে প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শন (পিএসআই) সার্টিফিকেট আমদানিকারককে উপস্থাপন করিতে হইবে এবং উক্ত সার্টিফিকেট অনুযায়ী আমদানিকৃত মালামাল শুল্ক সংক্রান্ত প্রচলিত আইন অনুযায়ী খালাস করিতে হইবে।

 

(৩৮) ১০০% রপ্তানিমুখী স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে রপ্তানির উদ্দেশ্যে পণ্য উৎপাদনের জন্য আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য ব্যতীত সংশ্লি­ষ্ট কাঁচামাল পোষকের নির্ধারিত আমদানি স্বত্ব অনুসারে আমদানি করিতে পারিবে।

 

(৩৯) মিথানল/মিথাইল এ্যালকোহল- 

 

(ক)  কেবল শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে প্রকৃত ব্যবহারকারী স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান উহার আমদানি স্বত্ব অনুসারে মিথানল/মিথাইল এ্যালকোহল (এইচ,এস হেডিং নম্বর ২৯.০৫ এর এইচ,এস কোড নম্বর ২৯০৫.১১.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য) আমদানি করিতে পারিবেঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মিথানল আমদানির ক্ষেত্রে শিল্প খাতে আমদানির সাধারণ নিয়মাবলী সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না;

 

(খ)  স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান মিথানল বা মিথাইল এলকোহল আমদানি করিতে পারিবে।

 

(৪০) ফরমালডিহাইড, ফরমালডিহাইড সলিউশন, মিথানল সলিউশন, মিথালাইলডিহাইড,    মিথাইলডিহাইড সলিউশন, প্যারাফরমালডিহাইড, প্যারাফরমালডিহাইড সলিউশন, প্যারাফরম, ফরমাজিন, ফরমল, মরবিসিড ও ফরমালিন- নিম্নবর্ণিত শর্তে ফরমালডিহাইড, ফরমালডিহাইড সলিউশন, মিথানল সলিউশন, মিথালাইলডিহাইড, মিথাইলডিহাইড সলিউশন,   প্যারাফরমালডিহাইড, প্যারাফরমালডিহাইড সলিউশন, প্যারাফরম, ফরমাজিন, ফরমল, মরবিসিড ও ফরমালিন, অত:পর এই উপ-অনুচ্ছেদে “উক্ত পণ্য’’ বলিয়া উল্লিখিত, আমদানিযোগ্য হইবে, যথা:-

 

(ক)  বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদনক্রমে উক্ত পণ্য আমদানি করিতে হইবে;

(খ)  উক্ত পণ্য আমদানিকারকগণকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সুপারিশসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিকট অনুমতির জন্য আবেদন করিতে হইবে;

(গ)  উক্ত পণ্য আমদানিকারকগণকে ক্রেতাদের নিকট উক্ত পণ্য বিক্রয়ের হিসাব এতদুদ্দেশ্যে       সংরক্ষিত বিক্রয় রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে; এবং

(ঘ)   বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বা সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কর্তৃপক্ষ, সময়ে সময়ে, আমদানিকারকগণের উক্ত                    বিক্রয় রেজিস্টার পরীক্ষা করিয়া দেখিবে।

             

(৪১) ক্রুড সয়াবিন- ক্রুড সয়াবিন যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত ভোজ্য তৈল উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব রিফাইনারী থাকিলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদনক্রমে চুক্তিতে উল্লিখিত পরিমাণ ক্রুড সয়াবিন তৈল (এইচ এস হেডিং নম্বর ১৫.০৭ এর এইচ এস কোড নম্বর ১৫০৭.১০.১০ ও ১৫০৭.১০.৯০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য) আমদানি করিতে পারিবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হইবে; তবে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কোন পরিশোধনকারীর সহিত চুক্তিবদ্ধ থাকিলে প্রয়োজনে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি করিতে পারিবে। 

 

(৪২) শোধিত পাম অলিন ও ক্রুড পাম অলিন-

 

(ক)  শোধিত পাম অলিন (এইচ এস হেডিং নম্বর ১৫.১১ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) আমদানির জন্য এই আদেশের অনুচ্ছেদ ১৬ এ বর্ণিত সকল বিধান প্রতিপালন করিতে হইবে এবং রপ্তানিকারক দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং শিল্প ও বণিক সমিতির নিকট হইতে উহা মানুষের খাওয়ার উপযোগী মর্মে পৃথক পৃথক সনদপত্র পেশ করিতে হইবে; পণ্য খালাসের সময় এই সনদপত্রগুলি সংশ্লি­ষ্ট আমদানিকারককে শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিতে হইবে;

 

(খ) ভোজ্য তৈল হিসাবে নিম্নরূপ পণ্য আমদানিযোগ্য হইবে না, যথা:-

 

(অ)  ঘন (সলিড) বা আধাঘন (সেমি সলিড) পাম তৈল, যাহা দেখিতে ভেজিটেবল ঘি এর অনুরূপ;

 

(আ) আরবিডি পাম স্টিয়ারিন এবং ট্যালো;

 

(ই)  অশোধিত পাম স্টিয়ারিন;

 

(গ)  ফ্রাকশোনেশন প্লান্ট আছে এমন সব ভোজ্য তৈল উৎপাদনকারী কারখানা বিনিয়োগ বোর্ডের সুপারিশক্রমে শোধিত এবং অশোধিত (রিফাইন্ড এন্ড ক্রুড পাম অয়েল) পাম তৈল আমদানি করিতে পারিবে এবং বিষয়টি বিনিয়োগ বোর্ড মনিটর করিবে;

 

(ঘ)   ক্রুড পাম অয়েল বা ক্রুড পাম অলিন যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ভোজ্য তৈল উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব রিফাইনারী থাকিলে অথবা অন্য কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কোন রিফাইনারীর সহিত চুক্তিবদ্ধ থাকিলে উক্ত শিল্প বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদনক্রমে চুক্তিতে উল্লিখিত পরিমাণ ক্রুড পাম অয়েল বা ক্রুড পাম অলিন আমদানি করিতে পারিবে এবং এইক্ষেত্রে উক্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হইবে;

 

(ঙ) ট্যাংক টার্মিনালে সংরক্ষণের মাধ্যমে ক্রুড সয়াবিন তৈল এবং ক্রুড পাম অলিন আমদানি- ক্রুড সয়াবিন তৈল এবং ক্রুড পাম অলিন (ক্রুড সয়াবিন তৈল ও ক্রুড পাম অলিন আমদানি এইচ,এস, হেডিং নম্বর ১৫.০৭ ও ১৫.১১) উপ-অনুচ্ছেদ (৪০) এবং (৪১) এর দফা (ঘ) এ বর্ণিত আমদানিকারক কর্তৃক আমদানিকৃত তৈল মাদার ভেসেল হইতে ট্যাংকারের মাধ্যমে শুল্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ট্যাংক টার্মিনালে সংরক্ষণ করিবে এবং ট্যাংক টার্মিনালে সংরক্ষিত তৈল বন্ডেড ওয়্যার হাউস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষে খালাস করা যাইবে;

(চ) ট্যাংক টার্মিনালে মজুদকৃত ভোজ্য তৈল স্থানীয় প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করার পূর্বে সঠিক শুল্ককর, ভ্যাট ইত্যাদি পরিশোধ করা হইয়াছে কিনা শুল্ক কর্তৃপক্ষ উহা নিশ্চিত করিবে এবং যে পরিমাণ ভোজ্য তৈল সংশ্লি­ষ্ট ট্যাংকে গ্রহণ বা সংরক্ষণ করা হইবে উহার অতিরিক্ত পরিমাণ অবৈধভাবে বিক্রি দেখাইয়া যদি কোন বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরিত হয় এবং আমদানি, বিক্রয় ও রপ্তানির মধ্যে কোন গরমিল পরিলক্ষিত হয় তাহা হইলে সংশ্লি­ষ্ট ট্যাংক টার্মিনাল দায়ী থাকিবে এবং বিষয়টি শুল্ক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করিবে এবং এই ব্যাপারে প্রতিটি কনসাইনমেন্ট আমদানি, বিক্রি ও ফেরত প্রদানের হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংক, বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে;

 

(ছ) এই অনুচ্ছেদে উল্লিখিত আমদানির ক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ১৬ এর বিধানসহ সংশ্লি­ষ্ট সকল বিধি-বিধান এবং সরকারি সকল নিয়ম নীতি যথাযথভাবে প্রতিপালন করিতে হইবে; এবং

 

(জ)  ভিন্ন ভিন্ন তারিখে আমদানিকৃত পণ্য ভিন্ন ভিন্ন ট্যাংকে রক্ষিত থাকিবে, যাহাতে মেয়াদোত্তীর্ণ     তারিখ নিশ্চিত করা যায়।

 

(৪৩) যে কোন শিল্পে ব্যবহৃত জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক উপাদান, বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান এবং কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে প্রতিটি ড্রামে, বোতলে বা প্যাকেটে বিষ (Poison) কথাটি দৃশ্যমান স্থানে লিখিত বা মুদ্রিত থাকিতে হইবে।

 

সূচীপত্র

 

ষষ্ঠ অধ্যায়

বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ কর্তৃক আমদানির বিধানাবলী

 

২৫। বাণিজ্যিক আমদানি।- (১) নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় বাণিজ্যিক পণ্য আমদানি করিতে হইবে, তবে অর্থের সংস্থান সাপেক্ষে সরকারি বরাদ্দের বিপরীতেও বাণিজ্যিক পণ্য আমদানির জন্য অনুমতি দেওয়া যাইবে, এই ক্ষেত্রে পণ্যের নাম ও তহবিলের উৎস এবং অন্যান্য শর্ত, সময় সময় প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্তৃক প্রজ্ঞাপিত হইবে।

 

(২)  বাণিজ্যিক আমদানিকারক কর্তৃক শিল্পের কাঁচামাল, মোড়কসামগ্রী ও খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানি- নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা বহির্ভূত সকল শিল্পের কাঁচামাল, মোড়ক সামগ্রী ও খুচরা যন্ত্রাংশ নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে অবাধে আমদানিযোগ্য হইবে।

(৩)  বিদেশী সংস্থা কর্তৃক বাণিজ্যিক আমদানি- কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীনে বাংলাদেশে রেজিস্ট্রীকৃত বিদেশী কোম্পানী বা সংস্থাগুলি উহাদের বাণিজ্যিক আমদানি নিবন্ধন সনদপত্রের বিপরীতে আমদানিযোগ্য বাণিজ্যিক পণ্য প্রধান নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমতি ছাড়াই আমদানি করিতে পারিবে, তবে বিদেশী কোম্পানী বা সংস্থাগুলি এইরূপ বাণিজ্যিক পণ্য আমদানির পূর্বে প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমদানি ও রপ্তানি দপ্তরকে লিখিতভাবে উক্ত  পণ্যের এইচ এস কোড নম্বর, পণ্যের বিবরণ, পরিমাণ, মূল্য, বিদেশী রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা, ইত্যাদি সম্পর্কিত  বিস্তারিত তথ্যাদি অবহিত করিবে।

 

(৪)  বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ক্যাপিটাল মেশিনারী আমদানি- নূতন এবং সেকেন্ডহ্যান্ড বা রিকন্ডিশন্ড ক্যাপিটাল মেশিনারী ও জেনারেটর বা জেনারেটিং সেট নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় কোন মূল্যসীমা ছাড়াই বাণিজ্যিক আমদানিকারক কর্তৃক, এই আদেশের বিধি-বিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আমদানি করা যাইবে।

 

(৫)  অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষ্যে প্রাইম মোভার, ডাম্প ট্রাক ইত্যাদি আমদানি-অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষ্যে প্রাইম মোভার, ডাম্প ট্রাক, ডাম্পার, মিক্সার লরি, সেলফ লোডার এবং হাইড্রোলিক ক্রেন ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক পুরাতন হইলেও আমদানি করা যাইবে:

 

        তবে উক্ত পণ্যসমূহের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল কমপক্ষে ১০ (দশ) বৎসর রহিয়াছে এই মর্মে আমদানি উৎসে / জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক মনোনীত বা নির্ধারিত বা স্বীকৃত সার্ভেয়ার কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র অবশ্যই বিল অব লেডিং এর সহিত দাখিল করিতে হইবে এবং উল্লিখিত অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি সংযুক্ত যানবাহনসমূহের শ্রেণি বা ধরণ সম্পর্কে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন আবশ্যিকভাবে দাখিল করিতে হইবে।

 

পণ্য আমদানির লক্ষ্যে প্রযোজ্য বিধানাবলী

২৬।  বিস্ফোরক আমদানি।- (১) (ক) বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে এইচ, এস হেডিং নম্বর ২৯.০৪ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য ট্রাইনাইট্রোটলুইন, এইচ এস হেডিং নম্বর ৩৬.০১ হইতে ৩৬.০৪ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য বিস্ফোরকসহ কোন প্রকার বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করিবার অনুমতি দেওয়া হইবে না;

 

(খ) প্রজ্বলনীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ, বিষাক্ত পদার্থ: প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক এর পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে এইচ এস হেডিং নম্বর ২৫.০৩, ২৮.০২ এবং  ৩৮.০৮ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সালফার, এইচ এস হেডিং নম্বর ২৮.০৪ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য ফসফরাস,  এইচ এস হেডিং নম্বর  ২৮.২৯ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য পটাশিয়াম ক্লোরেট, এইচ এস হেডিং নম্বর ২৮.৩৪ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য পটাশিয়াম নাইট্রেট, বেরিয়াম নাইট্রেট, সোডিয়াম নাইট্রেট, এ্যামুনিয়াম নাইট্রেট, এইচ এস হেডিং নম্বর ২৮.০৫ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য এ্যালুমিনিয়াম পাউডার, এইচ এস হেডিং নম্বর ২৮.৩০  এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য আর্সেনিক সালফাইড  এবং ক্যালসিয়াম কার্বাইডসহ কোন প্রকার প্রজ্বলনীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ, বিষাক্ত পদার্থ আমদানি করার অনুমতি দেওয়া হইবে না।  

 

(২)   টিসিবি এর মাধ্যম ছাড়া অন্য কাহাকেও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিস্ফোরক পদার্থ আমদানি করিবার অনুমতি দেওয়া হইবে না।

 

(৩)  টিসিবি কর্তৃক আমদানিকৃত বিস্ফোরক পদার্থ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবগত করাইয়া, প্রকৃত ব্যবহারকারীর নিকট বিক্রয় করা যাইবে।

 

(৪)   সরকার কর্তৃক স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ, প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে, উহাদের রেজিস্ট্রীকৃত স্বত্ব পর্যন্ত ঐ জাতীয় বিস্ফোরক সামগ্রী আমদানি করিতে পারিবে, তবে এইরূপ শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুচ্ছেদ ২৩ এর আওতায় আমদানি স্বত্ব বা অংকের অতিরিক্ত বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা যাইবে না।

 

(৫)   প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক, ছাড়পত্র প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে, আমদানিতব্য পটাশিয়াম ক্লোরেটের পরিমাণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে।

 

(৬)  শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানি স্বত্বের বিপরীতে আমদানিকৃত বিস্ফোরক পদার্থ শুধু উহাদের কারখানায় উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হইবে এবং উহা বিক্রয়, স্থানান্তর অথবা অন্য কোনভাবে ব্যবহার করা যাইবে না।

 

(৭)  তেজস্ক্রিয় পদার্থ- এইচ,এস, হেডিং নম্বর ২৮.৩৪ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য থোরিয়াম নাইট্রেট, এইচ,এস, হেডিং নম্বর ২৮.৪৪ হইতে ২৮.৪৬ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক দ্রব্য ও আইসোটোপসহ সকল পণ্য, এইচ এস হেডিং নম্বর ৯০.২২ এর এইচ এস কোড নম্বর ৯০২২.১৯.০০, ৯০২২.২১.০০ ও ৯০২২.২৯.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য এক্সরে যন্ত্রসহ আয়নায়ণকারী বিকিরণ উৎপাদনক্ষম সকল যন্ত্র, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য।

 

(৮)  পারমানবিক রি-এ্যাক্টর এবং ইহার যন্ত্রাংশ পোষক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে পারমাণবিক রি-এ্যাক্টর এবং ইহার যন্ত্রাংশ (এইচ,এস, হেডিং নম্বর ৮৪.০১ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ,এস, কোড নম্বর) কেবল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন কর্তৃক আমদানিযোগ্য।

 

(৯)  এসিড- কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০২ (২০০২ সনের ১ নং আইন) এবং এসিড (আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, বিক্রয় ও ব্যবহার) নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০০৪ এর অধীন লাইসেন্স গ্রহণ করিয়া কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পোষক কর্তৃক নির্ধারিত আমদানি স্বত্বে উল্লি­খিত পরিমাণ গাঢ়, তরল অথবা মিশ্রণসহ যেকোন প্রকার সালফিউরিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, ফসফরিক এসিড, কস্টিক পটাশ, কার্বলিক এসিড, ব্যাটারি ফ্লুইড (এসিড), ক্রোমিক এসিড ও এ্যাকুয়া-রেজিয়া এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত এসিড জাতীয় (করসিভ) অন্যান্য দ্রব্যাদি আমদানি করিতে পারিবে, তবে শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়াও সরকার কর্তৃক স্বীকৃত শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে, উক্ত এসিড আমদানি করিতে পারিবে।

 

(১০) কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বা নিজস্ব ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০২ (২০০২ সনের ১ নং আইন) এবং এসিড (আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, বিক্রয় ও ব্যবহার) নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০০৪ এর অধীন লাইসেন্স গ্রহণ করিয়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে উপ-অনুচ্ছেদ (৯) এ উল্লি­খিত এসিড আমদানি করিতে পারিবে।

 

(১১) রাসায়নিক সার- রং মিশ্রিত ও দানাদার এস এস পি এবং পাউডার এস এস পি অর্থাৎ যে কোন প্রকার রং মিশ্রিত এস এস পি এবং সকল প্রকার দানাদার এস এস পি এবং পাউডার এস এস পি সার (এইচ এস কোড নম্বর ৩১০৩.১০.১০, ৩১০৩.১০.২০ ও ৩১০৩.১০.৯০) এবং দানাদার ফিউজড ম্যাগনেশিয়াম ফসফেট সার (এইচ এস কোড নম্বর ৩১০৩.৯০.০০) আমদানি নিষিদ্ধ:

 

তবে শর্ত থাকে যে, এইচ এস হেডিং নম্বর ৩১.০২ হইতে ৩১.০৫ এবং উহাদের বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য অন্যান্য রাসায়নিক সার নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য, যথা:-

 

(ক)  আমদানিকৃত সার প্রস্ত্ততকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রত্যয়নকৃত সার উৎপাদনে ব্যবহৃত উপাদানসমূহের তালিকা জাহাজীকরণ দলিলের সাথে থাকিতে হইবে;

 

(খ)  আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোন পরিদর্শন কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শন সনদ জাহাজীকরণ দলিলের সাথে থাকিতে হইবে এবং এতদ্সঙ্গে বর্ণিত আমদানিকৃত সারের বিনির্দেশিকা (স্পেসিফিকেশন) কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত বিনির্দেশিকার সাথে সংগতিপূর্ণ হইতে হইবে;

 

(গ)  কেবল ম্যানুফ্যাকচারার কিংবা তাহার প্রতিনিধির নিকট হইতে সার আমদানি করা যাইবে;

 

(ঘ)   জাহাজীকরণ দলিলের ইনভয়েস এ আমদানিকৃত সারের বিনির্দেশিকা এবং বাহ্যিক ও রাসায়নিক গুণাবলী (ফিজিক্যাল এন্ড কেমিক্যাল প্রোপারটিজ) সম্পর্কে তথ্যাদি পরিবেশন করিতে হইবে;

 

(ঙ)  দফা (ঘ) এ উল্লিখিত পরিবেশিত বিনির্দেশিকা ও গুণাবলী কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত বিনির্দেশিকা ও গুণাবলীর সহিত সংগতিপূর্ণ হইতে হইবে;

 

(চ)   বিল অব লেডিং এ আন্তর্জাতিক বিধান অনুসারে অন্যান্য তথ্যাদি পরিবেশন করিতে হইবে; এবং

 

(ছ)   আমদানিকারককে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের সদস্য হইতে হইবে।

 

(১২) উপ-অনুচ্ছেদ (১১) এ উল্লিখিত শর্তাদি পূরণ হইলে আমদানিকৃত সার ‘‘পোষ্ট ল্যান্ডিং ইন্সপেকশন’’ ছাড়াই খালাস করা যাইবে:

 

তবে শর্ত থাকে যে, পরবর্তীতে পরীক্ষায় দূষণীয় পদার্থ পাওয়া গেলে সরবরাহকারী ও আমদানিকারক যৌথভাবে দায়ী থাকিবে।

 

(১৩) গ্রাউন্ড রক ফসফেট (এইচ এস হেডিং নম্বর ২৫.১০ এর এইচ এস কোড নম্বর ২৫১০.২০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য)- গ্রাউন্ড রক ফসফেট নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী পালন করিয়া আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  Total Phosphates (as P2O5) percent 28.00 by weight minimum;

 

(খ)  Particle size minimum 90 percent the materials shall pass through 0.15 mm IS sieve and the balance 10 percent of the materials shall pass through 0.25 mm IS sieve;

 

(গ)  মান নিশ্চিত করিতে নমুনা কৃষি মন্ত্রণালয় অথবা কৃষি মন্ত্রণালয় অনুমোদিত সংস্থায় পরীক্ষার জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং নমুনা পরীক্ষায় যথাযথ মান সম্পন্ন পাওয়া গেলে কৃষি মন্ত্রণালয় অনাপত্তি পত্র দিবে;

 

(ঘ)   কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি পত্র ব্যাংকে দাখিল করা হইলে ব্যাংক ঋণপত্র খুলিবে; এবং

 

(ঙ)  আমদানিকৃত গ্রাউন্ড রক ফসফেট কৃষি মন্ত্রণালয় নির্ধারিত সংস্থায় পোষ্টল্যান্ডিং ইন্সপেকশন করাইতে হইবে এবং পরীক্ষায় নমুনা সঠিক পাওয়া গেলে শুল্ক কর্তৃপক্ষ পণ্য খালাস করিবে।

 

(১৪) কীটনাশক এবং বালাইনাশক- Pesticide Ordinance, 1971 (Ord. No. II of 1971) এবং উহার অধীনে প্রণীত বিধিমালার বিধান অনুযায়ী বালাই নাশকের আমদানিযোগ্যতা নির্ধারিত হইবে এবং কীটনাশক ও বালাইনাশক দ্রব্যাদি নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  আধার মজবুত এবং সমুদ্র পথে পরিবহনসহ উঠানো-নামানোর সকল প্রকার ঝুঁকি প্রতিরোধ করিবার উপযোগী হইতে হইবে;

 

(খ)  আধারের গায়ে অভ্যন্তরস্থ বস্তুর রাসায়নিক বা টেকনিক্যাল নাম লিখিত থাকিতে হইবে;

 

(গ)  আধারের গায়ে নিম্নরূপ তথ্যাদি বাংলায় স্পষ্টভাবে লিখিত থাকিতে হইবে, যথা:-

 

(অ)  পণ্যের নাম;

 

(আ) উৎপাদনকারী বা সূত্রবন্ধকারীর বা যাহার নামে কীটনাশক ঔষধটির নিবন্ধন করা হইয়াছে তাহার নাম ও ঠিকানা;

 

(ই)  আধারের অভ্যন্তরস্থ পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ;

 

(ঈ)  উৎপাদনের তারিখ;

 

(উ)  পরীক্ষার তারিখ;

 

(ঊ)  মজুদের সাধারণ মেয়াদ ও স্থায়িত্ব;

 

(ঋ)  সক্রিয় উৎপাদনসমূহের নাম ও ওজনের হার এবং অন্যান্য উৎপাদনের মোট শতাংশ, ‘‘শিশুদের নিকট হইতে দূরে রাখুন’’, ‘‘বিপদজনক’’, ‘‘হুশিয়ার’’ বা ‘‘সাবধান’’ ইত্যাদি সাবধান বাণী বা বিপদ সংকেত; এবং

 

(এ)  সাধারণ গুদামজাত অবস্থায় ভাল থাকার গুণাগুণ।

 

(১৫) পুরাতন কাপড়- কেবল নির্বাচিত আমদানিকারকগণ কর্তৃক তাহাদের অনুকূলে প্রদত্ত পূর্বানুমতির ভিত্তিতে এবং নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে, পুরাতন কাপড় (এইচ এস হেডিং নম্বর ৬৩.০৯ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  কেবল কম্বল, সুয়েটার, লেডিস কার্ডিগ্যান, জীপার জ্যাকেটসহ পুরুষের জ্যাকেট, পুরুষের ট্রাউজার এবং সিনথেটিক ও ব্লেন্ডেড কাপড়ের শার্ট পুরাতন কাপড় হিসাবে আমদানিযোগ্য হইবে;

 

(খ)  প্রত্যেক আমদানিকারকের হিস্যা অনূর্ধ্ব ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা হইবে এবং উক্ত হিস্যার মধ্যে পুরাতন কাপড় আমদানির সর্বোচ্চ পরিমাণ নিচের টেবিলে সংশ্লি­ষ্ট পণ্যের বিপরীতে      উল্লিখিত ওজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকিবে, যথা:-

 

ক্রঃ নং

পণ্যের নাম

পরিমাণ

০১।

 কম্বল

২ (দুই) মেঃ টন

০২।

 স্যুয়েটার

৬ (ছয়) মেঃ টন

০৩।

 লেডিস কার্ডিগ্যান

৬ (ছয়) মেঃ টন

০৪।

 জীপার জ্যাকেটসহ পুরম্নষের জ্যাকেট

৬ (ছয়) মেঃ টন

০৫।

 পুরুষের ট্রাউজার

৬ (ছয়) মেঃ টন

০৬।

 সিনথেটিক ও ব্লেন্ডেড কাপড়ের শার্ট

২ (দুই) মেঃ টন

 

(গ)  কোন একজন আমদানিকারক উপরের টেবিলে উল্লিখিত ৬ (ছয়) টি পণ্যের মধ্যে একাধিক পণ্য আমদানি করিতে চাহিলে সেই ক্ষেত্রে তাহার প্রাপ্য ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকার সামগ্রিক হিস্যার মধ্যে সংশ্লি­ষ্ট পণ্যগুলির মূল্যের আনুপাতিক হারে নিরূপিত ওজনের মধ্যেই সেগুলির আমদানি সীমাবদ্ধ থাকিবে;

 

(ঘ)   অন্যান্য প্রাসংগিক শর্তাদি উল্লেখপূর্বক পৃথকভাবে যথাসময়ে প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্তৃক গণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হইবে এবং উক্ত গণ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে নির্বাচিত আমদানিকারকগণ কর্তৃক পুরাতন কাপড় আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা যাইবে;

 

(ঙ)  পুরাতন কাপড়ের সকল চালানের সঙ্গে রপ্তানিকারক দেশের শিল্প ও বণিক সমিতি হইতে এই মর্মে একটি সনদপত্র দাখিল করিতে হইবে যে, সংশ্লি­ষ্ট চালানের মধ্যে আমদানি নিষিদ্ধ কোন পণ্য নাই;

 

(চ)   পুরাতন কাপড়ের জন্য নিবন্ধিত বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ নির্বাচন প্রক্রিয়া বহির্ভূতভাবে পুরাতন কাপড় আমদানি করিতে পারিবে না;

 

(ছ)   জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি কর্তৃক মোট ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) আমদানিকারক শুধু প্রকাশ্য লটারীর মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত জেলা কোটা অনুযায়ী নির্বাচন করা হইবে; এবং

 

(জ)  সংশ্লি­ষ্ট আমদানিকারকগণ যাহাতে আমদানিকৃত পুরাতন কাপড় নিজ নিজ জেলায় লইয়া যায় সেই বিষয়ে সংশ্লি­ষ্ট  শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রয়োজনীয় তদারকির ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

 

 

(১৬) ঔষধ- ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশিত আমদানিযোগ্য ঔষধের তালিকাভুক্ত ঔষধসমূহ (এইচ এস হেডিং নম্বর ২৯.৩৫ এর এইচ এস কোড নম্বর ২৯৩৫.০০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সালফোনামাইড, এইচ এস হেডিং নম্বর ২৯.৩৭ হইতে ২৯.৩৯ এবং উহাদের বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল পণ্য, এইচ এস হেডিং নম্বর ২৯.৪১ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য এন্টিবায়োটিকস, এইচ এস হেডিং নম্বর ৩০.০১ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল পণ্য, এইচ এস হেডিং নম্বর ৩০.০২ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য জীবিত ভ্যাকসিনসহ সকল পণ্য, এইচ এস হেডিং নম্বর ৩০.০৩ ও ৩০.০৪ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল পণ্য) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক পূর্বে অনুমোদন করাইয়া আমদানি করিতে হইবে এবং উক্ত অনুমোদন পত্রে ঔষধের পরিমাণ, ট্রেড নাম ও জেনেরিক নাম, মূল্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ থাকিতে হইবে ।

 

(১৭) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতিক্রমে অনুচ্ছেদ ২৪ এর উপ-অনুচ্ছেদ (৬) এবং অনুচ্ছেদ ২৬ এর উপ-অনুচ্ছেদ (১৬) এ উল্লিখিত শর্ত সাপেক্ষে এইচ, এস, হেডিং নম্বর ২৯.৩৬ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল পণ্য এবং এইচ, এস, হেডিং নম্বর ৩৫.০৭ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য এনজাইমস ঔষধ আমদানিকারক এবং ঔষধ প্রস্ত্ততকারক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানিযোগ্য এবং এইচ, এস, হেডিং নম্বর ২৯.৩৬ এর আওতাধীন ভিটামিন এ এন্ড ডি (ফুড গ্রেড) এবং এইচ, এস, হেডিং নম্বর ৩৫.০৭ এর আওতাধীন এনজাইমস (ফুড গ্রেড) অবাধে আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(১৮) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতিক্রমে এবং এই আদেশের অনুচ্ছেদ ২৪ এর উপ-অনুচ্ছেদ (৬) ও অনুচ্ছেদ ২৬ এর উপ-অনুচ্ছেদ (১৬) এ উল্লিখিত শর্ত সাপেক্ষে এইচ, এস, হেডিং নম্বর ৩০.০৫ এর এইচ, এস, কোড নম্বর ৩০০৫.৯০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য ব্যান্ডেজ (ষ্টেরাইল সার্জিক্যাল), এইচ, এস, হেডিং নম্বর ৩৮.২২ এর এইচ, এস, কোড নম্বর ৩৮২২.০০.০০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য কম্পোজিট ডায়াগনস্টিকস (ইনভিভো), এইচ, এস, হেডিং নম্বর ৯০.১৮ এর এইচ, এস, কোড নম্বর ৯০১৮.৩১.১০ ও ৯০১৮.৩১.৯০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সিরিঞ্জ (ডিসপোজেবল নিডলসহ অথবা নিডল ছাড়া) ব্লিষ্টার প্যাকে অথবা রিবন প্যাকে ও Sterile Prefill Glass Syringe, এইচ, এস, হেডিং নম্বর ৯০.১৮ এর এইচ, এস, কোড নম্বর ৯০১৮.৯০.১০, ৯০১৮.৯০.২০, ৯০১৮.৯০.৩০ ও ৯০১৮.৯০.৯০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য ব্লাড ব্যাগস (ষ্টেরাইল) ফর ট্রান্সফিউশন এবং এইচ, এস, কোড নম্বর ৯০১৮.৩৯.১০ ও ৯০১৮.৩৯.৯০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য Complete Infusion Set আমদানিযোগ্য।

 

(১৯) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতিক্রমে এবং অনুচেছদ ২৪ এর উপ-অনুচ্ছেদ (৬) ও অনুচ্ছেদ ২৬ এর উপ-অনুচ্ছেদ (১৬) এ বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে এইচ, এস, হেডিং নম্বর ৩৯.২৬ এর এইচ, এস, কোড নম্বর ৩৯২৬.৯০.১০, ৩৯২৬.৯০.৩০, ৩৯২৬.৯০.৭১, ৩৯২৬.৯০.৭২, ৩৯২৬.৯০.৮০, ৩৯২৬.৯০.৯১ ও ৩৯২৬.৯০.৯৯ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য পার্টস এন্ড ফিটিংস ফর ইনফিউশন সেট আমদানিযোগ্য।

 

(২০) সিগারেট- আমদানিযোগ্য সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে বাংলায় সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ ‘‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’’ স্পষ্টভাবে মুদ্রিত থাকিতে হইবে, তবে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ কর্তৃক সিগারেট আমদানির ক্ষেত্রে সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে উক্তরূপ সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বাংলা ব্যতীত অন্য যে কোন ভাষায় মুদ্রিত থাকিতে হইবে।

 

(২১) কম্পিউটার- কম্পিউটার ব্যবসায় নিয়োজিত বিদেশী বাণিজ্যিক সংস্থা তাহাদের নিজস্ব (প্রোপাইটরী) পণ্য অর্থাৎ নূতন কম্পিউটার ও উহার যন্ত্রাংশ এবং সরঞ্জামাদি ঋণপত্র খুলিয়া অথবা সরাসরি বিদেশে মূল্য পরিশোধের ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানি করিতে পারিবে, যথা:

 

(ক)  সফটওয়্যার (Software)- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত বিধি বিধান অনুসরণ করিয়া       সফটওয়্যার আমদানি কার্যক্রম সম্পাদন করা যাইবে;

 

       (খ)  সফটওয়্যার (Software) বা সফটওয়্যার লাইসেন্সঃ কোন নিবন্ধিত আমদানিকারক    (বাণিজ্যিক আমদানিকারক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান বা সেবা প্রদানকারী) কর্তৃক মিডিয়ার (magnetic    media/optical media) মাধ্যমে সফটওয়্যার বা সফটওয়্যার লাইসেন্স আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট      মন্ত্রণালয় বা বিভাগের ছাড়পত্র সাপেক্ষে সংগঠনের সুপারিশক্রমে আমদানি নীতি আদেশ        প্রথাগতভাবে অনুসৃত হইবে।

 

(২২) স্বর্ণ ও রৌপ্য- Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (Act No. VII of 1947) এর প্রদত্ত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে স্বর্ণ ও রৌপ্য আমদানি করা যাইবে।

 

(২৩)      গ্যাস সিলিন্ডার বা গ্যাসাধার- বিস্ফোরক অধিদপ্তর হইতে ছাড়পত্র গ্রহণ সাপেক্ষে গ্যাস সিলিন্ডার বা গ্যাসাধার আমদানি করা যাইবে।

 

(২৪) গ্যাস ইন সিলিন্ডার- প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে গ্যাস ইন সিলিন্ডার (এইচ এস হেডিং নম্বর ২৭.০৫ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) আমদানি করা যাইবে।

 

(২৫) পেট্রোলিয়াম তৈল এবং বিটুমিনাস মিনারেল ক্রুড হইতে সংগৃহীত সকল তৈল- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন কর্তৃক পেট্রোলিয়াম তৈল, বিটুমিনাস মিনারেল ক্রুড হইতে সংগৃহীত সকল তৈল (এইচএস হেডিং নম্বর ২৭.০৯ এর এইচএস কোড নম্বর ২৭০৯.০০.০০) আমদানিযোগ্য, তবে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে আমদানিযোগ্য হইবে এবং বেসরকারি খাতের আমদানিকারককে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩  অনুযায়ী এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এর লাইসেন্স প্রাপ্ত হইতে হইবে।  

 

(২৬) ইথাইলিন অক্সাইড গ্যাস-

 

(অ)  প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিনিয়োগ বোর্ড বা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সুপারিশ মোতাবেক, প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের পূর্বানুমতিক্রমে, শিল্প প্রতিষ্ঠান (Bottling কারখানাসহ) কর্তৃক সিলিন্ডারে করিয়া বা বাল্ক আকারে (এইচ এস হেডিং নম্বর ২৭.০৯ এর এইচ এস কোড নম্বর ২৭.০৯.০০.০০) আমদানিযোগ্য হইবে;

 

(আ) বাল্ক আকারে আমদানির পর সিলিন্ডারভুক্ত করিয়া Explosives Act, 1884 (Act. IV of 1884) ও তদধীন প্রণীত বিধিমালার আওতায় গৃহীত লাইসেন্সধারীদের নিকট বিক্রয়যোগ্য হইবে এবং উক্তরূপে বিক্রিত গ্যাসের বিক্রয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে।’’।

 

(২৭) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য-পেট্রোলিয়ামজাত সকল পণ্য ও Liquified Natural Gas (LNG) নিম্নবর্ণিত শর্তে আমদানিযোগ্য হইবে, যথা:-

 

(ক)  তরল প্যারাফিন ব্যতীত, পেট্রোলিয়ামজাত সকল পণ্য (এইচ এস হেডিং নম্বর ২৭.১০ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে, তবে মোটর গাড়ীর ইঞ্জিনের জন্য অন্যূন এপিআইএসসি বা সিসি ইঞ্জিন অয়েল ২ (দুই) স্ট্রোক ইঞ্জিনের জন্য টিসি অথবা জেএএসও-এফবি গ্রেডের লুব্রিকেটিং অয়েলসহ সকল প্রকার ফিনিশড লুব্রিকেটিং অয়েল, গ্রীজ ও ট্রান্সফরমার অয়েল বেসরকারি পর্যায়েও আমদানিযোগ্য হইবে;

 

(খ)  দফা (ক) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সকল প্রকার Lube Base Oil (এইচ এস কোড নম্বর ২৭১০.১৯.২২) বেসরকারি লুব ব্লেন্ডিং প্লান্টসমূহ কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে;

 

(গ)  বেসরকারি খাতের আমদানিকারককে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ অনুযায়ী এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এর লাইসেন্স প্রাপ্ত হইতে হইবে;  

 

(ঘ)   লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি), লিকুইফাইড প্রপেন ও বিউটেনস (এইচএস হেডিং নম্বর ২৭.১১ এর এইচএস কোড নম্বর ২৭১১.১১.০০, ২৭১১.১২.০০ ও ২৭১১.১৩.০০) বেসরকারি খাতে আমদানিযোগ্য, তবে বেসরকারি আমদানিকারককে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ অনুযায়ী এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এর লাইসেন্স প্রাপ্ত হইতে হইবে;

 

(ঙ)  বেসরকারি খাতে লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে; এবং

 

            (চ)   নিম্নলিখিত শর্ত সাপেক্ষে কনডেনসেট আমদানি করা যাইবে :-

 

(অ)  শুধুমাত্র অনুমোদিত ফ্রাকশনেশন প্লান্টের মালিকগণ নিজস্ব প্লান্টে ব্যবহারের জন্য চাহিদা অনুযায়ী কনডেনসেট আমদানি করিতে পারিবে;

(আ) প্রতিষ্ঠানটিকে Bangladesh Petroleum Act, 1974 (Act LXIX of 1974) অনুযায়ী বিপিসি’র সাথে চুক্তিবদ্ধ হইতে হইবে এবং উক্ত আইনসহ সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক জারিকৃত এতদসম্পর্কিত বিধিবিধান আমদানিকারকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে;

 

(ই)  প্রতি বৎসর আমদানিতব্য কনডেনসেটের পরিমাণ ও কনডেনসেট হইতে উৎপাদিত পণ্যসমূহের আনুপাতিক হার সম্পর্কে পূর্বাহ্নেই বিপিসি’র অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে;

 

(ঈ)  প্রতিটি চালানের পূর্বে আমদানিতব্য কনডেনসেটের পরিমাণ বিপিসিকে অবহিত করিয়া ‘‘কেবল চালুরত অবস্থায় নিজস্ব প্লান্টে ব্যবহারের জন্য কনডেনসেট আমদানি করা হইতেছে’’ এই মর্মে বিপিসি’র ন্যূনতম পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তার প্রত্যয়ন গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(২৮)      (ক) কতিপয় পণ্য- নিম্নবর্ণিত টেবিলে উল্লিখিত পণ্যসমূহ উহাদের নামের বিপরীতে উল্লিখিত      বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সষ্টিটিউশন (বিএসটিআই) কর্তৃক নির্ধারিত বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী বাজারজাতকরণের তালিকাভূক্ত পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত        মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হইবে, তবে সরকার প্রয়োজনে, এই তালিকা সময় সময়, পরিবর্তন   করিতে      পারিবে যথা-

 

(অ)  যেইক্ষেত্রে রপ্তানিকারক সংশ্লি­ষ্ট পণ্যের এক্রেডিটেড ল্যাবরেটরি কর্তৃক ইস্যুকৃত সার্টিফিকেট প্রদান করিবে না সেই ক্ষেত্রে চালানভিত্তিক আমদানিকৃত পণ্যের নমুনা বিএসটিআই অথবা সংশ্লি­ষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত পরীক্ষার রির্পোট সম্বলিত সংশ্লি­ষ্ট পণ্যের মান উর্ত্তীনের প্রত্যয়নপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল সাপেক্ষে পণ্য খালাস করা হইবে;

(আ) যেইক্ষেত্রে রপ্তানিকারক সংশ্লি­ষ্ট পণ্যের এক্রেডিটেড ল্যাবরেটরি কর্তৃক ইস্যুকৃত সংশ্লি­ষ্ট বিডিএস মান অনুযায়ী সার্টিফিকেট প্রদান করিবে সেই ক্ষেত্রে সংশ্লি­ষ্ট আমদানিকৃত পণ্যটি বিনা পরীক্ষায় ছাড় করা যাইবে, তবে এই সকল ক্ষেত্রে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল হিসাবে দৈব চয়নের মাধ্যমে নির্ধারিত সংখ্যক চালান পরীক্ষা করিতে হইবে;

 

(ই)  যেইক্ষেত্রে রপ্তানিকারক বিডিএস মান অনুযায়ী বাংলাদেশের সংশ্লি­ষ্ট বিভাগ হতে সিএম লাইসেন্স গ্রহণ করিয়াছে সেই সকল ক্ষেত্রে বিনা পরীক্ষায় পণ্য ছাড় করা হইবে; তবে এই সকল ক্ষেত্রেও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল হিসাবে দৈব চয়নের মাধ্যমে নির্ধারিত সংখ্যক চালান পরী ক্ষা করিতে হইবে; এবং 

 

(ঈ)  সকল ক্ষেত্রে সিটিজেন চার্টার যথাযথভাবে অনুসরণ করিতে হইবে এবং পণ্যের মান সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিতে      হইবে;

 

 

টেবিল

 

ক্রঃ নং

পণ্যের নাম

বিডিএস নং

1.      

সিমেন্ট পার্ট-১:

কম্পোজিশন, স্পেসিফিকেশন এন্ড কনফর্মিটি ক্রাইটেরিয়া ফর কমন সিমেন্ট 

বিডিএস ইএন ১৯৭-১: ২০০৩

2.      

জিপি শীট (উইথ করোগেশন)

বিডিএস-১১২২ : ১৯৮৭, রিএফার্মড ২০০৭

3.      

টয়লেট সোপ

বিডিএস-১৩ : ২০০৬ এমেন্ড ১ : ২০০৮

4.      

শ্যাম্পু, সিনথেটিক ডিটারজেন্ট বেজড

বিডিএস-১২৬৯ : ২০১৪

(২য় রিভিশন)

5.      

ডাবল ক্যাপড ফ্লোরোসেন্ট ল্যাম্পস পারফরমেন্স রিকোয়ারমেন্টস

বিডিএস-আইআইসি ৬০০৮১ : ২০০৬

6.      

ব্যালাস্ট ফর টিউবুলার ফ্লোরোসেন্ট ল্যাম্পস পারফরমেন্স রিকোয়ারমেন্টস

বিডিএস আইইসি-৬০৯২১ : ২০০৫

7.      

পারফরমেন্স এন্ড কন্সট্রাকশন অব ইলেকট্রিক সার্কুলেটিং ফ্যানস এন্ড রেগুলেটরস (সিলিং এন্ড ডেক হেড ফ্যানস, প্যাডাস্টাল ফ্যানস ও টেবিল/কেবিন ফ্যানস উইথ ইন-বিল্ট রেগুলেটরস)

বিডিএস-১৮১ : ১৯৯৮

এমেন্ডমেন্ট-১ : ২০০৬

8.      

প্রাইমারী ব্যাটারীজঃ-

 

(ক)

পার্ট-১ জেনারেল

বিডিএস আইইসি ৬০০৮৬

(পার্ট-১) : ২০০৫

 

(খ) 

পার্ট-২ ফিজিক্যাল এন্ড ইলেকট্রিক্যাল স্পেসিফিকেশন

বিডিএস আইইসি ৬০০৮৬

(পার্ট-২) : ২০০৫

(গ)

পার্ট-৩ ওয়াচ ব্যাটারীজ

বিডিএস আইইসি ৬০০৮৬

(পার্ট-৩) : ২০০৫

 ঘ)

পার্ট-৪ সেফটি অব লিথিয়াম ব্যাটারীজ

বিডিএস আইইসি ৬০০৮৬

(পার্ট-৪) : ২০০৫

(ঙ)

পার্ট-৫ সেফটি অব ব্যাটারীজ উইথ   এ্যাকুয়াস ইলেকট্রোলাইট

বিডিএস আইইসি ৬০০৮৬

(পার্ট-৫) : ২০০৫

9.      

কোকোনাট অয়েল

বিডিএস-৯৯ : ২০০৭

10.                         

সিরামিক তৈজসপত্র

বিডিএস-৪৮৫ : ২০০০,  এমেন্ডমেন্ট ১,২,৩ : ২০০৬

11.                         

মিল্ক পাউডার এন্ড ক্রীম পাউডার

বিডিএস সিএসি-২০৭ : ২০০৮

12.                         

বিস্কুট

বিডিএস-৩৮৩ : ২০০১

13.                         

লজেন্সেস

বিডিএস-৪৯০ : ২০০১

এমেন্ডমেন্ট- ১ : ২০০৭

14.                         

জ্যামস (ফ্রুট প্রিজার্ভস) এন্ড জেলীস

বিডিএস-সিএসি ৭৯ : ২০০৮

15.                         

সয়াবিন অয়েল

বিডিএস-৯০৯ : ২০০০

16.                         

চিনি

বিডিএস সিএসি-২১২ : ২০০৬

17.                         

ফ্রুটস এন্ড ভেজিটেবলস জুসেস

বিডিএস-৫১৩ : ২০১৩

18.                         

চীপস্/ক্রেকারস

বিডিএস-১৫৫৬ : ১৯৯৭,

এমেন্ডমেন্ট নং ১ :২০০৪

19.                         

হানি

বিডিএস-সিএসি-১২ : ২০০৭

20.                         

ফ্রুট কর্ডিয়েল

বিডিএস-৫০৮ : ২০০৬

21.                         

সস্ (ফ্রুট অর ভেজিটেবলস)

বিডিএস-৫১২ : ২০০৭

22.                         

টমেটো কেচাপ

বিডিএস-৫৩০ : ২০০২

23.                         

ইনফ্যান্ট ফর্মুলা এন্ড ফর্মুলাস ফর স্পেশাল মেডিকেল পারপাজেস ইনটেনডেড ফর ইনফ্যান্টস

বিডিএস/সিএসি-৭২ : ২০০৩

24.                         

 সফ্ট ড্রিংস্ পাউডার

বিডিএস-১৫৮৬ : ২০০৭

25.                         

ইন্সট্যান্ট নুডলস

বিডিএস-১৫৫২ : ২০০৭

26.                         

এডিবল সানফ্লাওয়ার অয়েল

বিডিএস-সিএসি-২৩ : ২০০২

27.                         

টুথপেষ্ট

বিডিএস-১২১৬ : ২০১২

(২য় রিভিশন)

28.                         

স্কিন ক্রীমস

বিডিএস-১৩৮২ : ২০১১ (১ম রিভিশন)

29.                         

স্কিন পাউডারস

বিডিএস-১৩৩৭ : ১৯৯১,

এমেন্ডমেন্ট-১ : ২০০৬

30.                         

লিপস্টিক

বিডিএস ১৪২৪ : ১৯৯৩, এমেন্ডমেন্ট-১,২ : ২০০৬

31.                         

আফটার সেভ লোশন

বিডিএস-১৫২৪ : ২০০৬

32.                         

টু-পিন প্লাগস এন্ড সকেট আউটলেটস

বিডিএস-১০২ : ২০০৫

33.                         

থ্রিপিন প্লাগস এন্ড সকেট আউটলেটস

বিডিএস-১১৫ : ২০০৫

34.                         

সুইচেস ফর হাউজহোল্ড এন্ড সিমিলার ফিক্সড ইলেকট্রিক্যাল ইন্সটলেশন পার্ট-১ জেনারেল রিকোয়ারমেন্ট

বিডিএস-আইইসি ৬০৬৬৯-১:২০০৭

35.                         

পলিয়েস্টার ব্লেন্ড স্যুটিং

বিডিএস-১১৭৫ : ২০১১ (২য় রিভিশন)

36.                         

পলিয়েস্টার ব্লেন্ড শার্টিং (মার্কেট ভ্যারাইটিজ)

বিডিএস-১১৪৮ : ২০১১ (২য় রিভিশন)

37.                         

সিরামিক টাইলস-ডেফিনিশনস্, ক্লাসিফিকেশন ক্যারেক্টারস্টিকস এন্ড মার্কিং

বিডিএস আইএসও ১৩০০৬ : ২০০৬

38.                         

টফিস

বিডিএস-১০০০ : ২০০১

39.                         

প্রসেসড সিরিয়াল বেইজড ফুডস ফর ইনফ্যান্টস এন্ড ইয়াং চিলড্রেন

বিডিএস সিএসি-০৭৪ : ২০০৭

40.                         

স্যানিটারী ওয়্যার এ্যাপ্লায়েন্সেস

বিডিএস-১১৬২ : ২০০৬

41.                         

কার্বনেটেড বেভারেজেস

বিডিএস-১১২৩ :  ২০১৩

42.                         

সেলফ-ব্যালাস্টেড ল্যাম্পস ফর জেনারেল লাইটিং সার্ভিসেস-পারফরমেন্স রিকোয়ারমেন্টস্

বিডিএস-১৭৩৪ :  ২০০৩

43.                         

ইলেকট্রনিক টাইপ ফ্যান রেগুলেট্রস্

বিডিএস ১৩২৩ : ১৯৯১, এমেন্ডমেন্ট ১ : ২০০৬

44.                         

ডেক্সট্রোজ মনোহাইড্রেট

বিডিএস সিএসি ৮ : ২০০৭

45.                         

লিকুইড গ্লুকোজ (গ্লুকোজ সিরাপ)

বিডিএস সিএসি ৯ : ২০০৬

46.                         

হেয়ার অয়েল

বিডিএস ১৩৩৯ : ১৯৯১, এমেন্ড ১,২ : ২০০৬

47.                         

রাইটিং এন্ড প্রিন্টিং পেপারস

বিডিএস ৪০৫ : ২০১২ (২য় রিভিশন)

48.                         

নিউজ প্রিন্ট

বিডিএস ৮৪৫ : ২০১২ (২য় রিভিশন)

49.                         

পেন্সিলস

বিডিএস ৩৩০ : ১৯৯৩, এমেন্ড ১ : ২০০৬

50.                         

বল পয়েন্ট পেনস

বিডিএস ১৩৮৪ : ২০০২, রিএফার্মড ২০০৭

51.                         

মশার কয়েল

বিডিএস ১০৮৯ : ২০০৭

52.                         

পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইশার

বিডিএস ৮২৫ : ১৯৯১, রিএফার্মড ২০০৭

53.                         

 সেফটি রেজার ব্লেডস

বিডিএস ২১৯ : ২০০২

54.                         

লেড এসিড স্টাট্যার ব্যাটারীজ (LAS BAtteries)

(ক) (অংশ-১) জেনারেল রিকোয়ারমেন্টস এন্ড মেথড অব টেস্ট

 

(খ) (অংশ-১) ডাইমেনসন্স অব ব্যাটারীজ এবং ডাইমেনসন্স এন্ড মাকিং অব টার্মিনালস

 

(গ) (অংশ-৩) ডাইমেনসন্স অব ব্যাটারীজ ফর হেভী কমার্শিয়াল ভেহিক্যালস

 

 

বিডিএস-২০৬ (অংশ-১) : ২০০২

 

 

বিডিএস-২০৬ (অংশ-২) : ২০০২

 

 

বিডিএস-২০৬(অংশ-৩) : ২০০২

55.                         

ব্ল্যাক টি ডেফিনিশন এন্ড বেসিক রিকোয়ারমেন্টস

বিডিএস আইএসও ৩৭২০ : ২০০৮

 

(খ)  এইচ এস কোড নম্বর ৭০১৩.১০.০০ হইতে ৭০১৩.৯৯.০০ এর অন্তর্ভুক্ত পাইরেক্স ও গ্লাসওয়্যার দ্রব্যাদি আমদানির ক্ষেত্রে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী মর্মে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্য সনদপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

 

(২৯) সকল প্রকার খেলনা ও বিনোদনমূলক পণ্য- প্রতিটি খেলনা কোন বয়সের শিশুর জন্য প্রযোজ্য হইবে উহা ‘‘খেলনার গায়ে অথবা প্যাকেটের গায়ে’’এমবুস করিয়া লিখা থাকিবে।

 

(৩০)      আলু বীজ- নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী পালন করিয়া আলু বীজ (এইচ এস হেডিং নম্বর ০৭.০১ এর এইচ এস কোড নম্বর ০৭০১.১০.১০ ও ০৭০১.১০.৯০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য) আমদানি করা যাইবে:-

                

(ক)  আমদানিকারকের কাগজপত্রের সহিত মূল সরবরাহকারী কর্তৃক প্রদত্ত উদ্ভিদ সংগরোধ (কোয়ারেন্টাইন) সংক্রান্ত প্রত্যয়ন পত্র এবং আলুবীজ রপ্তানিকারক দেশের সরকারি সংস্থা কর্তৃক Phytosanitary Certificate (উদ্ভিদ স্বাস্থ্য প্রমাণপত্র) রপ্তানি সংক্রান্ত দলিলাদির সঙ্গে আমদানিকারককে দাখিল করিতে হইবে;

 

(খ)  আমদানিকৃত আলুবীজ শুল্ক কর্তৃপক্ষ হইতে ছাড়করণের পূর্বে উহার সংগরোধ সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ হইতে গ্রহণ করিতে হইবে; এবং

 

(গ)  আলুবীজ আমদানির নিমিত্তে উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত আমদানি অনুমতিপত্র গ্রহণ সাপেক্ষে এল,সি খুলিতে হইবে।

 

(৩১) ধান বীজ-নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী পালন করিয়া ধান বীজ (এইচ এস হেডিং নম্বর ১০.০৬ এর এইচ এস কোড নম্বর ১০০৬.১০.১০ এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য) আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  আমদানিকারকের কাগজপত্রের সহিত মূল সরবরাহকারী কর্তৃক প্রদত্ত উদ্ভিদ সংগনিরোধ সংক্রান্ত প্রত্যয়ন পত্র এবং ধানবীজ রপ্তানিকারক দেশের সরকারি সংস্থা কর্তৃক Phytosanitary Certificate (উদ্ভিদ স্বাস্থ্য প্রমাণপত্র) রপ্তানি সংক্রান্ত দলিলাদির সঙ্গে আমদানিকারককে দাখিল করিতে হইবে;

 

(খ)  হাইব্রীড ধানবীজ আমদানির ক্ষেত্রে Phytosanitary Certificate এ Hot Water Treatment ও অনুমোদিত বালাই নাশক দ্বারা বীজ শোধন করা হইয়াছে মর্মে উল্লেখ থাকিতে হইবে;

(গ)  আমদানিকৃত ধানবীজ শুল্ক কর্তৃপক্ষ হইতে ছাড়করণের পূর্বে উদ্ভিদ সংগরোধ সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ হইতে গ্রহণ করিতে হইবে; এবং

 

(ঘ)   ধানবীজ আমদানির নিমিত্তে উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত আমদানি অনুমতিপত্র গ্রহণ সাপেক্ষে এল,সি খুলিতে হইবে।

 

(৩২)      কয়লা/পাথুরে কয়লা (হার্ড কোক)- (এইচ এস হেডিং নম্বর ২৭.০১ ও ২৭.০৪ এবং উহাদের বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতে কয়লা ও হার্ড কোক (পাথুরে কয়লা) আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সার্ভেয়ারের নিকট হইতে এই মর্মে প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন সার্টিফিকেট গ্রহণ করিতে হইবে যে, পণ্যের ঘোষিত পরিমাণ, মাপ ও গুণগতমান যথাযথ রহিয়াছে এবং পণ্যে সালফারের পরিমাণ ৩% (শতকরা তিন ভাগ) এর অধিক নাই।

 

(৩৩)      এম এস বিলেট- কেবল উত্তম মানের (প্রাইম কোয়ালিটি) এম এস বিলেট (এইচ এস হেডিং নম্বর ৭২.০৭ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) অর্থের উৎস নির্বিশেষে আমদানি করা যাইবে, তবে জাহাজীকরণের পূর্বে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি সম্পন্ন সার্ভেয়ার কর্তৃক পরিদর্শন সাপেক্ষে এম এস বিলেট আমদানিযোগ্য হইবে এবং প্রাক-জাহাজীকরণ পরিদর্শন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট মালামাল খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

 

(৩৪)      বয়লার- বয়লারের (এইচ এস হেডিং নম্বর ৮৪.০২ ও ৮৪.০৪ এবং উহাদের বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) গুণগত মান সম্পর্কে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সার্ভেয়ারের সনদপত্রের ভিত্তিতে বয়লার আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৩৫)      পরিমাপক যন্ত্র- (এইচ এস হেডিং নম্বর ৮৪.২৩ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল পণ্য) মেট্রিক পদ্ধতির উল্লেখ ব্যতীত প্রস্ত্ততকৃত ওজন, পরিমাপ, মাপিবার যন্ত্রপাতি যথা সকল ধরণের ওয়েইং স্কেল, দৈর্ঘ্য মাপক (স্টীল টেপ, কাঠের স্কেল, কাপড় মাপার জন্য দর্জিদের কাজে ব্যবহৃত ফ্লেক্সিবল টেপ, সেপ কাঠ) ও উহাদের যন্ত্রাংশ (সংযুক্ত বা বিযুক্ত অবস্থায়) আমদানি করা যাইবে না:

 

       তবে শর্ত থাকে যে, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারক বা ডিলারগণকে বাংলাদেশ ষ্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেষ্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এ নিবন্ধিত হইতে হইবে।

 

(৩৬)      ওজন ও বাটখারা- (এইচ এস হেডিং নম্বর ৯০.১৬ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) মেট্রিক পদ্ধতির উল্লেখ ব্যতীত প্রস্ত্ততকৃত ওজন পরিমাপক (বুরেট, পিপেট, বিকার, মেজারিং ফ্লাক্স, মেজারিং সিলিন্ডার ইত্যাদি) মাপিবার যন্ত্র (থার্মোমিটার, প্রেশার গেজ, টেক্সিমিটার, ওয়াটার মিটার ইত্যাদি) ও বাটখারা আমদানি করা যাইবে না:

 

তবে শর্ত থাকে যে, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারক বা ডিলারগণকে বাংলাদেশ ষ্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেষ্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর নিবন্ধিত হইতে হইবে।

 

(৩৭)      সমুদ্রগামী জাহাজ, অয়েল ট্যাংকার ও মৎস্য ট্রলার- সমুদ্রগামী জাহাজ, অয়েল ট্যাংকার ও মৎস্য ট্রলার (এইচ এস হেডিং নম্বর ৮৯.০১ ও ৮৯.০২ এবং উহাদের বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) ২৫ (পঁচিশ) বৎসরের অধিক পুরাতন হইলে আমদানিযোগ্য হইবে না।

 

(৩৮)      সকল প্রকার যুদ্ধ জাহাজ- সকল প্রকার যুদ্ধ জাহাজ (নূতন এবং পুরাতন উভয়েই) (এইচ এস হেডিং নম্বর ৮৯.০৬ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) কেবল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৩৯)      স্ক্র্যাপ ভেসেল - স্ক্র্যাপ ভেসেল (এইচ এস হেডিং নম্বর ৮৯.০৮) আমদানির ক্ষেত্রে, শিপিং ডকুমেন্টের সহিত, ‘‘জাহাজে ইনবিল্ট দ্রব্যাদি ব্যতীত অন্য কোন বিষাক্ত বা বিপজ্জনক বর্জ্য পরিবহন করা হইতেছে না’’ মর্মে সর্বশেষ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান বা মালিকের প্রত্যয়নপত্র এবং আমদানিকারকের ঘোষণাপত্র দাখিল করিতে হইবে:

 

তবে শর্ত থাকে যে, জাহাজ ভাঙ্গার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১নং আইন) এবং এতদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করিতে হইবে।

 

(৪০) তরবারী ও বেয়োনেটসহ সকল পণ্য- তরবারী ও বেয়োনেটসহ সকল পণ্য (এইচ এস হেডিং নম্বর ৯৩.০৭ এবং উহার বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য সকল এইচ এস কোড নম্বর) কেবল ব্যবহারকারী সংস্থাসমূহ কর্তৃক পোষক বা প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৪১) প্রাণী, উদ্ভিদ ও উদ্ভিজ পণ্য- প্রাণী, উদ্ভিদ ও উদ্ভিজ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কোয়ারান্টাইন শর্তাবলী প্রযোজ্য হইবে এবং উদ্ভিদ ও উদ্ভিদ জাত পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ আইন, ২০১১ প্রযোজ্য হইবে।

 

(৪২) টায়ার কর্ড ফেব্রিক্স- টায়ার কর্ড ফেব্রিক্স (সেকেন্ডারী কোয়ালিটি) মাছ ধরার জাল তৈরী উপযোগী সেকেন্ডারী কোয়ালিটির টায়ার কর্ড ফেব্রিক্স বাণিজ্যিক ভিত্তিতে অবাধে আমদানিযোগ্য হইবে।

 

 

(৪৩)      পরিশোধিত এডিবল অয়েল- পরিশোধিত এডিবল অয়েল নিম্নবর্ণিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  পরিশোধিত এডিবল অয়েল বাল্ক আকারে পরিশোধিত এডিবল অয়েল বহনকারী ট্যাংকারে আমদানি করিতে হইবে;

 

(খ)  উক্ত পণ্য খালাসের পর পরিশোধিত এডিবল অয়েল সংরক্ষণ উপযোগী ট্যাংক টারমিনালে সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং সংশ্লি­ষ্ট আমদানিকারককে উক্ত পণ্য দেশের অভ্যন্তরে পরিবহন বা সরবরাহ করার সময় উহা অবশ্যই পরিশোধিত এডিবল অয়েল বহনকারী ট্যাংকারে বা নূতন কনটেইনারে পরিবহন বা সরবরাহ করিতে হইবে;

 

(গ)  আমদানিতব্য পরিশোধিত এডিবল অয়েল রপ্তানিকারক দেশের ষ্ট্যান্ডার্ড মান সম্পন্ন এবং বাংলাদেশের বিএসটিআই মান সম্পন্ন হইতে হইবে এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে উভয় দেশের কর্তৃপক্ষের বৈধ সনদপত্র পণ্য খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে;

 

(ঘ)   ড্রাম বা বোতল বা কনটেইনারে আমদানির ক্ষেত্রে উহাদের গায়ে পণ্য উৎপাদনের ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ থাকিতে হইবে; এবং

 

(ঙ)  অনুচ্ছেদ ১৬ এর বিধানাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করিতে হইবে।

 

(৪৪) মুরগীর বাচ্চা- কেবল ১ (এক) দিনের মুরগীর বাচ্চা (এইচ,এস, হেডিং নম্বর ০১.০৫) নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  আমদানিতব্য বাচ্চা সংক্রামক ব্যাধিমুক্ত এই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের পশু সম্পদ বিভাগের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সনদপত্র থাকিতে হইবে;

 

(খ)  রপ্তানিকারক দেশ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা মুক্ত এই মর্মে World Organization of Animal Health এর সার্টিফিকেট দাখিল করিতে হইবে;

 

(গ)  আমদানিকারককে অবশ্যই ঋণপত্র খোলার সময় তাহার হ্যাচারী বা ব্রীডার ফার্ম রহিয়াছে এই মর্মে পশুসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র ব্যাংকে প্রদর্শন করিতে হইবে।

 

(৪৫) হাঁস-মুরগী ও পাখির ডিম- হাঁস-মুরগী ও পাখির ডিম (এইচ,এস, হেডিং নম্বর ০৪.০৭ ও কোড নম্বর ০৪০৭.০০.০০) হাঁস-মুরগী ও পাখির ডিম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে নিম্নলিখিত শর্তে আমদানি করা যাইবে, যথা:-

 

(ক)  Avian Influenza বা Bird Flu মুক্ত দেশ থেকে সীমিত আকারে ডিম আমদানি করিতে হইবে; এবং

 

(খ) আমদানিকৃত ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রপ্তানিকারক দেশের প্রাণিসম্পদ বিভাগ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক Avian Influenza বা Bird Flu ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুক্ত মর্মে সনদ থাকিতে হইবে।

 

(৪৬) গবাদিপশুর হিমায়িত সীমেন- (এইচ,এস, হেডিং নম্বর ০৫.১১ এর এইচ,এস, কোড নম্বর ০৫১১.১০.০০) গবাদিপশুর হিমায়িত সীমেন ও এমব্রায়ো (Embryo), ফ্রিজিয়ান, ফ্রিজিয়ান ক্রস, শাহিওয়াল, শাহিওয়াল ক্রস, ফ্রিজিয়ান-শাহিওয়াল ক্রস, এএফএস, এএফএস ক্রস জাতের গবাদি পশুর হিমায়িত সীমেন (ডিপ ফ্রোজেন সীমেন) ব্যতীত অন্যান্য গরুর সীমেন আমদানি নিষিদ্ধ, তবে ফ্রিজিয়ান, ফ্রিজিয়ান ক্রস, শাহিওয়াল, শাহিওয়াল ক্রস, ফ্রিজিয়ান-শাহিওয়াল ক্রস, এএফএস, এএফএস ক্রস, ব্রামাহ (Bramah), Murrah, Nilliravi এবং Mediterannean মহিষের জাতের গবাদি পশুর হিমায়িত সীমেন (ডিপ ফ্রোজেন সীমেন), এমব্রায়ো (Embryo) আমদানি করা যাইবে।

 

(৪৭) আমদানিকৃত গবাদি পশুর হিমায়িত সীমেনের সনদপত্র-উপ-অনুচ্ছেদ (৪৬) এ উল্লিখিত সীমেনের জাত এবং উহা সংক্রামক ও যৌনব্যাধিমুক্ত এবং রপ্তানিকারক দেশ Bovine Spongiform Encephalopathy (BSE) মুক্ত এই মর্মে উক্ত দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সনদপত্র থাকিতে হইবে; সিমেন (ডিপ ফ্রোজেন সিমেন) এবং এমব্রায়ো(Embryo) বন্দরে পৌঁছার সাথে সাথে সরকার অনুমোদিত পরীক্ষাগারে সিমেন ও এমব্রায়ো এর গুণগত মান পরীক্ষা করাইতে হইবে।

 

(৪৮)      ইথানল (ইথাইল এ্যালকোহল)- ইথানল (ইথাইল এ্যালকোহল) এনালার গ্রেড (আনডিনেচার্ড) ব্যতীত সকল পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ:

 

তবে শর্ত থাকে যে, কেবল ইথানল (ইথাইল এ্যালকোহল) এনালার গ্রেড (আনডিনেচার্ড) স্বীকৃত ঔষধ শিল্প কর্তৃক ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতি ও নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৪৯) সাউন্ড ট্র্যাকসহ/ট্র্যাক ছাড়া চলচ্চিত্র-

 

(ক)  ইংরেজী ভাষায় প্রস্ত্ততকৃত ছায়াছবি, কোন প্রকার সাব-টাইটেল ব্যতিত এবং অন্যান্য ভাষায় প্রস্ত্ততকৃত, উপ-মহাদেশীয় ভাষা ব্যতিত, ছায়াছবি বাংলা অথবা ইংরেজী সাব-টাইটেলসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে;

 

(খ)  উপ-মহাদেশীয় ভাষায় প্রস্ত্ততকৃত কোন ছায়াছবি, সাব-টাইটেলসহ বা সাব-টাইটেল ব্যতীত, আমদানি করা যাইবে নাঃ

             

তবে শর্ত থাকে যে, এফডিসি এর সুনির্দিষ্ট সুপারিশের ভিত্তিতে যৌথ প্রযোজনায় তৈয়ারী ছায়াছবির প্রিন্ট নেগেটিভ আমদানি বা রপ্তানির জন্য, প্রয়োজন অনুসারে, আমদানি বা রপ্তানি পারমিট প্রদান করা যাইবে;

      

(গ) বাংলাদেশে নির্মিত চলচ্চিত্র রপ্তানির বিপরীতে SAFTA ভুক্ত দেশগুলি হইতে সমান সংখ্যক চলচ্চিত্র তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি সাপেক্ষে আমদানি করা যাইবে;

 

(ঘ)   সকল ছায়াছবি আমদানি সেন্সর বিধি সাপেক্ষে হইবে।

 

[ব্যাখা।- দফা (ক) এবং (খ) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘‘উপ-মহাদেশীয় ভাষা’’ অর্থ পাক-ভারত উপ-মহাদেশে (Indo-Pak-Sub Continent) প্রচলিত যে কোন ভাষা।]

 

(৫০) পুরাতন, রিকন্ডিশনড্ ইঞ্জিন ও গিয়ার বক্স-

                  

(ক)  বাস, ট্রাক, কার, মিনিবাস ও মাইক্রোবাসের পুরাতন বা রিকন্ডিশনড্ ইঞ্জিন ও গিয়ার বক্স বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমদানিযোগ্য, তবে এইরূপ ইঞ্জিন ও গিয়ার বক্স আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকৃত পণ্যের অর্থনৈতিক আয়ুস্কাল কমপক্ষে ৭ (সাত) বৎসর রহিয়াছে এই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের শিল্প ও বণিক সমিতি অথবা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সার্ভেয়ারের নিকট হইতে প্রত্যয়নপত্র  পণ্যাদি খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে; এবং

 

(খ) কোষ্টার, লঞ্চ, স্বয়ং চালিত বার্জ এবং এই ধরণের অন্যান্য জলযানে ব্যবহার্য ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) অশ্ব শক্তির অধিক শক্তি সম্পন্ন সেকেন্ডহ্যান্ড বা রিকন্ডিশনড্ বা মেরিন ডিজেল ইঞ্জিন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৫১) টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যন্ত্রপাতি-

 

(ক)  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন হইতে বেতার ফ্রিকুয়েন্সি ব্যবহারের অনুমতি সাপেক্ষে এবং উক্ত ফ্রিকুয়েন্সীতে ব্যবহৃতব্য বেতার যন্ত্রপাতি আমদানির অনাপত্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেসরকারি টেলিভিশন এবং বেসরকারি রেডিও কর্তৃক রেডিও ট্রান্সমিটার ও ট্রান্সরিসিভার ওয়্যারলেস ইকুইপমেন্ট, ওয়াকিটকি এবং সাউন্ড রেকর্ডার বা রিপ্রডিউসারসহ অন্যান্য রেডিও ব্রডকাষ্ট রিসিভার আমদানিযোগ্য হইবে;

 

(খ) সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন এর অনাপত্তির ভিত্তিতে এই উপ-অনুচ্ছেদের দফা (ক) এ উল্লিখিত সরকারি সংস্থা ছাড়াও অন্যান্য সরকারি, আধা সরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা এবং বেসরকারি খাতেও দফা (ক) এ উল্লিখিত পণ্যাদি আমদানিযোগ্য হইবে; এবং

(গ)  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন হইতে আমদানির অনাপত্তি সাপেক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক অন্যান্য টেলিযোগাযোগ যন্ত্রাদি আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৫২) রেডিও নেভিগেশনাল এইড এ্যাপারেটাস, রাডার এ্যাপারেটাস এবং রেডিও রিমোট কন্ট্রোল এ্যাপারেটাস- রেডিও নেভিগেশনাল এইড এ্যাপারেটাস, রাডার এ্যাপারেটাস এবং রেডিও রিমোট কন্ট্রোল এ্যাপারেটাস পোষক মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে ব্যবহারকারী এজেন্সী কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৫৩)      ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যান- ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যানসহ সকল পণ্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৫৪) সমরাস্ত্রসহ সকল পণ্য- সমরাস্ত্রসহ সকল পণ্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৫৫) কম্ব্যাট কাপড়- কেবল প্রতিরক্ষা এবং আইন শৃংখলা রক্ষাকারী সার্ভিসসমূহ কর্তৃক কম্ব্যাট কাপড় আমদানিযোগ্য হইবে।

 

(৫৬) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য- ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য দ্বারা প্রস্ত্ততকৃত বা উক্ত দ্রব্য সম্বলিত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৪ অনুসরণ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(৫৭) উড প্যাকিং ম্যাটেরিয়ালস বা যন্ত্রপাতি- উড প্যাকিং ম্যাটেরিয়ালস বা যন্ত্রপাতিসহ সকল প্রকার পণ্য আমদানিতে কাঠ বা কাঠ জাতীয় দ্রব্যাদি যাহা প্যাকিং ম্যাটেরিয়াল্স হিসাবে ব্যবহৃত হয় তাহা আমদানির ক্ষেত্রে IPPC (International Plant Protection Convention) এর ISPM-15 (International Sanitary and Phytosanitary Measures-15) নীতি অনুসরণে রপ্তানিকারক দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি  সংস্থা কর্তৃক কাঠ ও কাঠ জাতীয় দ্রব্য Heat Treatment দ্বারা জীবানুমুক্ত করিয়া উহার Phytosanitary Certificate (উদ্ভিদ স্বাস্থ্য প্রমাণপত্র) রপ্তানি সংক্রান্ত দলিলাদির সহিত আমদানিকারককে সংশ্লিষ্ট উদ্ভিদ সংগরোধ কর্তৃপক্ষের নিকট ছাড়পত্রের জন্য দাখিল করিতে হইবে।

 

(৫৮)      লবণ-সাধারণ লবণ (এইচ এস হেডিং নম্বর ২৫.০১) (পরিশোধিত বা বোল্ডার বা অন্যবিধ) আমদানিযোগ্য হইবে না; তবে, Customs Act, 1969 (Act IV of 1969) এর FIRST SCHEDULE এর চ্যাপ্টার ২৮ ও ২৯ এর আওতাভুক্ত কেমিক্যাল প্রোডাক্টস উৎপাদনকারী স্বীকৃত শিল্প প্রতিষ্ঠান (সোডিয়াম ক্লোরাইড বা অন্যবিধ কোন লবণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত) কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শিল্পের মৌলিক কাঁচামাল হিসাবে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদিত ব্লক লিস্ট অনুযায়ী স্বীকৃত ঔষধ শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক লবণ আমদানি করা যাইবে।

 

(৫৯) পরিশিষ্ট-৩ এ উল্লিখিত কেমিক্যাল- এই আদেশের পরিশিষ্ট ৩ এ উল্লিখিত কেমিক্যালসমূহ, রাসায়নিক অস্ত্র (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৭ নং আইন) এবং উহার অধীনে প্রণীত তালিকাভুক্তিকরণ বিধিমালা, ২০১০ এর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে, আমদানি করা যাইবে।

 

(৬০) কাঁচাতুলা- আমেরিকান কটন অর্থাৎ Western Hemisphere এলাকায় উৎপাদিত এবং প্যাকিংকৃত সকল কাঁচাতুলা আমদানির ক্ষেত্রে ফিউমিগেশন বাধ্যতামূলক।

 

সূচীপত্র

 

সপ্তম অধ্যায়

সরকারি খাতের আমদানিকারকগণ কর্তৃক আমদানি

 

২৭।  সরকারি খাতে আমদানি।-(১) সরকার কর্তৃক সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের বিপরীতে মন্ত্রণালয় এবং সরকারি বিভাগসমূহ আমদানি লাইসেন্স বা পারমিট ব্যতিরেকে পণ্য আমদানি করিতে পরিবে; তবে উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে উদ্ভিদ সংগনিরোধ আইন, ২০১১ অনুযায়ী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে ছাড়পত্র গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(২)   প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যতীত অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সরকারি বিভাগ কর্তৃক পণ্যসামগ্রী আমদানি- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যতীত অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সরকারি বিভাগ কর্তৃক পণ্যসামগ্রী আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলার পূর্বে প্রথমে নিজ মনোনীত ব্যাংকের মাধ্যমে যথাযথভাবে এল,সি অথরাইজেশন ফরম জারি করাইতে হইবে।

 

(৩)  সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের বিপরীতে আমদানি- সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের বিপরীতে সকল সরকারি সংস্থা, কর্পোরেশন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বরাদ্দের বিপরীতে আমদানিযোগ্য পণ্য আমদানি করিতে পারিবে; অনুরূপভাবে সকল যোগ্য আমদানিকারকগণ তাহাদের অনুকূলে বরাদ্দের মাধ্যমে বা উপ-বরাদ্দের মাধ্যমে কোন আমদানি লাইসেন্স ব্যতিরেকেই সরাসরি তাহাদের মনোনীত ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানিযোগ্য পণ্যের জন্য এল,সি,এ ফরমের ভিত্তিতে ঋণপত্র খুলিতে পারিবেন।

 

(৪)  শিল্প প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা কর্তৃক সরকারি বরাদ্দের বিপরীতে আমদানি- বৈদেশিক মুদ্রার সংস্থান সাপেক্ষে সরকারি বরাদ্দের বিপরীতে আমদানির জন্য সরকারি খাতের সকল শিল্প প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার অনুকূলে উহাদের প্রয়োজন মিটাইবার জন্য আনুপাতিক হারে অর্থ বরাদ্দ করা যাইতে পারে, এইরূপ সরকারি আমদানিকারকগণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত সকল পণ্য উহাদের সামগ্রিক বরাদ্দের মধ্যে যে কোন অনুপাতে আমদানি করিতে পারিবে, তবে তাহারা উহাদের আমদানিকৃত মালামাল কোন অবস্থাতেই অপ্রক্রিয়াজাত অবস্থায় বিক্রি, হস্তান্তর বা অন্য কোনভাবে ব্যবহার করিতে পারিবে না।

 

(৫)  নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় অনুমোদিত আমদানি- সরকারি খাতের আমদানিকারকগণ সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত নগদ বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানিযোগ্য যে কোন পণ্য আমদানি করিতে পারিবে।

 

(৬)  সরকারি খাতে আমদানি নিবন্ধন সনদের প্রয়োজনীয়তা- সরকারি খাতের আমদানিকারকগণের ক্ষেত্রে আমদানি নিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হইবে না।

 

(৭)  সি এ ডি এর ভিত্তিতে আমদানি- বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধাতির পদ্ধতিতে সরকারি সংস্থাসমূহ ‘‘ক্যাশ এগেইনষ্ট ডেলিভারী (সিএডি)’’ এর ভিত্তিতে আমদানি করিতে পারিবে।

 

(৮)  সরকারি ক্রয় এর আওতায় সরকারি ক্রয়কারী কর্তৃক পণ্য আমদানি - সরকারি সংস্থা কর্তৃক পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত শর্তসমূহ পূরণ করিতে হইবে, যথা:-

      (ক)  পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ ও পাবলিক     প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ অনুসরণে সম্পাদিত চুক্তি অনুসৃত হইবে; এবং

      (খ)  নগদ অর্থ এবং শর্তযুক্ত ঋণ অথবা অনুদানের অধীনে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নিবন্ধনপ্রাপ্ত        ইনডেন্টর বা বিদেশী সরবরাহকারীর নিকট হইতে ঋণচুক্তির শর্তানুসারে দরপত্র নিতে হইবে:

 

তবে শর্ত থাকে যে, নিজস্ব পণ্য (প্রোপ্রাইটরী আইটেম) আমদানির ক্ষেত্রে বা চালান মূল্য এক লক্ষ টাকার কম হইলে এই শর্ত প্রযোজ্য হইবে না।

 

(9)   জাহাজীকরণের পূর্বে মালামাল পরিদর্শন- যে সকল ক্ষেত্রে একটি মাত্র পণ্যের মূল্য ৫০,০০,০০০.০০ (পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা বা উহার অধিক সেই সকল ক্ষেত্রে আমদানিকারক সংস্থা জাহাজীকরণের পূর্বে মালামাল পরিদর্শনের ব্যবস্থা করাইবেন।

 

(১০) জাহাজীকরণের পূর্বে একটি আন্তর্জাতিক মানের সমীক্ষক দ্বারা পণ্য পরিদর্শন করাইতে হইবে:

 

তবে শর্ত থাকে যে, সরকারি সংস্থা কর্তৃক আমদানিকৃত মালামাল প্রাক-পরিদর্শন সনদ ছাড়াই ছাড় করানো যাইবে, যদি আমদানিকারক সংস্থার প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় এই মর্মে প্রত্যয়ণ করে যে, মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রাক-পরিদর্শনের শর্ত সংশ্লি­ষ্ট আমদানির ক্ষেত্রে শিথিল করা হইয়াছে অথবা কোন একটি নির্দিষ্ট চালানের ক্ষেত্রে প্রাক-পরিদর্শন প্রয়োজনীয় বলিয়া বিবেচিত হয় নাই।

 

(১১) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টি সি বি) কর্তৃক আমদানি- টিসিবি যে কোন আমদানিযোগ্য পণ্য, অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে নির্দিষ্ট সময় সীমার মধ্যে অনুমোদিত পরিমাণ নিষিদ্ধ বা শর্তযুক্ত পণ্য আমদানি করিতে পারিবে এবং টিসিবি এই আদেশে প্রদত্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক আমদানি সংক্রান্ত সকল সুবিধা ভোগ করিবে।

সূচীপত্র

 

অষ্টম অধ্যায়

ইম্পোর্ট ট্রেড কন্ট্রোল (আই টি সিকমিটি

 

২৮।  আইটিসি কমিটি।- (১) আমদানিকারক এবং শুল্ক কর্তৃপক্ষের মধ্যে আমদানিকৃত পণ্যের আইটেমের শ্রেণীবিন্যাস অথবা বিবরণ সম্পর্কে কোন বিরোধের ক্ষেত্রে, আমদানিকারক চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, বেনাপোল এবং সিলেটে গঠিত সংশ্লি­ষ্ট স্থানীয় আই,টি,সি কমিটির নিকট বিষয়টি ন্যায়সংগত নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।

 

(২)   প্রধান নিয়ন্ত্রক, স্থানীয় শিল্প ও বণিক সমিতি এবং শুল্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি সমন্বয়ে স্থানীয় আই,টি,সি কমিটি গঠিত হইবে এবং আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের প্রতিনিধি এই কমিটির প্রধান হইবেন। 

 

(৩)  বিশেষ কোন শ্রেণীর পণ্য সম্পর্কে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন থাকিলে ঐ শ্রেণীর প্রতিনিধিত্বকারী সংশ্লিষ্ট পেশাভিত্তিক সমিতির প্রতিনিধিকে স্থানীয় আই,টি,সি কমিটির সভায় যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানাইতে হইবে।

 

(৪)   স্থানীয় আই,টি,সি কমিটিতে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারককে তাহার বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদান করিতে হইবে এবং উক্ত কমিটি কর্তৃক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে।

 

(৫)   আমদানিকারক স্থানীয় আই,টি,সি কমিটির সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হইলে প্রধান নিয়ন্ত্রকের সভাপতিত্বে এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, সংশ্লি­ষ্ট পোষক ও ফেডারেশন অব চেম্বারস অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় আই,টি,সি কমিটির বরাবরে আপীল করিতে পারিবেন।

 

(৬)  আমদানিকারক আপীল পর্যায়ের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হইলে Review, Appeal and Revision Order, 1977 এর বিধান অনুসারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের নিকট রিভিশন আবেদন করিতে পারিবেন।

 

(৭)  আপীল আবেদন ছাড়াও প্রধান নিয়ন্ত্রক আই,টি,সি সম্পর্কিত যে কোন কেস, প্রয়োজনবোধে, কেন্দ্রীয় আই, টি, সি কমিটির নিকট উপস্থাপন করিতে পারিবেন।

সূচীপত্র

 

নবম অধ্যায়

   স্বীকৃতিপ্রাপ্ত চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এবং ট্রেড এসোসিয়েশন এর বাধ্যতামূলক সদস্য পদ

 

২৯।  সদস্য পদ গ্রহণ ইত্যাদি।- (১) সকল আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও ইনডেন্টরকে স্বীকৃত শিল্প ও বণিক সমিতির অথবা সমগ্র বাংলাদেশ ভিত্তিক তাহার নিজ ব্যবসার প্রতিনিধিত্বকারী সংশ্লি­ষ্ট ট্রেড এসোসিয়েশনের সদস্য পদ বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ করিতে হইবে:

 

তবে শর্ত থাকে যে, জনস্বার্থে সরকার এই ধারার বিধান হইতে যে কোন আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও ইনডেন্টরকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন (ট্রেড এসোসিয়েশনের তালিকা পরিশিষ্ট-৪)।

 

(২)   যে সকল ক্ষেত্রে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও ইনডেন্টরগণকে স্বীকৃত শিল্প ও বণিক সমিতি অথবা সমগ্র বাংলাদেশ ভিত্তিক বা ট্রেড এসোসিয়েশনের সাময়িক সদস্য পদ প্রাথমিক সদস্যপদের বিপরীতে আইআরসি বা ইআরসি জারি করা হইবে সেই সকল ক্ষেত্রে তাহাদের আইআরসি বা ইআরসি এর মেয়াদ সাময়িক সদস্য পদ বা প্রাথমিক সদস্য পদের মেয়াদ পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে এবং পরবর্তীতে স্থায়ী বা নিয়মিত সদস্য সনদপত্র দাখিল করা হইলে সাময়িক ইআরসি বা আইআরসি ফেরত নেওয়ার পর স্থায়ী বা নিয়মিত আইআরসি বা ইআরসি জারী করা হইবে ।

সূচীপত্র

 

পরিশিষ্ট-

নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা

 

‘ক’ অংশ

এইচ এস হেডিং নম্বর

এইচ এস কোড নম্বর

পণ্যের বিবরণ ও বিধান

০৩.০৬

সকল এইচ এস কোড

চিংড়ি মাছ আমদানি নিষিদ্ধ।

১২.০৭

সকল এইচ এস কোড

পপি সীড ও পোস্ত দানা আমদানি নিষিদ্ধ (মসল্লা হিসাবে অথবা অন্য কোন ভাবেও পোস্ত দানা আমদানি যোগ্য হইবে না)।

১২.১১

সকল এইচ এস কোড

ঘাস (এনড্রোপোজেন এসপিপি) এবং ভাং (ক্যানাবিস সাটিভা) আমদানি নিষিদ্ধ।

১৩.০২

সকল এইচ এস কোড

আফিম আমদানি নিষিদ্ধ। আগরআগর ও পেকটিন ব্যতীত সকল পণ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং ঔষধ শিল্প ব্যতীত অন্যান্য শিল্পের জন্য আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পোষক/মন্ত্রণালয়/সংস্থা এর পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

২৩.০৭

২৩০৭.০০.০০

ওয়াইন লীজ, আরগোল আমদানি নিষিদ্ধ।

২৭.১০

২৭১০.০০.৭১

(ক) নিজস্ব শিল্প কারখানা/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য ফার্ণেস অয়েল আমদানির ক্ষেত্রে:-

(1) Bangladesh Petroleum Act, 1974 (Act LXIX of 1974) এবং সময় সময়, সরকার কর্তৃক জারিকৃত এতদ্সম্পর্কিত বিধি-বিধান আমদানিকারকগণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে;

(2) আমদানিতব্য ফার্ণেস অয়েলের পরিমাণ ও গুণগতমান  আমদানিকারক কর্তৃক বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনকে প্রতি মাসের ৫(পাঁচ) তারিখের মধ্যে অবহিত করিতে হইবে; এবং

(3) আমদানিকারককে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিস্ফোরক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স গ্রহণ করিতে হইবে।

(খ) অন্যান্য ব্যবহারকারীদের নিকট বিক্রয়/বিপণনের জন্য আমদানির ক্ষেত্রে:-

(1) Bangladesh Petroleum Act, 1974 (Act LXIX of 1974) এর বিধান অনুসারে এতদ্বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করিতে হইবে এবং সময় সময় সরকার কর্তৃক জারিকৃত এতদ্সম্পর্কিত বিধি-বিধান প্রযোজ্য হইবে;

(2) বিক্রিতব্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের গুণগতমান বিএসটিআই এর স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী হইতে হইবে;

(3) আমদানিকারককে ফার্ণেস অয়েল সংগ্রহ, মজুদ ও বিপণনের যাবতীয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে;

(4) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ও বিএসটিআই এর প্রতিনিধিদল বিক্রিতব্য পণ্যের গুণগতমান পরীক্ষার জন্য যে কোন সময়ে আমদানিকারকের যে কোন স্থাপনা  পরিদর্শন করিতে পারিবে;

   

(5) আমদানিকৃত ফার্ণেস অয়েল বাজার মূল্যে বিক্রয় করিতে হইবে;

(6) আমদানিকারককে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিস্ফোরক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সংগ্রহ করিতে হইবে;

(7) কেবল ফার্ণেস অয়েল ব্যবহারকারী শিল্প কারখানার নিকট সরাসরি ফার্ণেস অয়েল বিক্রয় করিতে হইবে; এবং

      (৮) মাসিক আমদানিকৃত এবং বিপণনকৃত ফার্ণেস অয়েলের পরিমাণ ও     গুনগতমান উল্লেখপূর্বক প্রতি মাসের ৫ (পাঁচ) তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করিতে হইবে।

২৭.১১

সকল এইচ এস কোড

লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি), লিকুইফাইড প্রপ্রেন ও বিউটেনস(যাহা এলপিজি’র অংগ) ব্যতীত পেট্রোলিয়াম গ্যাস এবং অন্যান্য গ্যাসীয় হাইড্রো-কার্বন আমদানি নিষিদ্ধ।

২৭.১৩

সকল এইচ এস কোড

পেট্রোলিয়াম কোক এবং পেট্রোলিয়াম বিটুমিন ব্যতীত পেট্রোলিয়াম তৈলের রেসিডিউ সমূহসহ সকল পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ।

২৯.২৯

২৯২৯.৯০.০০

ঘন চিনি  (Sodium Cyclamate ) আমদানি নিষিদ্ধ।

২৯.৩০

২৯৩০.৯০.০০

কৃত্রিম সরিষার তৈল (এ্যালাইল আইসোথায়ো সায়োনেট) আমদানি নিষিদ্ধ।

৩৮.০৮

সকল এইচ এস কোড

হেপ্টক্লোর-৪০, ডল্লিউপি, ডিডিটি, ডাইক্রোটোপস জেনেরিক নামে বাইড্রিন ব্রান্ড, মিথাইল ব্রোমাইড, ক্লোরেডেন-৪০ ডব্লিউপি এবং ডায়েলড্রিন নামক কীটনাশকসমূহ আমদানি নিষিদ্ধ; তবে এই এইচ এস হেডিং এর বিপরীতে শ্রেণীবিন্যাসযোগ্য অন্যান্য পণ্যসমূহ নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য, যথা:-

(ক) এই আদেশের অনুচ্ছেদ ২৬ এর উপ-অনুচ্ছেদ (১৪) তে বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য;

(খ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সার্টিফিকেট ও নিশ্চয়তা প্রদানের ভিত্তিতে কেবল জনস্বাস্থ্যে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সংশ্লি­ষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে সিনথেটিক পাইরিথ্রয়েড গ্রম্নপের ডেলট্রামেথ্রিন আমদানি করা যাইবে;

(গ) নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে সিনথেটিক পাইরিথ্রয়েড গ্রুপের-

(1)               Cyhalothrin,

(2)               Cypermethrin,

(3)               Cyfluthrin,

(4)               Fenvelarate,

(5)               Alpha Cypermethrin,

(6)               Es-Fenvalerate,

(7)               Deltamethrin,

(8)               Danitol 10 EC (Fenpropathrin)

কীটনাশক আমদানি করা যাইবে, যথা:-

(অ) আমদানিকৃত কীটনাশকের বিবরণ অবশ্যই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে প্রদান করিতে হইবে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উহার ব্যবহার মনিটর করিবে;

 

(আ) Pesticide Rules, 1985 মোতাবেক অনুমোদিত মাত্রা অনুযায়ী উহা ব্যবহার করিতে হইবে।

৫৬.০৮

সকল এইচ এস কোড

৪.৫ সেন্টিমিটার এর কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট মাছ ধরার জাল তথা কারেন্ট জাল (গীলনেট) আমদানি নিষিদ্ধ; তবে ৪.৫ সেন্টিমিটার এবং তদূর্ধ্ব ফাঁস বিশিষ্ট জাল Marine Fisheries Ordinance, 1983 (Ord. No. XXXV of 1983) এর আওতায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পূর্বানুমোদনক্রমে কেবল ডীপ সি ফিশিং নৌযান কর্তৃক আমদানিযোগ্য হইবে; মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রতি বৎসর ট্রলার প্রতি এক জন আমদানিকারককে ৪.৫ সেন্টিমিটার ব্যাস ফাঁস বিশিষ্ট জালের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ৮(আট) ব্যাগ-স্যাক পর্যন্ত আমদানির অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন।

৬৩.০৫

৬৩০৫.৩৩.০০

পলিপ্রোপাইলিন ব্যাগ ও পলিইথিলিন ব্যাগ আমদানি নিষিদ্ধ।

৮৪.০৮

৮৪০৮.৯০.১০

৮৪০৮.৯০.২০

৮৪০৮.৯০.৯০

থ্রি হুইলার যানবাহনের (টেম্পু, অটোরিক্সা ইত্যাদি) দুই স্ট্রোক ইঞ্জিনসহ চেসিস আমদানি নিষিদ্ধ।

৮৭.০১ হইতে ৮৭.০৪

সকল এইচ এস কোড

(ক) যে কোন সিসি এর মোটর কার, মাইক্রোবাস, মিনিবাস, জীপসহ অন্যান্য পুরাতন যানবাহন এবং ট্রাক্টর নিম্নবর্ণিত শর্তে আমদানিযোগ্য, যথা:-

(১) জাহাজীকরণ করিবার ক্ষেত্রে কোন যানবাহনই ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক পুরাতন হইবে না;

(২) যে দেশে গাড়ী তৈরী হইয়াছে কেবল সেই দেশ (কান্ট্রি অব অরিজিন) হইতেই পুরাতন গাড়ী আমদানি করা যাইবে; তৃতীয় কোন দেশের মাধ্যমে পুরাতন গাড়ী আমদানি করা যাইবে না; তবে শর্ত থাকে যে, ব্যক্তিগত ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পুরাতন গাড়ী তৃতীয় কোন দেশে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহৃত পুরাতন বা রিকন্ডিশন্ড গাড়ী ভিন্ন অন্য কোন পুরাতন বা রিকন্ডিশন্ড গাড়ী তৃতীয় কোন দেশ হইতে আমদানি করা যাইবে না এবং তৃতীয় কোন দেশ হইতে আমদানির ক্ষেত্রে, যে দেশে গাড়ীটি ব্যবহার করা হইয়াছে (কান্ট্রি অব ইউজ) সেই দেশে গাড়িটির রেজিষ্ট্রেশন সনদ এবং রেজিষ্ট্রেশন বাতিলের সনদ কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে;

(৩) জাপান হইতে পুরাতন গাড়ী আমদানির ক্ষেত্রে জাপান অটো এ্যাপ্রেইজাল ইনস্টিটিউট (জে এ এ আই) ও অন্যান্য দেশে তৈরী পুরাতন গাড়ী আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের স্বীকৃত অটোমোবাইল এসোসিয়েশন কর্তৃক গাড়ীর বয়স, মডেল নম্বর এবং চেসিস নম্বর উল্লেখ সম্বলিত প্রত্যয়নপত্র শুল্কায়ন পর্যায়ে দাখিল করিতে হইবে;

(৪) আমদানিকৃত পুরাতন গাড়ী তৈরীর তারিখ বা বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে গাড়ীর চেসিস তৈরীর তারিখের পরবর্তী বৎসরের প্রথম দিন হইতে গাড়ী তৈরীর তারিখ বা বয়স গণনা শুরু করিতে হইবে;

(৫) জাপান হইতে গাড়ী আমদানির ক্ষেত্রে জাপান অটোমোবাইল এসোসিয়েশন কর্তৃক প্রকাশিত চেসিস বুক এবং অন্যান্য দেশ হইতে আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার কর্তৃক স্বীকৃত অটোমোবাইল এসোসিয়েশন কর্তৃক প্রকাশিত চেসিস বুক পরীক্ষা করিয়া গাড়ী তৈরীর তারিখ নির্ধারিত হইবে; যে সকল দেশ হইতে চেসিস বুক প্রকাশিত হয় না সেই সকল দেশ হইতে পুরাতন গাড়ী বা যানবাহন আমদানি করা যাইবে না;

(৬) পেট্রোল চালিত গাড়ীর ক্ষেত্রে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার এবং ডিজেল চালিত গাড়ীর ক্ষেত্রে ডিজেল পার্টিকুলেট ফিল্টার সংযোগ সম্পর্কে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত এস, আর, ও নং-২৯-আইন/২০০২, তারিখ ১৬ ফেব্রম্নয়ারি, ২০০২ মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ করিতে হইবে;

 (৭) সীটবেল্ট ব্যতীত কোন প্রকার মটরগাড়ী আমদানি করা যাইবে না; এবং

 (৮) উইন্ডশিল্ড গ্লাস এবং ড্রাইভিং সিটের  উভয় পার্শ্বের জানালার গ্লাস স্বচ্ছ হইতে হইবে যাহাতে গাড়ীর অভ্যন্তর দৃশ্যমান (Visible) হয়।

 (খ) ১৫০০ সিসির ঊর্ধ্বে যে কোন  সিসির পুরাতন ট্যাক্সিক্যাব :-

       উপরের দফা (২) হইতে (৬) এ উল্লিখিত শর্তাবলী পালন সাপেক্ষে সর্বনিম্ন ১৫০০ সিসি (১% কম হলেও তা ১৫০০ সিসি  হিসেবে গণ্য হইবে) ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির অনধিক ৩(তিন) বৎসরের পুরাতন ট্যাক্সিক্যাব আমদানি করা যাইবে।

 

৮৭০৩.২২১

দুই স্ট্রোক ইঞ্জিন বিশিষ্ট থ্রি হুইলার যানবাহন (টেম্পু, অটোরিক্সা ইত্যাদি) আমদানি নিষিদ্ধ।

৮৭.০৮

সকল এইচ এস কোড

নিম্নে উল্লিখিত মোটরযানের ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য-

(ক) বডি যন্ত্রাংশ

(1) বাম্পার;

(2) ফ্রন্ট গ্রীল;

(3) ডোর এসেম্বলি;

(4) উইন্ড শীল্ড বা উইন্ড শীল্ড গ্লাস;

(5) মিররস;

(6) রেডিয়েটর এসেম্বলি;

(7) লাইট বা ল্যাম্প;

(8) ডেশ বোর্ড এসেম্বলি;

(9) বোনেট এসেম্বলি;

(১০) ফেলডার এসেম্বলি;

(১১) ডোর মিরর এসেম্বলি;

(১২) সিটস (Seats)

(১৩) রিয়ার মার্ডগার্ড এসেম্বলি;

(১৪) কেবিন এসেম্বলি বা বডিস (Bodies);

(১৫) হেড লাইটস (বাল্ব ব্যতিত)

(১৬) টেইল ল্যাম্পস (বাল্ব ব্যতিত);

(১৭) সাইড লাইটস এসেম্বলি;

(১৮) ওয়্যারিং সেট;

(১৯) ইএফআই কন্ট্রোল ইউনিট;

(২০) স্টার্টার;

(২১) অল্টারনেটর;

(২২) এডি কম্প্রেসর বা কন্ডেরসার বা কুলিং চেম্বার এসেম্বলি;

 (২৩) অন্যান্য রাবার চ্যানেলস এন্ড রাবার মোল্ডিংস;

(২৪) ফিউজ বক্স;

(২৫) ডিসট্রিবিউটর;

(২৬) ডাম্পার;

(২৭) নোস কার্ট।

   

(খ) আন্ডার টেরেন যন্ত্রাংশ

(1) পাওয়ার স্টিয়ারিং এসেম্বলী;

(2) সাসপেনশন সক এ্যাবজর্ভারস;

(3) স্টিয়ারিং হুইলস এসেম্বলি;

(4) স্টিয়ারিং কলাম এন্ড স্টিয়ারিং বক্সেস;

(5) ডিফেরেন্সিয়াল এসেম্বলি;

(6) প্রপেলার শেফট এসেম্বলি;

(7) এক্সেলস এসেম্বলি;

(8) ব্রেক ড্রাম এন্ড হাবস (Hubs) এসেম্বলি;

(9) ভ্যাকুয়্যাম বুসটার উইথ ব্রেক মাস্টার পাম্প এসেম্বলি;

(১০) ব্রেক ড্রামস এসেম্বলি;

(১১) হুইল সিলিন্ডার এসেম্বলি;

(১২) সাইলেন্সর এন্ড এক্সষ্ট পাইপস;

(১৩) মাউন্টিং;

(১৪) ফুয়েল পাম্প;

(১৫) এয়ার ক্লিনার বক্স।

শর্তসমূহ:-

(১) বিনিয়োগ বোর্ড বা বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন বা সংশ্লি­ষ্ট অটোমোবাইল  ও গাড়ী রিপেয়ারিং ও সার্ভিসিং এসোসিয়েশন বা রেজিষ্ট্রার জয়েন্ট স্টক কোম্পানী এন্ড ফার্মসমূহের পরিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত স্বীকৃত রিপেয়ারিং ও সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠান বর্ণিত যন্ত্রাংশ আমদানি করিতে পারিবে;

(২) ব্যবহৃত মটরযানের যন্ত্রাংশ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আমদানিযোগ্য হইবে না;

(৩) উল্লি­খিত যন্ত্রাংশসমূহ আমদানির ক্ষেত্রে গুণগতমান সম্পর্কে আন্তর্জাতিক      খ্যাতিসম্পন্ন সার্ভেয়ার কর্তৃক প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন সনদপত্র দাখিল করিতে হইবে;

(৪) বিক্রিত অথবা সংযোজিত যন্ত্রাংশের জন্য বিক্রেতা অথবা সংযোজনকারীকে কমপক্ষে ২(দুই) বৎসরের লিখিত গ্যারান্টি প্রদান করিতে হইবে;

(৫) রিপেয়ারিং ও সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠানকে অটোমোবাইল এন্ড রিপেয়ারিং সংশ্লি­ষ্ট এসোসিয়েশনের সদস্য হইতে হইবে;

(৬) সংশ্লি­ষ্ট আমদানিকারক কর্তৃক আমদানিকৃত ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ বিক্রয়ের সঠিক রেজিষ্টার সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং প্রতি তিন মাস অন্তর বিক্রয়ের প্রতিবেদন সিসিআইএন্ডই এর নিকট দাখিল করিতে হইবে;

(৭) আমদানির পর সিসিআইএন্ডই আমদানিকৃত যন্ত্রাংশের ব্যবহার সম্পর্কে নিয়মিত মনিটর করিবে;

(৮) স্বীকৃত রিপেয়ারিং এন্ড সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠান হিসাবে মূসক নিবন্ধন ও টিআইএন থাকিতে হইবে এবং এতদসংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও দলিলাদি শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

৮৭.১১

সকল এইচ এস কোড

৩ (তিন) বৎসরের অধিক পুরাতন এবং ১৫৫ (একশত পঞ্চান্ন) সিসি এর উর্ধ্বে সকল প্রকার মোটর সাইকেল আমদানি নিষিদ্ধ; তবে পুলিশ বিভাগের ক্ষেত্রে ১৫৫ সিসি’র উর্ধ্বসীমার এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না; অনধিক ৩(তিন) বৎসরের পুরাতন মোটর সাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে এই ৩(তিন) বৎসর সময়কাল যানবাহন তৈরীর পরবর্তী বৎসরের প্রথম দিন হইতে গণনা করা হইবে;  পুরাতন   মোটর   সাইকেলের   বয়স   নির্ধারণের জন্য রেজিষ্ট্রেশন ক্যানসেলেশন সার্টিফিকেটের বিকল্প হিসাবে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদিত পরিদর্শন কোম্পানীর (পিএসআই) প্রদত্ত সনদ গ্রহণযোগ্য হইবে।

৯০.১৮

৯০১৮.৩১

গ্যাস সিরিঞ্জ আমদানি নিষিদ্ধ।

৯৩.০২

সকল এইচ এস কোড

রিভলভার ও পিস্তলসহ সকল পণ্য এবং এ্যামিনিউশন আগ্নেয়াস্ত্রের অনুমোদিত ডিলার কর্তৃক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে আমদানিযোগ্য; বেসরকারি খাতের জন্য টিসিবি বা নির্ধারিত সংস্থা বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি বা সুপারিশের ভিত্তিতে ১(এক) টি এনপিবি রিভলভার বা পিস্তলসহ ৫০ রাউন্ড গুলি বা  এ্যামিউনিশন এবং ২২ বোর রাইফেল বা ১২ বোর শটগান বা বন্দুকসহ ১০০ রাউন্ড গুলি বা এ্যামিউনিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আমদানি করা যাইবে।

৯৩.০৩ হইতে ৯৩.০৫

সকল এইচ এস কোড

এয়ারগান আমদানি নিষিদ্ধ; তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে ক্রীড়া ও শুটিং ক্লাবে ব্যবহারের জন্য এয়ারগান আমদানি করা যাইবে; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতিক্রমে নিষিদ্ধ বোর ব্যতীত অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্রসহ সকল পণ্য আগ্নেয়াস্ত্রের অনুমোদিত ডিলার কর্তৃক আমদানিযোগ্য; বেসরকারি  খাতের জন্য টিসিবি বা নির্ধারিত সংস্থা বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি বা সুপারিশের ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আমদানি করা যাইবে।

৯৩.০৬

সকল এইচ এস কোড

(ক) এয়ারগান এ্যামিউনিশন আমদানি নিষিদ্ধ; তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি বা সুপারিশের ভিত্তিতে ক্রীড়া ও শুটিং ক্লাবে ব্যবহারের জন্য এয়ারগান এ্যামিউনিশন  আমদানি করা যাইবে;

 (খ) অন্যান্য এ্যামিউনিশন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আমদানিযোগ্য।

 

 

আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকা

 

‘খ’ অংশ

 

নিম্নবর্ণিত পণ্যসমূহ আমদানিযোগ্য নহে, যথা:-

 

(১)   বাংলাদেশ সার্ভে ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী বাংলাদেশের সীমারেখা দেখানো হয় নাই এইরূপ মানচিত্র, চার্ট ও ভৌগোলিক গ্লোব;

 

(২)   ভীতি প্রদায়ক কৌতুক, অশ্লীল ও নাশকতামূলক সাহিত্য ও অনুরূপ ধরণের পুস্তিকা, সংবাদপত্র, সাময়িকী, পোস্টার, ফটো, ফিল্ম, গ্রামোফোন রেকর্ড এবং অডিও ও ভিডিও ক্যাসেট, টেপ ইত্যাদি;

 

(৩)  এইরূপ বই-পুস্তিকা, সংবাদপত্র, সাময়িকী, দলিল দস্তাবেজ, কাগজ-পত্রাদি, পোস্টার, ফটো ফিল্ম, গ্রামোফোন রেকর্ড, অডিও ও ভিডিও ক্যাসেট, টেপ ইত্যাদি যাহার বিষয়সমূহ বাংলাদেশের যে কোন শ্রেণীর নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস অথবা অনুভূতিতে আঘাত হানিতে পারে;

 

(৪)   এই আদেশে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, সেকেন্ডারী বা সাব-ষ্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি বা নিম্নমানের পণ্য অথবা পুরাতন, ব্যবহৃত, পুনঃসংস্কৃত (রিকন্ডিশন্ড) পণ্য অথবা কারখানায় বাতিলকৃত বা জব লট ও স্টক লটের পণ্য;

 

(৫)   রিকন্ডিশন্ড অফিস ইকুইপমেন্ট, ফটোকপিয়ার, টাইপরাইটার মেশিন, টেলেক্স, ফোন, ফ্যাক্স, পুরাতন কম্পিউটার, পুরাতন কম্পিউটার সামগ্রী, পুরাতন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ;

 

(৬)  এইরূপ পণ্যাদি ও উহার পেটিকা যাহাতে কোন ধর্মীয় গুঢ়ার্থ সম্পর্কীয় এমন কোন শব্দ বা উৎকীর্ণ লিপি বিদ্যমান আছে যাহার ব্যবহার বা বিবরণ বাংলাদেশের কোন নাগরিকের ধর্মীয় বিশ্বাস বা অনুভূতিতে আঘাত হানিতে পারে;

(৭)  এইরূপ পণ্যসামগ্রী ও উহার পেটিকা যাহাতে অশ্লীল ছবি লিখন বা উৎকীর্ণ-লিপি অথবা দৃশ্যমান নিদর্শন বিদ্যমান আছে;

 

(৮)  জীবিত শুকর এবং শুকরজাত সকল ধরণের পণ্য;

 

(৯)   সকল প্রকার শিল্প স্লাজ (Industrial Sludge) ও স্লাজ দ্বারা প্রস্ত্ততকৃত সার এবং যেকোনো সামগ্রী;

 

(১০)     এই আদেশে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, সকল প্রকার বর্জ্য পদার্থ;

 

(১১) শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০০৬ এর আওতায় শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অনধিক ৭৫ ডেসিবল মাত্রার হর্ণ; এবং

(১২) Stockholm Convention on Persistent Organic Pollutants (POPs) এর আওতায় নিম্নবর্ণিত রাসায়নিককীটনাশক এবং শিল্পজাত রাসায়নিক পণ্য-

এলড্রিন, ক্লোরডেন, ডিডিটি, ডাইএলড্রিন, এনড্রিন, হেপ্টাক্লোর, মিরেক্স, টক্সাফেন, হেক্সাক্লোরোবেনজিন,     পলিক্লোরিনেটেড বাইফিনাইল (পিসিবি)।

সূচীপত্র

পরিশিষ্ট

যৌথভিত্তিতে (জয়েন্ট বেসিস-আমদানির পদ্ধতি

(অনুচ্ছেদ১০ দ্রষ্টব্য)

 

১।    বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের দল গঠন।- বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণকে, স্বল্পমূল্যে আমদানির জন্য, যৌথভিত্তিতে আমদানি সুবিধা প্রদান করা হইয়াছে; উক্তরূপ সুবিধা গ্রহণের উদ্দেশ্যে এই আদেশের বিধান সাপেক্ষে আমদানির জন্য মনোনীত অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে এল, সি, এ ফরম নিবন্ধিকরণের পূর্বে বা পরে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের দল গঠন করা যাইবে; এই সকল আমদানিকারক, যাহাদের ভিন্ন ভিন্ন মনোনীত ব্যাংক ঋণপত্র খোলার ব্যাংক রহিয়াছে, তাঁহারা নগদ, ঋণ, ক্রেডিট, অথবা একাউন্ট ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট বা কাউন্টার ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট এর মাধ্যমে যৌথভিত্তিতে তাহাদের শেয়ার নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী আমদানি করিতে পারিবে।

 

২।   মনোনীত অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখা এল, সি, এ ফরম নিবন্ধিকরণের পূর্বে যৌথভিত্তিতে আমদানির জন্য দল গঠনের পদ্ধতি।- (১) আমদানিকারককে তাহার মনোনীত ব্যাংকে যথারীতি যথাযথভাবে পূরণকৃত এবং স্বাক্ষরিত এল,সি, এ, ফরম দাখিল করিতে হইবে এবং তৎসহ এই মর্মে ঘোষণা করিতে হইবে যে-

(ক)  তিনি বর্তমান আর্থিক বৎসরে তাঁহার শেয়ার এককভাবে আমদানির জন্য কোনরূপ আবেদন করেন নাই এবং তিনি সর্বজনাব ................................ ....................................... (দলনেতার নাম ও ঠিকানা, আই,আর,সি, নম্বর এবং তাঁহার মনোনীত ব্যাংকের নাম উল্লেখ করিতে হইবে) এর নেতৃত্বে উহা যৌথভাবে আমদানি করিতে সম্মত আছেন; এবং

 

(খ) দলনেতা অথবা দলের সদস্যের সহিত কোনরূপ খেলাপ অথবা বিরোধের উৎপত্তি হইলে সে বিষয়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট কোন দাবী উত্থাপন করিবেন না।

(২)   আমদানিকারকের স্বাক্ষর তাঁহার মনোনীত ব্যাংকের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তারিখসহ প্রতিপাদন করিতে হইবে।

 

(৩) এল,সি, এ, ফরম আমদানিকারক কর্তৃক প্রদত্ত ঘোষণা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সকল দিক দিয়া সম্পূর্ণ এবং সঠিক বলিয়া নিশ্চিত হওয়ার পর আমদানিকারকের মনোনীত ব্যাংক এই সকল কাগজপত্র দলনেতার মনোনীত ব্যাংকের নিকট প্রেরণ করিবে এবং এল,সি, এ, ফরমের উপর নিম্নরূপ প্রত্যয়ন করিবে, যথা:-

 

‘‘.............................................. এর দলনেতৃত্বে উপরি উল্লি­খিত দল গঠনে আমাদের কোন আপত্তি নাই। এই আমদানিকারক টাকা .......................... মূল্যের ....................... (পণ্য) আমদানি করিবার যোগ্য।’’

......................................................

আমদানিকারকের ব্যাংকের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার

তারিখ সম্বলিত স্বাক্ষর এবং সীল

 

 

(৪)   দলনেতা একই নিয়মে এল,সি,এ, ফরম দাখিল করিবেন; এল,সি,এ, ফরম ছাড়াও তিনি নিজের শেয়ারসহ দলের সকল সদস্যের এল,সি,এ, ফরমে উল্লি­খিত মোট মূল্যের জন্য এল,সি আবেদন ফরম দাখিল করিবেন এবং তিনি একটি ঘোষণাপত্রও এই মর্মে দাখিল করিবেন যে-

(ক) এল,সি,এ, ফরমে প্রদত্ত তথ্যাদি তাঁহার জানামতে সঠিক;

 

(খ) তিনি বর্তমান শিপিং মৌসুমে তাঁহার শেয়ার দলের একজন সদস্য হিসাবে ছাড়া পৃথকভাবে আমদানির জন্য কোন আবেদন করেন নাই;

 

(গ) দলভুক্ত (সদস্য) আমদানিকারকগণ (এখানে দলনেতা তাঁহার নিজের এবং সকল সদস্যদের নাম, ঠিকানা, আই,আর,সি, নম্বর এবং প্রত্যেকের পৃথক পৃথক শেয়ার লিপিবদ্ধ করিবেন) যাহাতে স্বল্পমূল্যে আমদানি করিতে পারেন তজ্জন্য তিনি যৌথভাবে আমদানির জন্য দলনেতা হিসাবে কাজ করিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ হইয়াছেন; এবং

 

(ঘ)   দলের সদস্যদের সহিত কোন প্রকার খেলাপ অথবা বিরোধ উৎপত্তি হইলে, সে বিষয়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা কর্তৃপক্ষসমূহের নিকট কোনরূপ দাবী উত্থাপন করিবেন না এই মর্মে অঙ্গীকার করিতেছেন এবং দলনেতার স্বাক্ষর তাঁহার ব্যাংকের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিখসহ সত্যায়ন করিবে।

 

(৫)   এল,সি,এ, ফরম এবং দলনেতা কর্তৃক প্রদত্ত ঘোষণা সকল দিক দিয়া সম্পূর্ণ এবং সঠিক বলিয়া নিশ্চিত হওয়ার পর দলনেতার ব্যাংক এল,সি,এ ফরমের উপর নিম্নরূপ প্রত্যয়ন করিবে, যথা:-

 

‘‘দলের ................... সদস্যদের দলনেতা হিসাবে উপরে বর্ণিত আমদানিকারক কর্তৃক কার্যসম্পাদনের বিষয়ে আমাদের কোন আপত্তি নাই।’’

 

.................................................

দলনেতার ব্যাংকের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার

তারিখ সম্বলিত স্বাক্ষর এবং সীল

 

 

(৬)  ইহার পর দলনেতার ব্যাংক প্রত্যয়নকৃত এল,সি,এ ফরমসহ অন্যান্য সকল এল,সি,এ ফরম নিবন্ধিকরণের কাজ সম্পন্ন করিবে।

 

(৭)  এল,সি,এ, ফরমগুলি নিবন্ধিকরণের পর সংশ্লি­ষ্ট নিবন্ধনকারী ব্যাংক সত্বর ঘোষণা পত্র এবং প্রত্যয়নপত্রসহ এল,সি,এ, ফরমের দুই কপি করিয়া আমদানিকারকের নিজ নিজ আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট অনুবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করিবে।

 

(৮)  যে সকল ক্ষেত্রে একই মনোনীত ব্যাংক বা তাহার শাখাসমূহের অধীনস্থ যোগ্য বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ তাঁহাদের নগদ বা আই,ডি,এ,ঋণ অথবা মুক্তঋণ বা ক্রেডিটের শেয়ারের অধীনে আমদানি করিতে ইচ্ছুক সেই সকল ক্ষেত্রে যৌথভাবে আমদানির পদ্ধতি অভিন্ন হইবে; ব্যাংক উপরে বর্ণিত সকল কাগজপত্র যথা- এল,সি,এ ফরম, ঘোষণাপত্র ইত্যাদি এল,সি,এ, ফরমে প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র এনডোর্স করিয়া দলনেতার মনোনীত ব্যাংক শাখায় প্রেরণ করিবে এবং দলনেতার মনোনীত ব্যাংক উপরে বর্ণিত একই পদ্ধতিতে এল,সি,এ, ফরমগুলি প্রক্রিয়াকরণ ও নিবন্ধিকরণের কাজ সম্পন্ন করিবে।

 

(৯)   এ্যাকাউন্ট ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট বা কাউন্টার ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট এবং শর্তাধীন লোন বা ক্রেডিটের অধীনে আমদানির ক্ষেত্রে যৌথভিত্তিতে আমদানি করিতে ইচ্ছুক যোগ্য বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাহাদের নিজ নিজ মনোনীত ব্যাংকে বিহীত ব্যবস্থা মোতাবেক এল,সি,এ, ফরম দাখিল করিবে; তবে এই ক্ষেত্রে তাহাদিগকে ঋণপত্র খোলার আবেদনপত্র দাখিল করিতে হইবে না; মনোনীত ব্যাংক, এল,সি,এ, ফরম সঠিক আছে এই মর্মে নিশ্চিত হওয়ার পর, আমদানিকারকের আমদানি নিবন্ধন সনদপত্রে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠাংকন করিয়া এল,সি,এ, ফরমের সকল কপি দলনেতার মনোনীত ব্যাংকে প্রেরণ করিবে; দলনেতার মনোনীত ব্যাংক দলনেতা এবং দলের সদস্যগণ কর্তৃক দাখিলকৃত এল,সি,এ ফরমসমূহ সঠিক আছে এবং যৌথভিত্তিতে আমদানির সকল নিয়মাবলী সম্পন্ন করা হইয়াছে ইহা নিশ্চিত হওয়ার পর দলনেতা এবং দলের সদস্যদের এল,সি,এ, ফরম এবং দলনেতা কর্তৃক দাখিলকৃত মোট মূল্যের জন্য ঋণপত্র খুলিবার আবেদনপত্র নির্ধারিত ব্যাংকে প্রেরণ করিবে; নির্ধারিত ব্যাংক ঋণপত্র খোলার পর এল,সি,এ ফরমের দুই কপি করিয়া সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে প্রেরণ করিবে।

 

৩।   এল,সি,এ ফরম রেজিষ্ট্রিকরণের পর যৌথভিত্তিতে আমদানির জন্য দল গঠনের পদ্ধতি।- (১) এল,সি,এ ফরম নিবন্ধিকরণের পর যৌথ ভিত্তিতে আমদানির জন্য দলগঠনের ক্ষেত্রে, আমদানিকারক যথারীতি তাহার মনোনীত ব্যাংকে এল,সি,এ ফরম দাখিল করিবেন এবং লিখিতভাবে তাহার ব্যাংককে জানাইবেন অথবা ঘোষণাপত্র দাখিল করিবেন যে, তিনি এল,সি,এ ফরম নিবন্ধনের পরে দল গঠনে ইচ্ছুক; এল,সি,এ ফরম সম্পূর্ণ এবং সকল দিক দিয়া সঠিক বলিয়া নিশ্চিত হওয়ার পর আমদানিকারকের মনোনীত ব্যাংক ঘোষণাপত্রসহ নিবন্ধিকরণপূর্বক উহা অবিলম্বে আমদানিকারকের একটি অথবা একাধিক দল গঠন করিতে বলিবে।

 

(২)   দল গঠনের সময় আমদানিকারককে তাহার ব্যাংকে এই পরিশিষ্টের অনুচ্ছেদ ২(১) এ বিবৃত একই শর্তে একটি ঘোষণাপত্র দাখিল করিতে হইবে; আমদানিকারকের স্বাক্ষর তাহার মনোনীত ব্যাংকের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিখসহ সত্যায়ন করিবে; উক্ত ব্যাংক এই সকল কাগজপত্র যথা- এল,সি,এ ফরম এবং ঘোষণাপত্র, এই পরিশিষ্টের অনুচ্ছেদ ২(২) এ উল্লি­খিত প্রত্যয়নপত্রসহ দলনেতার মনোনীত ব্যাংকে প্রেরণ করিবে।

 

(৩)  দলনেতাও এই পরিশিষ্টের অনুচ্ছেদ ২(৩) এ উল্লি­খিত ঘোষণাপত্রসহ এল,সি,এ ফরম এবং ঋণপত্র খোলার আবেদন ফরম দাখিল করিবে; দলনেতার স্বাক্ষর তাহার ব্যাংকের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিখসহ সত্যায়ন করিবে এবং এল,সি,এ ফরমের উপর এই পরিশিষ্টের অনুচ্ছেদ ২(৪) এ বর্ণিত প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র এনডোর্স করিবে।

 

(৪)   দলনেতার ব্যাংক ঋণপত্র খুলিবার জন্য দলনেতা এবং দলের সকল সদস্য কর্তৃক প্রদত্ত ঘোষণাপত্র, তাঁহাদের ব্যাংকসমূহ কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়ণপত্র এবং এল,সি,এ ফরমগুলির দুইটি করিয়া কপি রাখিবেন এবং এল,সি,এ ফরমসমূহের অপর দুইটি কপি সকল কাগজ পত্রসহ (ঘোষণাপত্র এবং প্রত্যয়নপত্র) সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট অনুবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করিবে এবং দলের সদস্যগণ বিভিন্ন আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তর এলাকার হইলে কাগজপত্রের পূর্ণ সেট দলের সদস্যদের সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরে অনুবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।

 

(৫)   যে সকল ক্ষেত্রে একই আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের এলাকায় অবস্থিত ও একই আমদানি নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের এলাকাধীন একই মনোনীত ব্যাংক বা উহার শাখাসমূহের অন্তর্ভুক্ত যোগ্য বাণিজ্যিক আমদানিকারকগণ নিজেদের শেয়ার যৌথভিত্তিতে আমদানি করিতে ইচ্ছুক সেই সকল ক্ষেত্রে যৌথভাবে আমদানির পদ্ধতি উপরের বর্ণনা মোতাবেক হইবে; তবে ব্যাংকের সকল শাখা উপরে বর্ণিত সকল কাগজপত্র দলনেতার মনোনীত ব্যাংক শাখায় প্রেরণ করিবে; দলনেতার মনোনীত ব্যাংক উপরে বর্ণিত পদ্ধতিতে এল,সি,এ ফরমগুলি বিষয়ক কার্যপ্রক্রিয়া চালু করিবে।

 

(৬)  একাউন্ট ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট বা কাউন্টার ট্রেড এ্যারেঞ্জমেন্ট এবং শর্তাধীন লোন বা ক্রেডিটের ভিত্তিতে যৌথভাবে আমদানির ক্ষেত্রে এই পরিশিষ্টের অনুচ্ছেদ ২(৮) এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে।

 

৪।    উভয় প্রকার দল গঠনের ক্ষেত্রেই, ঋণপত্র খোলা এবং উহা বিদেশী সরবরাহকারীর নিকট প্রেরণের পরপরই মনোনীত ব্যাংক ক্ষেত্রমত, দলনেতার আই,আর,সি-তে লিখিত সমর্থন প্রদান করিবেন এবং সংশ্লিষ্ট আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষগণকে ও দলের সদস্যগণের নিজ নিজ ব্যাংককে দলের প্রত্যেক সদস্যের শেয়ার উল্লেখ করিয়া ঋণপত্রে বিবরণ জানাইবে।

 

৫।    শিল্প আমদানিকারকদের দল গঠন শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক যৌথভিত্তিতে আমদানির ক্ষেত্রে, আমদানিকারকগণ দলনেতা নির্বাচন করিবেন এবং তাঁহাদের নিজ নিজ ব্যাংককে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি এবং এল,সি,এ, ফরম দলনেতার মনোনীত ব্যাংককে এই পরিশিষ্টের অনুচ্ছেদ (২) এবং (৩) এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিয়া ঋণপত্র খুলিবার জন্য অনুরোধ জানাইয়া প্রেরণ করিবেন;  দলনেতার ব্যাংক এল,সি,এ ফরমসমূহ যাচাই করিয়া যৌথভিত্তিতে ঋণপত্র খুলিবে এবং যথারীতি এল,সি,এ ফরমগুলিতে লিখিত সমর্থন দান করিবে।

 

৬।    কোন আমদানিকারক এই আদেশের বিধানসমূহের খেলাপ করিয়া ঋণপত্র খুলিবার অথবা আমদানি করিবার জন্য এল,সি,এ ফরম দাখিল করিলে উহা এই আদেশের বিধানমতে শাস্তিযোগ্য হইবে।

সূচীপত্র

 

‘‘পরিশিষ্ট-’’

 

ক্রমিক নং

কেমিক্যালসমূহের নাম

এইচ এস কোড নমবর

 

(1)

O-Alkyl (<=C10, incl. cycloalkyl) alkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr)-phosphonofluoridates

   

e.g. Sarin: O-Isopropyl methylphosphonofluoridate

2931.00

 

Soman: O-Pinacolyl methylphosphonofluoridate

2931.00

 

(2)

O-Alkyl (<=C10, incl. cycloalkyl) N,N-dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) phosphoramidocyanidates

   

e.g. Tabun: O-Ethyl N,N-dimethyl phosphoramidocyanidate

2931.00

 

(3)

O-Alkyl (H or <=C10, incl. cycloalkyl) S-2-dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr)-aminoethyl alkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) phosphonothiolates and corresponding alkylated or protonated salts

   

e.g. VX: O-Ethyl S-2-diisopropylaminoethyl methyl phosphonothiolate

2930.91

 

(4)

 

 

 

 

 

 

 

 

   

2-Chloroethylchloromethylsulfide

2930.90

 

Mustard gas: Bis(2-chloroethyl)sulfide

2930.90

 

Bis(2-chloroethylthio)methane

2930.90

 

Sesquimustard: 1,2-Bis(2-chloroethylthio)ethane

2930.90

 

1,3-Bis(2-chloroethylthio)-n-propane

2930.90

 

1,4-Bis(2-chloroethylthio)-n-butane

2930.90

 

1,5-Bis(2-chloroethylthio)-n-pentane

2930.90

 

Bis(2-chloroethylthiomethyl)ether

2930.90

 
   

Bis(2-chloroethylthioethyl)ether

2930.90

 

(5)

 

 

   

Lewisite 1: 2-Chlorovinyldichloroarsine

2931.00

 

Lewisite 2: Bis(2-chlorovinyl)chloroarsine

2931.00

 

Lewisite 3: Tris(2-chlorovinyl)arsine

2931.00

 

(6)

 

 

Nitrogen mustards:

   

HN1: Bis(2-chloroethyl)ethylamine

2921.19

 

HN2: Bis(2-chloroethyl)methylamine

2921.19

 

HN3: Tris(2-chloroethyl)amine

2921.19

 

(7)

Saxitoxin

3002.90

 

(8)

Ricin

3002.90

 

 

(9)

Alkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) phosphonyldifluorides

 

e.g. DF: Methylphosphonyldifluoride

2931.00

(10)

O-Alkyl (H or <=C10, incl. cycloalkyl) O-2-dalkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr)-aminoethyl alkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) phosphonites and corresponding alkylated or protonated salts

 

e.g. QL: O-Ethyl O-2-diisopropylaminoethyl methylphosphonite

2931.00

(11)

Chlorosarin: O-Isopropyl methylphosphonochloridate

2931.00

(12)

Chlorosoman: O-Pinacolyl methylphosphonochloridate

2931.00

(13)

Amiton: O,O-Diethyl S-[2-(diethylamino)ethyl] phosphorothiolate and corresponding alkylated or protonated salts

2930.90

(14)

PFIB: 1,1,3,3,3-Pentafluoro-2-(trifluoromethyl)-1-propene

2903.30

(15)

BZ: 3-Quinuclidinyl benzilate (*)

2933.39

(16)

Chemicals, except for those listed in Schedule 1, containing a phosphorus atom to which is bonded one methyl, ethyl or propyl (normal or iso) group but not further carbon atoms,

 

e.g : Methylphosphonyl dichloride

2931.00

Dimethyl methylphosphonate

2931.00

Exemption: Fonofos: O-Ethyl S-phenyl ethylphosphonothiolothionate

 

(17)

N,N-Dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) phosphoramidic dihalides

-

(18)

Dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) N,N-dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr)-phosphoramidates

-

(19)

Arsenic trichloride

 2812.10

(20)

2,2-Diphenyl-2-hydroxyacetic acid

2818.19

(21)

Quinuclidin-3-ol

2933.39

(22)

N,N-Dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) aminoethyl-2-chlorides and corresponding protonated salts

-

(23)

 

 

N,N-Dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) aminoethane-2-ols and corresponding protonated salts

Exemptions: N,N-Dimethylaminoethanol

and corresponding protonated salts

N,N-Diethylaminoethanol

and corresponding protonated salts

 

(24)

N,N-Dialkyl (Me, Et, n-Pr or i-Pr) aminoethane-2-thiols and corresponding protonated salts

-

 

(25)

Thiodiglycol: Bis(2-hydroxyethyl)sulfide

2930.90

(26)

Pinacolyl alcohol: 3,3-Dimethylbutan-2-ol

2905.19

(27)

Phosgene: Carbonyl dichloride

2812.10

(28)

Cyanogen chloride

2851.00

(29)

Hydrogen cyanide

2811.19

(30)

Chloropicrin: Trichloronitromethane

2904.90

(31)

Phosphorus oxychloride

2812.10

(32)

Phosphorus trichloride

2812.10

(33)

Phosphorus pentachloride

2812.10

(34)

Trimethyl phosphite

2920.90

(35)

Triethyl phosphite

2920.90

(36)

Dimethyl phosphite

2920.90

(37)

Diethyl phosphite

2920.90

(38)

Sulfur monochloride

2812.10

(39)

Sulfur dichloride

2812.10

(40)

Thionyl chloride

2812.10

(41)

Ethyldiethanolamine

2922.19

(42)

Methyldiethanolamine

2922.19

(43)

Triethanolamine

2922.19

 

 

 

 

 

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে,

 

 

( মো: মাহবুবুল ইসলাম )

উপ সচিব

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

 

আমদানি নীতি আদেশ, ২০১৫-২০১৮ তে ব্যবহৃত Abreviations এর পূর্ণরূপঃ

 

C& F (সি এন্ড এফ)     Clearing and Forwarding.

CAD  (সি এ ডি) Cash Against Document.

CFR  (সি এফ আর)    Cost And Freight.

CIF   (সি আই এফ)    Cost Insurence And Freight.

CIP   (সি আই পি)      Carraige And Insurence Paid To.

CP    (সি পি)            Clearence Permit.

CPT  (সি পি টি)        Carraige  Paid To.

CM Licence       (wmGg jvB‡mÝ) Cirtification of Marking Licence.   

DAT  (ডি এ টি) Delivered At Terminal.

DAP  (ডি এ পি) Delivered At Place.

DDP (wW wW wc)    Delivered Duty Paid.

ETIN (B wU AvB Gb) Electronic Tax Identification Number.

FOB  (এফ ও বি) Free On Board.

IP    (আই পি)   Import Permit.

IPPC (আই পি পি সি)  International Plant Protection Convention.

ITC   (আই টি সি)      Import Trade Control.

LC    (এল সি)          Letter of Credit.

LCA  (এল সি এ) Letter of Credit Authorisation.

ROR  (আর ও আর)     Right of Refusal.

SAFTA (mvdUv) South Asia Free Trade Agreement.

SRO  GmAviI)    Statutory Rules and Order.

TCB  (টি সি বি)  Trading Corporation of Bangladesh.

T.T (wU wU)     Telegraphic Transfer.

UTIN (BD wU AvB Gb) Unique  Tax Payer Identification Number.

পরিশিষ্ট-

চীফ অব মেম্বারবডিস

-ক্লাস চেম্বার্স

 

1.     বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

মেইন রোড, বাগেরহাট।

 

2.     বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাষ্ট্রিজ

বিসিআইসি ভবন (৪র্থ তলা)

৩০-৩১, দিলকুশা বা/এ

ঢাকা-১০০০।

 

3.     বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

গুলশান গ্রেস এ্যাপার্ট # ২সি (২য় তলা)

বাড়ী নং-৮, ব্লক-সিডব্লিউএস

সাউথ এভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা।

 

4.     বরিশাল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন

পোঃ বক্স নং-৩০,

স্ব রোড (নাজিরের পুল), বরিশাল।

 

5.     বরিশাল উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

গোরা চাঁন্দ দাস রোড

(রহমানবাগ লেন), বরিশাল।

 

6.     বরিশাল মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

মল্লিক টাওয়ার (৪র্থ তলা)

১২৫, বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক, কাকলী মোড়, বরিশাল।

 

7.     ভোলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন (৩য় তলা)

বাংলা স্কুল সড়ক, ভোলা।

 

8.     বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন (৩য় তলা),

কবি নজরুল ইসলাম রোড

ঝাউতলা, বগুড়া-৫৮০০।

9.     ব্রাক্ষনবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

জামে মসজিদ রোড

পোঃ ও জেলাঃ ব্রাক্ষনবাড়িয়া।

 

10.   চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

পুরান বাজার, পোঃ পুরান বাজার

থানাঃ চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর।

 

11.   চাঁপাই নবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

বয়েজ বিল্ডিং, তাহাবাজার,

পোঃ বক্স-চাঁপাই নবাবগঞ্জ

চাঁপাই নবাবগঞ্জ।

 

12.   চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার হাউস, আগ্রাবাদ বা/এ

পি.ও বক্স নং-৪৮১, চট্টগ্রাম।

 

13.   চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

আস-সালাম টাওয়ার (৬ষ্ঠ ও ৭ম তলা)

৫৭, আগ্রাবাদ বা/এ, চট্টগ্রাম।

 

14.   চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

জাহান বিল্ডিং-৫ (৩য় তলা)

৭৪, আগ্রাবাদ বা/এ, চট্টগ্রাম।

 

15.   চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

       বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা।

     

16.   কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

রাম্মালা রোড, রানীর বাজার, কুমিল্লা।

 

17.   ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

ঢাকা চেম্বার বিল্ডিং

৬৫-৬৬, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

18.   ঢাকা উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

জাতীয় স্কাউট ভবন (১০ম তলা)

৭০/১, পুরানা পল্টন লাইন

কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

 

19.   দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন

মালদাহ পট্টি, দিনাজপুর।

 

20.   ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার হাউস, নীলটুলী, ফরিদপুর।

 

21.   ফরিদপুর উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

প্রযত্নেঃ চেম্বার হাউস,

নীলটুলী, ফরিদপুর।

 

22.   ফেনী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

ফেনী প্লাজা (৩য় তলা)

৫৭-৫৮, ট্রাংক রোড, ফেনী।

 

23.   ফরেন ইনভেস্টর্স চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

“শামা হোমস

এপার্ট # সি-৩, বাড়ী # ৫৯

সড়ক # ০১, বস্নক-১,

বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

24.   গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

সুখনগর, পলাশবাড়ী রোড, গাইবান্ধা।

 

25.   গাজীপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন

শান্তি পল্লী (জেলা পরিষদের পশ্চিম পার্শ্বে)

জয়দেবপুর, গাজিপুর-১৭০০

 

26.   গোপালগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার অব কমার্স ভবন রোড

(সাবেক শিশু ভবন), গোপালগঞ্জ।

      

27.   জামালপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

নিউ বাস টার্মিনাল রোড

দাপুনিয়া, জামালপুর।

28.   যশোর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

জেল রোড, ঘোপ, যশোর।

 

29.   ঝালকাঠি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, ৭ কাশারী পট্টি, ঝালকাঠি।

 

30.   ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

শের-এ-বাংলা সড়ক, ঝিনাইদহ।

 

31.   খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ম্যানশন, ৫ কেডিএ বা/এ

খান-এ-সবুর রোড, খুলনা।

 

32.   কিশোরগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

করিমগঞ্জ রোড, সাতাল

তারাপাশা, কিশোরগঞ্জ।

 

33.   কিশোরগঞ্জ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

“পান্থশালা’’

১২৮৭/৩, খরমপট্টি, কিশোরগঞ্জ।

 

34.   কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

১৬, সিরাজউদ্দোলা রোড (৩য় তলা), কুষ্টিয়া।

 

35.   লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, পুরান বাজার (কালিবারী)

লালমনিরহাট।

 

36.   মাদারীপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

পুরান বাজার, মাদারীপুর।

 

37.   মানিকগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

জেলা পরিষদ ভবন

ওয়ারলেস গেট, বাস ষ্ট্যান্ড, মানিকগঞ্জ।

 

38.   মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি, ঢাকা

চেম্বার বিল্ডিং (৫ম তলা)

১২২-১২৪, মতিঝিল বা/এ,

ঢাকা-১০০০।

39.   মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন

দক্ষিন কলিমাবাদ, মৌলভীবাজার-৩২০০

 

40.   মুন্সীগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

মীর কাদিম, কমলাঘাট, মুন্সীগঞ্জ।

ঢাকা ঠিকানাঃ

নুর টাওয়ার, ১৪৭/৪, গ্রীন রোড

পান্থপথ, ঢাকা-১২০৫।

 

41.   ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

১০, কে.বি. ইসমাইল রোড,

জুবিলী ঘাট, ময়মনসিংহ।

 

42.   নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

হাট নওগাঁ, নওগাঁ।

 

43.   নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

২৩০/১, বঙ্গবন্ধু রোড

পি.ও বক্স নং-২, নারায়ণগঞ্জ।

 

44.   নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

৭৯৬, বিলাসদি, ডি.সি. রোড, নরসিংদী।

 

45.   নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

হাজী মহসিন রোড (ষ্টেশন রোড)

নীলফামারী।

 

46.   পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

টার্মিনাল ঘাট, পোঃ বক্স- পটুয়াখালী

জেলা-পটুয়াখালী।

 

47.   রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, স্টেশন রোড,

রাজশাহী।

 

48.   রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

পুরাতন বাস স্টেশন. রাঙ্গামাটি।

 

49.   রংপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, জি.এল. রয় রোড

নবাবগঞ্জ, রংপুর।

50.   রংপুর উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

পি.বি, রোড, ছোটমনথোনা

নবাবগঞ্জ, রংপুর।

 

51.   সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার বিল্ডিং, মুক্তিযোদ্ধা সড়ক

সাতক্ষীরা।

 

52.   শরিয়তপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

সদর রোড, পোঃ  ও  থানাঃ- পালং

শরিয়তপুর টাউন, শরিয়তপুর।

 

53.   শেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার বিল্ডিং, নাইন আনাস বাজার

পোঃ বক্স-শেরপুর টাউন, জেলা-শেরপুর।

 

54.   সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

এস. এস. রোড (ফরিয়াপট্টি)

পোঃ বক্স- সিরাজগঞ্জ, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

 

55.   সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

স্টেশন রোড, সুনামগঞ্জ।

 

56.   সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার বিল্ডিং, পোঃ বক্স-৯৭

জেল রোড, সিলেট।

 

57.   সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

২৩/৩, শপ্তদিপা, জামতলা, সিলেট।

 

58.   সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

আনন্দ টাওয়ার (১০ম তলা)

জেল রোড, সিলেট।

 

59.   টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

পাঁচানি বাজার, টাঙ্গাইল।

 

60.   ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

পঞ্চগড় রোড, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড

ঠাকুরগাঁও।

সূচীপত্র

 

 ‘বিক্লাস চেম্বার্স

 

61.   বান্দরবন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

ইসলামিয়া শপিং কমপ্লেক্স

বান্দরবন বাজার

বান্দরবন হিল ডিস্ট্রিক্ট, বান্দরবন।

 

62.   বরগুনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

সদর রোড, বরগুনা।

 

63.   ভৈরব চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

জামে মসজিদ মার্কেট (৩য় তলা)

ভৈরব বাজার, ভৈরব-২৩৫০।

 

64.   কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

আবু সেন্টার (২য় তলা), পুর্ব বাজারঘাটা

প্রধান সড়ক, কক্সবাজার।

 

65.   হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

টাউন হল রোড, হবিগঞ্জ।

 

66.   জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, বাগিচা পাড়া,

মাদ্রাসা রোড, জয়পুরহাট।

 

67.   খাগড়াছড়ি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

খাগড়াছড়ি, হিল ট্রাকস্, খাগড়াছড়ি।

 

68.   কুড়িগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

বাজার রোড, কুড়িগ্রাম।

 

69.   লক্ষীপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

কলেজ রোড, লক্ষীপুর।

 

70.   মাগুরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

এম. আর. রোড, মাগুরা।

 

71.   মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

হাজী মোহসিন রোড, বড় বাজার,

মেহেরপুর।

 

72.   নড়াইল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

কলেজ রোড, রুপগঞ্জ, নড়াইল।

 

73.   নাটোর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, লালবাজার, নাটোর।

 

74.   নেত্রকোনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

কোর্ট রোড, নেত্রকোনা।

 

75.   নোয়াখালী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

পৌরসভা ভবন, মাইজদী কোর্ট,

নোয়াখালী।

 

76.   পাবনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, বানিয়া পট্টি, পাবনা।

 

77.   পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন

নীমনগর, পুরাতন পঞ্চগড়, পঞ্চগড়।

 

78.   পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

পুরাতন ট্রেজারী ভবন

সরদার রোড, পিরোজপুর।

 

79.   রাজবাড়ী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

চেম্বার ভবন, ওয়ার্ড নং-৭

ভবানীপুর, রাজবাড়ী।

সূচীপত্র

 

জয়েন্ট চেম্বার্স

‘‘এ’’ ক্লাস

 

 

1. আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি ইন বাংলাদেশ

রুম নং-৩১৯, ঢাকা শেরাটন হোটেল

১, মিন্টু রোড, ঢাকা-১০০০।

 

2. অষ্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

লতিফ টাওয়ার (১১ম তলা)

৪৭, কাওরান বাজার, ঢাকা।

 

3. বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

১, শান্তিনগর (সিদ্ধেশ্বরী লেন)

রমনা (১ম তলা), ঢাকা-১২১৭।

 

4. বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

জিটিজেট বিল্ডিং, পি.ও বক্স-৬০৯১

রোড # ৯০, হাউস-১০সি

গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।

 

5. বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

বাড়ী # ১৪, সড়ক # ২৭

ব্লক-জে, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

6. কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

কনকর্ড টাওয়ার, স্যুট # ৫০৪ (৬ষ্ঠ তলা)

১১৩, কাজী নজরুল ইসলাম এ্যাভিনিউ

ঢাকা-১০০০।

 

7. ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

বাড়ী # ৫ (৬ষ্ঠ তলা), ফ্ল্যাট-৬/বি,

সড়ক # ২/৩, , ব্লক-এফ

বনানী মডেল টাউন, চেয়ারম্যানবাড়ী, ঢাকা।

 

8. ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

রুপায়ন সেন্টার (১৭ম তলা),

৭২, মহাখালী বা/এ, ঢাকা।

 

9. ইন্দোনেশিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

জেনেটিকা (বিডি) লিঃ

বাড়ী # ২৫, রোড # ৪, ব্লক-এফ

বনানী, ঢাকা।

 

10. ইটালি-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

বাড়ী # ২৫, সড়ক # ৪, ব্লক-এফ

বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

11. জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

ফ্ল্যাট-৩/বি, বাড়ী # ৩০ (৪র্থ তলা)

সড়ক # ১৮, ব্লক -এ

বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

12. কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

কনকর্ড সেন্টার (৫ম তলা)

৪৩, নর্থ কমার্শিয়াল এরিয়া

গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।

 

13. কুয়েত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

বাড়ী # ৫৫ (৫ম তলা)

সড়ক # ০৬, ব্লক-সি

বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

14. নরডিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন বাংলাদেশ

প্রযত্নেঃ মার্সক বাংলাদেশ লিঃ

প্লট-৭৬/এ (৫ম তলা), রোড # ১১৩,

গুলশান, ঢাকা-১২১২।

 

15. স্পেন-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

সেহজাদ প্যালেস

৩২, গুলশান এভিনিউ

নর্থ কমাশিয়াল এরিয়া,

গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।

 

16. শ্রীলংকা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

বাড়ী # ৮৫, সড়ক # ২৫/এ,

ব্লক-এ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

17. টার্কি-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

স্যুট # ১৭/সি, নাভানা টাওয়ার (১৮তলা)

৪৫, গুলশান এভিনিউ

গুলশান-১, ঢাকা।

সূচীপত্র

‘‘বি’’ ক্লাস

 

18. বাংলাদেশ-থাই চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

স্যুট # ৮০১

১১৩, কাজী নজরুল ইসলাম রোড

ঢাকা-১০০০।

 

19. বাংলাদেশ-মায়ানমার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

গ্রীন প্যানারোমা

এ্যাপা # বি৪, বাড়ী # ৬,

সড়ক # ১০৯

গুলশান, ঢাকা-১২১২।

 

20. ডাচ-বাংলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি

হাসান হোল্ডিং (৯ম তলা)

৫২/১/ক, নিউ ইস্কাটন রোড,

ঢাকা-১০০০।

সূচীপত্র

 

‘এ’ ক্লাস এসোসিয়েশন

 

1.     এডভারটাইজিং এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

প্রযত্নেঃ ইউনিট্রেন্ড লিমিটেড

গুলশান ভবন, ৬ষ্ঠ তলা

প্লট-৩৫৫, বীর উত্তম এ.কে. খন্দকার সড়ক

মহাখালী বা/এ, ঢাকা-১২১২।

 

2.     এগ্রিকালচারাল মেশিনারী ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

৬/এ/১ (৩য় তলা), সেগুনবাগিচা

ঢাকা-১০০০।

 

3.     এ্যানিমেল হেলথ কোম্পানীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

সেন্টার পয়েন্ট ইউনিট -১২ডি

১৪/এ, তেজকুনীপাড়া

ফার্মগেট বা/এ, তেজগাঁও, ঢাকা।

 

4.     এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ মিনারেল এন্ড পিউরিফাইড ড্রিংকিং ওয়াটার ম্যানুফ্যাচারার্স

ট্রপিক্যাল রাজিয়া প্যালেস

২৬/১, চামেলীবাগ (৪র্থ তলা)

শান্তিনগর, ঢাকা।

 

5.     এসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড শিপ বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ

১০/১, সিটি হার্ট (১০ম তলা)

৬৭, নয়া পল্টন, ঢাকা-১০০০।

 

6.     এসোসিয়েশন অব গ্রাসরুটস্ ওমেন এন্টারপ্রেনার্স বাংলাদেশ

বিজিআইসি টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা)

৩৪, তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০।

 

7.     এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অব বাংলাদেশ (এমটব)

বাড়ী # ৭(২য় তলা), রোড # ৫৬, গুলশান-২

ঢাকা-১২১২।

8.     এসোসিয়েশন অব শীপ রিসাইক্লিং ইন বাংলাদেশ

১৮, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ (৫ম তলা)

শাহবাগ, ঢাকা।

 

9.     এসোসিয়েশন অব ট্যাক্সিক্যাব ওনার্স অব বাংলাদেশ

প্রযত্নেঃ সাগর এন্টারপ্রাইজ

এ. জামান ইলেকট্রিক মার্কেট

১৩৫, নবাবপুর রোড, ওয়ারী, ঢাকা-১১০০

 

10.      এসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)

রূপায়ন করিম টাওয়ার, লেভের-১১

৮০, ভিআইপি রোড, কাকরাইল, ঢাকা।

 

11.      এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ

সাত্তার সেন্টার

৩০/এ, নয়াপল্টন (১৬ তলা)

ভিআইপি রোড, ঢাকা।

 

12.      এভিয়েশন অপারেটর্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

বাড়ী # ২০, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর-৮৭

উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০।

 

13.      বাংলাদেশ এ্যাকুমুলেটর এন্ড ব্যাটারী ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

৭০৫, ওয়েস্ট নাখালপাড়া

তেজগাঁও, ঢাকা।

 

14.      বাংলাদেশ এসিড মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

১০/৩, ইংলিশ রোড (২য় তলা), ঢাকা।

 

15.      বাংলাদেশ এ্যাডহেসিভ ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

শাহনেওয়াজ ভবন (৬ষ্ঠ তলা)

রুম নং-৮, ৯/সি, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

16.      বাংলাদেশ আগর এন্ড আতর ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

আজিমগঞ্জ বাজার, পোঃ সুজানগর

বড়লেখা, মৌলভিবাজার।

 

17.      বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল মেশিনারী মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

২৭-৩২, মদনপাল লেন

(মুক্তিযোদ্ধা মডেল কমপ্লেক্স)

৭ম তলা, নবাবপুর রোড, ঢাকা-১১০০।

 

18.      বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসর্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ১৫ (১ম তলা পশ্চিম পার্শ্বে)

সড়ক # ১৬ (নতুন) ২৭ (পুরাতন)

ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯।

 

19.      বাংলাদেশ এগ্রো-বেসড প্রোডাক্টস প্রোডিউসার এন্ড মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

১৬৪/১, ডিআইটি এক্সটেনশন রোড (৩য় তলা), ঢাকা।

 

20. বাংলাদেশ এয়ার কন্ডিশনিং ইকুইপমেন্ট ইম্পোটার্স এসোসিয়েশন

প্রযত্নেঃ রহমান এন্টারপ্রাইজ

বাড়ী # ২৫, সড়ক # ১৭, সেকটর-১৩

উত্তরা, ঢাকা।

 

21.বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

জাহানারা মঞ্জিল

৩৪৫, সেগুনবাগিচা, (৩য় তলা)

ঢাকা-১০০০।

 

22. বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্যাংকস

জববার টাওয়ার (১৭ম তলা)

৪২, গুলশান এভিনিউ, রোড # ১৩৫

গুলশান-১, ঢাকা।

 

23. বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কল সেন্টার এন্ড আউটসোর্সিং

টাইপ # সি

নাভানা টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা)

৪৫, গুলশান এভিনিউ

গুলশান-১, ঢাকা।

 

24. বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কন্সট্রাকশন ইন্ডাষ্ট্রি

নাহার গ্রীন সামিট (৪র্থ তলা)

বাড়ী # ৪৩(নতুন)/৩০৫(পুরাতন)

সড়ক # ১৬(নতুন)/২৭(পুরাতান)

ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা।

 

25. বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কনসালটিং ইঞ্জিনিয়ার্স

জাহানারা গার্ডেন

১৩৭/বি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫।

 

26. বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সীজ (বায়রা)

বায়রা ভবন

১৩০, নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা।

 

27. বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেট কোম্পানীজ

ব্লক-বি, সড়ক # ১, বাড়ী # ১৭ (৯ম তলা),

ইউনিট-এ, নিকেতন ইস্টার্ন হাউজিং কমপ্লেক্স

(আড়ং এর বিপরীতে), গুলশান-১, ঢাকা।

 

28.  বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)

বিডিবিএল ভবন (৬ষ্ঠ তলা)

১২, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

 

29. বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি

নাভানা ওসমান @ লিংক (৫ম তলা)

২১৪/ডি, বীর উত্তম মীর শওকত এভিনিউ

তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮।

 

30. বাংলাদেশ অটোমোবাইলস এসেম্বলার্স এন্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

রানার গ্রুপ, হেড অফিস (১০ম তলা)

১৩৮/১, তেজগাঁও বা/এ (নর্থ বেগুনবাড়িয়া)

ঢাকা-১২০৮।

 

31. বাংলাদেশ অটো বিস্কুটস এন্ড ব্রেড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

সেলিম সেন্টার (৯ম তলা)

১৯/২, দক্ষিন পান্থপথ, ঢাকা।

 

32. বাংলাদেশ অটো ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

কাইজউদ্দিন টাওয়ার (৭ম তলা)

৪৭, বিজয় নগর, ঢাকা।

 

33. বাংলাদেশ অটোমোবাইলস বডি ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

  হাওলাদার টাওয়ার

  ৪৯/১, প্রগতী সরনী, বারিধারা, ঢাকা।

 

34.      বাংলাদেশ অটো মেজর এন্ড হাসকিং মিল ওনার্স এসোসিয়েশন

  ৫০/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা।

 

35.            বাংলাদেশ অটো পেইন্টস মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

৩৮১, টঙ্গী ডাইভার্সন রোড

  বড় মগবাজার, ঢাকা।

 

36.      বাংলাদেশ অটো রাইস মিল ওনার্স এসোসিয়েশন

হোসনেয়ারা টাওয়ার (২য় তলা)

১১/৮/সি, ফ্রি স্কুল স্ট্রীট

পান্থপথ, কলাবাগান, ঢাকা।

 

37.      বাংলাদেশ অটো স্পেয়ার পার্টস মার্চেন্টস এন্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

মাহমুদা মার্কেট, ২য় তলা

৯০, বিসিসি রোড, ঠাটারী বাজার, ঢাকা।

 

38. বাংলাদেশ অটোমোবাইলস ওয়ার্কসপ মালিক সমিতি

তাঁজ ম্যানশন

২৮, কাওরানবাজার (২য় তলা), ঢাকা।

 

39. বাংলাদেশ অটো রি-রোলিং এন্ড স্টীল মিলস্ এসোসিয়েশন

আকরাম টাওয়ার (১২তম তলা, স্যুট-০৯)

১৫/৫, বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০

 

40. বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ পোষাক প্রস্ত্ততকারক মালিক সমিতি

৩০, মাওলানা মুফতি দীন মোহাম্মদ রোড

(উর্দু রোড), চকচাজার, ঢাকা-১১০০।

 

41. বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক মেডিসিন ম্যানুঃ এসোসিয়েশন

(বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক ঔষধ শিল্প সমিতি)

বিপিএল ভবন (৪র্থ তলা)

৮৯-৮৯/১, আরামবাগ

মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

      

42. বাংলাদেশ ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বেঙ্গল প্যাসিফিক (প্রাঃ) লিঃ

বাড়ী # ১৫, সড়ক # ১২, বস্নক # এফ

নিকেতন, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।

 

43. বাংলাদেশ বেইলিং বোর্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ১৮, সড়ক # ২৪

ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা।

 

44. বাংলাদেশ বিউটি পার্লার ওনার্স এসোসিয়েশন

প্রযত্নেঃ মিং বিউটি পার্লার এন্ড হার্বেল

সেকশন # ৬/খ, প্লট # ২৫

সেনপাড়া পর্বতা (মেইল রোড)

মনাতা প্লাজা, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

 

45. বাংলাদেশ বেটেল লিফ (পান) এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

ইস্পাহানি বিল্ডিং (৯ম তলা)

১৪-১৫, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

 

46.  বাংলাদেশ বাইসাইকেল মার্চেন্টস এসেম্বলিং এন্ড ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

       ৭৪/বি, বংশাল রোড, ঢাক।

 

47.  বাংলাদেশ বাই-সাইকেল এন্ড পার্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৮৭-১৮৮/৮, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা।

 

48. বাংলাদেশ বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি

৯/১, এ.সি. রায় রোড

আরমানিটোলা, ঢাকা।

 

49. বাংলাদেশ বুটিক হাউস ওনার্স এসোসিয়েশন

৪৫/সি, নিউ ইস্কাটন (হাফিজাবাদ কলোনী)

(বিয়াম অফিসের নিকটবর্তী), ঢাকা।

 

50. বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট -ও-কনফেকশনারী প্রস্ত্ততকারক সমিতি

৮৫, বড় মগবাজার, ওয়্যারলেস মোড়

রমনা (৪র্থ তলা), ঢাকা।

 

51.  বাংলাদেশ ব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স এসোসিয়েশন

৫১/১, শামিত্মনগর ভিআইপি রোড

ভিআইপি টাওয়ার (৯ম তলা), ঢাকা।

 

 

52. বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স এসোসিয়েশন

হাজী আহসানউলস্নাহ কমপেস্নক্স

২৫৭/ক, বাগবাড়ী, মিরপুর রোড, ঢাকা।

 

53. বাংলাদেশ বাটন ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ১৮০, সড়ক # ০২, নিউ ডিওএইচএস

মহাখালী, ঢাকা-১২১২।

 

54.  বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশন

একরাম টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা)

রুম # ১ ও ২, ১৫/৫, বিজয়নগর, ঢাকা।

 

55. বাংলাদেশ সেলোফেন মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

৮/৩, জুমরাইল লেন,

নয়াবাজার, ঢাকা।

 

56.  বাংলাদেশ সেলুলার ফোন এক্সেসরিজ ইম্পোর্টার্স এন্ড মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

১৬৫, সুন্দরবান স্কয়ার সুপার মার্কেট (৪র্থ তলা)

ফুলবাড়ীয়া, গুলিস্তান, ঢাকা।

 

57.      বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানূফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

ফ্রেস ভিলা, হাউস # ১৫,

সড়ক # ৩৪, গুলশান-১, ঢাকা ।

 

58. বাংলাদেশ সিরামিক এন্ড গস্নাসওয়্যার ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

শাপলা প্লাজা

৩১, মিটফোর্ড রোড, ঢাকা।

 

59. বাংলাদেশ সিরামিক ওয়্যারস ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

টিএমসি বিল্ডিং (৯ম তলা)

৫২, নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা।

      

60.                        বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি

স্কাই লার্ক পয়েন্ট (৮ম তলা)

       ২৪/এ, বিজয় নগর, ঢাকা।

 

61.  বাংলাদেশীয় চা সংসদ (টি এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ)

প্রোগ্রেসিভ টাওয়ার (৫ম তলা)

১৮৩৭, শেখ মুজিব রোড,

বাদামতলী, আগ্রাবাদ বা/এ, চট্টগ্রাম।

 

62.            বাংলাদেশ চামড়া-ও-রেক্সিন জাতীয় পাদুকা প্রস্ত্ততকারক সমিতি

৭০/১, হাজী ওসমান গনি রোড

(সুরুজ ম্যানসন), ঢাকা।

 

63.      বাংলাদেশ চশমা শিল্প -ও- বণিক সমিতি

১, পাটুয়াটুলী লেন, চশমা মার্কেট (২য় তলা)

ঢাকা-১১০০।

 

64.  বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইম্পোর্টার্স এন্ড মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

১২৪, হাজারীবাগ (ঢাকা ট্যানারী মোড়)

       ঢাকা-১২০৯।

 

65. বাংলাদেশ কেমিক্যাল এন্ড পারফিউমারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশন

ভান্ডারী ভবন

৫৬-৫৭, মিটফোর্ড রোড, ঢাকা-১১০০।

 

66.      বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতি

       প্রযত্নেঃ এস.এম. ট্রেডার্স

       ৭৭/২, মৌলভী বাজার, ঢাকা-১১০০।

 

67. বাংলাদেশ সিগারেট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

কিছুক্ষন ভবন (৪র্থ তলা)

৪৩/১, উলন রোড, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

 

68.            বাংলাদেশ ক্লথ মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

৩০/১, এ.সি ধর রোড

কালীরবাজার, নারায়নগঞ্জ।

 

69.    বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভারশন ওয়ার্কসপ ওনার্স এসোসিয়েশন

আকরাম টাওয়ার (১২ তলা)

১৫/৫, বিজয়নগর, ঢাকা।

 

70.      বাংলাদেশ সিএনজি মেশিনারীজ ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

আকরাম টাওয়ার (১২ম তলা)

১৫/২, বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০

 

71. বাংলাদেশ কোল/কোক ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৩৮, গুলশান এ্যাভিনিউ

স্যুট # ৫০৪ (৬ষ্ঠ তলা),

গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।

 

72. বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশন

বিসিএসএ ভবন

৩৮, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

 

73.  বাংলাদেশ কম্পিউটার কন্টিনিউয়াস সীট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

  ৩০/৫, জিন্দাবাজার, নয়াবাজার

  ঢাকা-১১০০।

 

74. বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি

বাড়ী # ৩৩/বি (নীচতলা ও ৩য় তলা)

রোড # ৪, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা।

 

75.            বাংলাদেশ কনক্রিট প্রডাক্টস এন্ড ব্লক ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ২২/জি, ফ্ল্যাট # এ/৪, রোড #০১

ব্লক-ডি, বসুন্ধরা আ/এ, ঢাকা।

76.            বাংলাদেশ কনজ্যুমার্স প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড মার্কেটার্স এসোসিয়েশন

  সেজান পয়েন্ট (লেভেল -০৬)

  ২, ইন্দিরা রোড, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫।

 

77.  বাংলাদেশ কনটেইনার শিপিং এসোসিয়েশন

প্রযত্নেঃ মার্সক বাংলাদেশ লিঃ

প্লট-৭৬/এ (৫ম তলা), রোড # ১১

ব্লক-এম, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

78. বাংলাদেশ কসমেটিকস্ এন্ড টয়লেট্রিজ ইম্পোটার্স এসোসিয়েশন

  ৬৩-এফ, লেক সার্কাস (৫ম তলা)

  কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫।

 

79. বাংলাদেশ কসমেট্রিকস এন্ড টয়লেট্রিস ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

৩৬, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরনী

তেজগাঁও, ঢাকা।

 

80. বাংলাদেশ কটন এসোসিয়েশন

মাহতাব সেন্টার (১৩ম তলা), রম্নম নং-৫

১৭৭, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী

বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০।

 

81. বাংলাদেশ কভার্ড ভ্যান ট্রাক পণ্য পরিবহন মালিক এসোসিয়েশন

৭/১, পুরাতন এফডিসি রোড, ১ নং রেল গেট

তেজগাঁও, ঢাকা।-১২০৮।

 

82. বাংলাদেশ ক্রাফট এন্ড গিফটওয়ার এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

রূপায়ন করিম টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা)

স্যুট # ৫এ, ৮০, কাকরাইল ভিআইপি রোড

ঢাকা-১০০০।

 

83. বাংলাদেশ ক্রোকারীজ মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

২/এ, বি.কে.রায় লেন (২য় তলা)

মিটফোর্ড রোড, ঢাকা।

 

84. বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন এসোসিয়েশন

সেন্টার পয়েন্ট কনকর্ড (ইউনিট # ডি, ১২ম তলা)

১৪/এ ও ৩১/এ, তেজকুনিপাড়া

ফার্মগেট, ঢাকা।

 

85. বাংলাদেশ সি.আর. কয়েল ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশন

২৫৫, নাসিরাবাদ শিল্প এলাকা, চট্টগ্রাম।

 

86.   বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতি

১৭৬, ওয়াটার ওয়ার্কস রোড

       চকবাজার, ঢাকা।

      

87.   বাংলাদেশ ডাই এন্ড মোল্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

২২০, নিউ এলিফ্যান্ট রোড (৩য় তলা)

নিউ মার্কেট, ঢাকা-১২০৫।

 

88.            বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি

দোকান নং-০৩ (৬ষ্ঠ তলা)

ইষ্টার্ন প্লাস শপিং কমপ্লেক্স

শাশন্তনগর, ঢাকা।

 

89.            বাংলাদেশ ড্রেস মেকার্স এসোসিয়েশন

প্রযত্নে: মুনলাইট টেইলাস (৩য় তলা)

১৬১/১৬৪, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ

রমনা ভবন, ঢাকা।

 

90.            বাংলাদেশ দুগ্ধ এন্ড দুগ্ধজাত সামগ্রী প্রস্ত্ততকারক এন্ড ব্যবসায়ী সমিতি

৪৯/১, লেক সার্কাস, কলাবাগান

ঢাকা-১২০৫।

 

91.            বাংলাদেশ ড্রাইড ইয়ার্ণ এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

ইরেকটরস্ হাউজ

১৮, কামাল আতাতুর্ক এ্যাভিনিউ (১০ম তলা)

বনানী বা/এ, ঢাকা-১২১৩।

 

92.            বাংলাদেশ এ্যফিসিয়েন্ট লাইটিং ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

২২০, নিউ এলিফেন্ট রোড (৩য় তলা)

নিউ মার্কেট, ঢাকা-১২০৫

 

 

93.            বাংলাদেশ এগ প্রডিউসার্স এসোসিয়েশন

২/২, শাহজাহান রোড, মোহাম্মদপুর

ঢাকা-১২০৭।

 

94.      বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন

বিইএ ভবন

১৪৪/২, নবাবপুর রোড (৪র্থ তলা)

ঢাকা-১১০০।

 

95.            বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল কনট্রাক্টরস এসোসিয়েশন

১৯, বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ, ঢাকা-১০০০।

 

96.      বাংলাদেশ ইলেকট্রোনিক্স ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

আরাফাত টাওয়ার (৩য় তলা)

৯৪, মালিবাগ ডিআইটি রোড, ঢাকা-১২১৭।

 

97.      বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল মার্চেনডাইস ম্যানুঃ  এসোসিয়েশন

প্রযত্নেঃ গ্লোরিয়া ইলেকট্রিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ

১৬১, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী (নতুন)

৮, পুরানা পল্টন (পুরাতন), ঢাকা।

 

98.            বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক্স মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

২১৬, শহীদ নজরুল ইসলাম সরণী

৪৩, তোপখানা রোড (৪র্থ তলা), ঢাকা-১০০০।

 

99.            বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিক্যাল মটর পাম্প ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৭৩-১৭৪, নবাবপুর রোড (৩য় তলা)

ঢাকা-১১০০।

 

100. বাংলাদেশ এমব্রয়ডারী ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশন

বাড়ী # ১৬, সড়ক # ০৬

নিকুঞ্জ-২, ঢাকা-১২২৯।

 

101. বাংলাদেশ এনার্জি কোম্পানীজ এসোসিয়েশন

৯, মহাখালী বা/এ (১০তম তলা)

ঢাকা-১২১২।

 

102. বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি

৩৮, টিপু সুলতান রোড, ঢাকা।

 

103. বাংলাদেশ ইঞ্জিন এন্ড বাল্কহেড বোট ওনার্স এসোসিয়েশন

১২/এ, আর. কে. মিশন রোড (৩য় তলা)

(প্রোপার্টি হাইট বিল্ডিং-এর পেছনে), ঢাকা-১২০৩।

 

104. বাংলাদেশ এক্সপোর্ট অরিয়েনটেড গার্মেন্টস ওয়াসিং ইন্ডাষ্ট্রিজ ওনার্স এসোসিয়েশন

১৯০, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (৩য় তলা),

তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮।

 

105. বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন

আল-রাজী কমপ্লেক্স (৬ষ্ঠ তলা)

১৬৬-১৬৭, শহীদ সৈয়দ নজরম্নল ইসলাম সরণী

পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

 

106. বাংলাদেশ ফিল্ম ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

২, আর.কে. মিশন রোড, মোতালেব ম্যানশন

রুম # ৬০৩ (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা।

107. বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার এন্ড লেদার গুডস এন্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ৩২/এ, সড়ক # ২,

ফ্ল্যাট-বি-২, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯।

 

108. বাংলাদেশ ফিস এক্সপোর্টার্স এন্ড ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

ইলিশ ভবন

ফিস মার্কেট পোর্ট রোড, বরিশাল।

 

109.   বাংলাদেশ ফ্ল্যাক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশন

২ বিএসসিআইসি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট

টঙ্গী, গাজীপুর।

 

110. বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার গ্লোয়ার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

৬২৫/১, বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি

৫ম তলা, রোড # ০৪, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

 

111. বাংলাদেশ ফয়েল কনভার্টার্স এসোসিয়েশন

রবিন টাওয়ার (২য় তলা)

৪২/৪৩, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

 

112. বাংলাদেশ ফুটওয়্যার এন্ড ফুটওয়্যার এক্সেসরিজ ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

২১, চম্পাতলী লেন

চকবাজার, ঢাকা।

 

113. বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স এসোসিয়েশন

ইষ্টার্ন হাউজিং কমার্শিয়াল বিল্ডিং (১২ তলা),

৭৩, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

      

114. বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ারডার্স এসোসিয়েশন

আতাতুর্ক টাওয়ার (৮তম তলা)

২২, কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ

বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

115. বাংলাদেশ ফ্রেস ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৮/৩, আহসানউল্লাহ রোড

বাদামতলী, কোতোয়ালী, ঢাকা।

 

 

116. বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড্স এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশন

স্কাই লার্ক পয়েন্ট (১১তম তলা)

২৪/এ, বিজয় নগর, নর্থ সাউথ রোড, ঢাকা।

 

117. বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিটেবল্স এন্ড এলাইড প্রডাক্টস এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশন

রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স (৬ষ্ঠ তলা), রুম # ১১, ২৮/১/সি, টয়েনবি রোড,

মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

118. বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি

বি-২২০/সি, শপিং সেন্টার (৫ম তলা)

       গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।

 

119. বাংলাদেশ ফার্নিচার এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বি-২২০/সি, শপিং সেন্টার (৫ম তলা)

       গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।

 

120. বাংলাদেশ গার্মেন্টস একসেসরিজ এন্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশন

সোনারতরী টাওয়ার (১০ম তলা)

প্লট # ১২, বিপনন বা/এ

সোনারগাঁও রোড (লিংক রোড), ঢাকা-১২০৫।

 

121.   বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশন

বেঙ্গল হাউস

৭৫, গুলশান এভিনিউ

গুলশান-১, ঢাকা।

 

122. বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউজ এসোসিয়েশন

বাড়ী # ৪৩০,  সড়ক # ৩০

ফ্ল্যাট-এফ (৪র্থ তলা), নিউ ডিওএইচএস

মহাখালী, ঢাকা-১২১২।

123. বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)

২৩/১, পান্থপথ লিংক রোড,

কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

 

124. বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রিন্টার্স এসোসিয়েশন

ডেফোইন টাওয়ার

প্লট # ৫৫, ব্লক-কে

সেকশন-২, রূপনগর বা/এ, মিরপুর, ঢাকা।

 

125. বাংলাদেশ জ্ঞান-ও-সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি

৫০/১, পুরানা পল্টন লাইন (২য় তলা)

স্যুট # ২এ, ঢাকা-১০০০।

 

126. বাংলাদেশ জেমস স্টোন মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

২১৩, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরনী

মুনিরা ট্রেড সেন্টার (২য় তলা)

পুরানা পল্টন, ঢাকা।

 

127. বাংলাদেশ ঘড়ি ব্যবসায়ী সমিতি

৩৩, পাটুয়াটুলী (৩য় তলা) ঢাকা।

 

128. বাংলাদেশ গ্লাস মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

জমজম কমপ্লেক্স (৩য় তলা)

৪, আজিজুল্লাহ রোড

বাবুবাজার, ঢাকা-১১০০।

 

129. বাংলাদেশ গ্লিটার এন্ড গ্লিটার ইয়ার্ণ ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

প্রযত্নেঃ গাজী সিমেন্ট মিলস (৩য় তলা)

১২৬, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

 

130. বাংলাদেশ গ্রে-ক্লথ মার্চেন্ট এসোসিয়েশন

আহসান মনজিল সুপার মার্কেট (৪র্থ তলা)

৯, আহসানউল্লাহ রোড, ইসলামপুর

ঢাকা-১১০০।

 

131. বাংলাদেশ গ্রে এন্ড ফিনিশড ফ্যাব্রিকস মিল্স এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশন

দিলখুশা সেন্টার, স্যুট # ১৪০৪ (৫ম তলা)

২৮, দিলখুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

132. বাংলাদেশ গ্রোসারী বিজনেস এসোসিয়েশন

১২৭, মতিঝিল বা/এ,

রুম # ৩২ (৫ম তলা), ঢাকা-১০০০।

 

133. বাংলাদেশ হ্যান্ডিক্রাফ্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বিটিএমসি ভবন

৭-৯, কাওরান বাজার (৫ম তলা)

       ঢাকা-১২১৫।

 

134. বাংলাদেশ হার্ড বোর্ড ডিলার্স এসোসিয়েশন

৮/৩, জুমরাইল লেন, নয়াবাজার, ঢাকা।

 

135. বাংলাদেশ হার্ডওয়ার এন্ড মেশিনারী মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

৫, বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ (৪র্থ তলা), ঢাকা-১০০০।

 

136. বাংলাদেশ হারবাল প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশন

স্কয়ার সেন্টার

৪৮, মহাখালী বা/এ, ঢাকা-১২১২।

 

137. বাংলাদেশ হাইড এন্ড স্কিন মার্চেন্টর্স এসোসিয়েশন

৮৮/এ, ওয়াটার ওয়ার্কস রোড, পোসত্মা

লালবাগ, ঢাকা-১২১১।

 

138. বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

৩২, নয়াপল্টন, (৪র্থ তলা)

ডিআইটি এক্সটেনশন রোড, ঢাকা-১০০০।

 

139. বাংলাদেশ হোম টেক্সটাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বনশিল্প ভবন (১০ম তলা)

৭৩, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

 

140. বাংলাদেশ হর্টিকালচারাল প্রডিউসার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

২৮/১/সি, টয়েনবি সার্কুলার রোড (৪র্থ তলা)

মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

141. বাংলাদেশ হোসিয়ারি এসোসিয়েশন

হুশিয়ারী ভবন, হুশিয়ারী শিল্প নগরী

শাসনগাঁও, ফতুল্লা

নারায়ানগঞ্জ-১৪০০।

 

142. বাংলাদেশ হোটেল এন্ড গেষ্ট হাউজ ওনার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ৪০২/৩ (২য় তলা)

পদ্মা স্টুডিও, দিলু রোড,

নিউ ইস্কাটন, ঢাকা।

 

143. বাংলাদেশ হাউস এন্ড ফ্ল্যাট ওনার্স এসোসিয়েশন

প্রযত্নেঃ মেসার্স নিলময় ট্রাভেল এন্ড ট্যুরস

১২০, সেঞ্চুরী আর্কেড (৩য় তলা)

আউটার সার্কুলার রোড, মগবাজার, ঢাকা।

 

144. বাংলাদেশ ইমিটেশন জুয়েলারী ম্যানুফ্যাকচারার্স এক্সপোর্টার্স এন্ড মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

১০, হাজী রহিম বক্স লেন, পোস্তা

চকবাজার, ঢাকা-১১০০।

 

145. বাংলাদেশ ইনবাউন্ড ট্যুর অপারেটর্স এসোসিয়েশন

স্যুট # সি ১১/১২, বাড়ী # ১৫, সড়ক নং- ১৭

বনানী, ঢাকা।

 

146. বাংলাদেশ ইনডেনটিং এজেন্টস এসোসিয়েশন

সায়হাম স্কাই ভিউ টাওয়ার

এপার্টর্# এ-৭ (৮ম তলা)

৪৫, বিজয়নগর, ঢাকা।

 

147. বাংলাদেশ ইনডেপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রোডিউসার এসোসিয়েশন

লোটাস কামাল টাওয়ার-১ (১১ম তলা)

৫৭, জোয়ারসাহারা বা/এ, নিকুঞ্জ-২

নিউ এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা।

 

148. বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডেপোটস্ এসোসিয়েশন

আক্তারুজ্জমান সেন্টার (৮ম তলা)

২১-২২, আগ্রাবাদ বা/এ, চট্টগ্রাম।

 

149. বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়াইজ (পি.সি)       এসোসিয়েশন

১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড (৫ম তলা), ঢাকা-১০০০।

 

150. বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন

১১৬, পুরানা পল্টন

হোসেন টাওয়ার (১০ম তলা)

বক্স কালভার্ট রোড, ঢাকা-১০০০।

151. বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স সার্ভেয়ার্স এসোসিয়েশন

চাঁদ ম্যানসন (৭ম তলা)

৬৬, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

152. বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল এসোসিয়েশন

বাড়ী # ২৫ (২য় তলা)

রোড # ০৪, ব্লক-এফ

বনানী, ঢাকা-১২১৩।

 

153. বাংলাদেশ আয়রন এন্ড স্টীল ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

৪/১, মাজেদ সরকার রোড (২২/১ নাজিরা বাজার লেন) ২য় তলা, ঢাকা-১১০০।

 

154. বাংলাদেশ আয়রন এন্ড স্টীল মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

১২/১, তাজমহল রোড,

মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।

 

155. বাংলাদেশ জামদানী ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

ফিরোজা টাওয়ার (২য় তলা)

৪২/এ/২, হাটখোলা রোড

টিকাটুলি, ঢাকা-১২০৩।

 

156. বাংলাদেশ জুয়েলারী ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড  এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

৮৮, আনারকলী সুপার মার্কেট (৫ম তলা)

মৌচাক, সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা।

 

157. বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি

৩, বায়তুল মোকাররম (২য় তলা), ঢাকা।

 

 

158. বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন

বিজেএ ভবন

৭৭, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

159.  বাংলাদেশ জুট এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

৯/জি, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

160. বাংলাদেশ জুট গুডস এসোসিয়েশন

৩/১২, কালভার্ট রোড (৫ম তলা)

নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০।

 

161. বাংলাদেশ জুট মিল্স এসোসিয়েশন

আদমজী কোর্ট (৫ম তলা)

১১৫-১২০, মতিঝিল বা/এ

ঢাকা-১০০০।

 

162. বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স এসোসিয়েশন

৫৫/এ, পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা)

ঢাকা-১০০০।

 

163. বাংলাদেশ কাঁচ ডিলার্স এন্ড আয়না ব্যবসায়ী সমিতি

৮/৩, জুমরাইল লেন (ইসলাম ম্যানশন)

নয়াবাজার, ঢাকা-১০০০

 

164. বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ৎ মালিক সমিতি

১১০, রেলওয়ে মার্কেট

কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

 

165. বাংলাদেশ কালি প্রস্ত্ততকারক মালিক সমিতি

২, ডিআইটি এ্যাভিনিউ (এক্সটেনশন)

৫ম তলা, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

166. বাংলাদেশ নীট ডায়িং ওনার্স এসোসিয়েশন

১৩১, বি.বি. রোড (সাধু পালের গির্জার নিকটে)

নারায়ণগঞ্জ।

 

167. বাংলাদেশ নীটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)

২৩৩/১, বি.বি রোড, নারায়ণগঞ্জ।

ঢাকার ঠিকানাঃ

   প্ল্যানার্স টাওয়ার (১৩তম তলা)

   ১৩/এ, সোনারগাঁও রোড, ঢাকা।

 

168. বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স এসোসিয়েশন

প্লট # বি-৪৯৫, বিসিক শিল্প নগরী,

এনায়েতনগর, ফতুল্লা, নারায়নগঞ্জ।

 

 

169. বাংলাদেশ কৃষিপণ্য আড়ৎদার সমিতি

৩১/এ, সোয়ারীঘাট

চকবাজার, ঢাকা-১২১১।

 

170. বাংলাদেশ লবন মিল মালিক সমিতি

   ডিসিসিআই বিল্ডিং (৪র্থ তলা)

   ৬৫-৬৬, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

171. বাংলাদেশ লেবেল ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

ইরেকটরস হাউস (১০ম তলা)

১৮, কামাল আতাতুর্ক এ্যাভিনিউ

বনানী বা/এ, ঢাকা-১২১৩।

 

172. বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স এসোসিয়েশন

প্লট # ১২, ব্লক-এ, বসুন্ধরা আ/এ,

বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।

 

173. বাংলাদেশ লেমিনেটিং জুট ব্যাগস্ ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশন

মাহাবুব ম্যানশন (৫ম তলা)

৭১, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

174. বাংলাদেশ লিজিং এন্ড ফাইনান্স কোম্পানীজ এসোসিয়েশন

সারা টাওয়ার (৯ম তলা)

১১/এ, টয়েনবি সার্কুলার রোড

মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

  

175. বাংলাদেশ লেদার গুড্স ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশন

১০, জুমরাইল লেন

নয়াবাজার, ঢাকা।

 

176. বাংলাদেশ লাইভ এন্ড চিল্ড ফুড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ৪১ (এ/৪), সোনারগাঁও জনপদ

সেক্টর #১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।

 

177. বাংলাদেশ লোকাল কার্টন ম্যানুঃ এসোসিয়েশন

বাড়ী # ২৫৮ (৬ষ্ঠ তলা)

সড়ক # ৯, ব্লক-সি

বসুন্ধরা আ/এ, ঢাকা-১২২৯।

 

178. বাংলাদেশ লজেন্স ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশন

২৩০/২৩১, চক বাজার

ঢাকা-১১০০।

179. বাংলাদেশ ল্যুব ব্লেন্ডার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ১০৫এ, ফ্ল্যাট # সি (২য় তলা)

কাকরাইল, ঢাকা।

 

180. বাংলাদেশ লুঙ্গি ম্যানুফ্যাকচারার্স, ট্রেডার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

সিটি সেন্টার (২৫তম তলা)

৯০/১, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

 

181. বাংলাদেশ মেশিন মেড আর.সি.সি. পাইপ ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

১২১, পশ্চিম মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা।

 

182. বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

দাউদপুর রোড, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

 

183. বাংলাদেশ  মেরিন এক্সসেসরিজ মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

৮/২, ওয়াইজ ঘাট রোড

কোতোয়ালী, ঢাকা-১১০০।

 

184. বাংলাদেশ মেরিন ফিসারিজ এসোসিয়েশন

১৩/এ সেন্টার পয়েন্ট কনকর্ড

স্যুট # ১৩/এ (১৪ম তলা)

ফার্মগেট, ঢাকা।

 

185. বাংলাদেশ মাষ্টার ষ্টিভেডরস এসোসিয়েশন

হোসেইন চেম্বার (২য় তলা)

১০৫, আগ্রাবাদ বা/এ, চট্টগ্রাম।

 

186. বাংলাদেশ ম্যাচ ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

রাজউক এনেক্স বিল্ডিং (১ম তলা),

ঢাকা-১০০০।

 

187. বাংলাদেশ মেট্রেস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

৬৬, প্রগতি সরনী

বাড়ীধারা, ঢাকা-১২১২

 

188. বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট এন্ড হসপিটাল ইক্যুপমেন্ট ডিলার্স এন্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

৩০, বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ (নীচ তলা)

ঢাকা-১০০০।

 

189. বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন

ইউসুফ চেম্বার (৮ম তলা)

২০, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

190. বাংলাদেশ মেটাল প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

৮০/১, ভিআইপি রোড (২য় তলা)

কাকরাইল,ঢাকা-১০০০।

 

191. বাংলাদেশ মেটাল ওয়ার এন্ড ওয়ারনেইলস মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

১২, ইমামগঞ্জ, জুম্মন বেপারী প্লাজা, ঢাকা।

 

192. বাংলাদেশ মাইক্রো সীট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

৪৫, করিমুল্লাহ বাগ

শ্যামপুর, পোস্তগোলা, ঢাকা-১২০৪।

193. বাংলাদেশ মিল স্কেল রি-প্রোসেস এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

৬২, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী

(৩য় তলা), নর্থ সাউথ রোড, বংশাল, ঢাকা।

 

194. বাংলাদেশ মোবাইল ফোন বিজনেসম্যান এসোসিয়েশন

৩৪৫/৩/এ, সোনারগাঁও রোড (৪র্থ তলা)

(ইষ্টার্ন প্লাজার পার্শ্বে) হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫।

 

195. বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

বাড়ী # ২৫, সড়ক # ৪৭

       স্যুট # এ৪ (৫ম তলা)

গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।

 

196. বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশন

বাড়ী # ১৯ (বালুর মাঠ), রোড # ২৫

সেকশন-১২, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

   

197. বাংলাদেশ মনিহারী বনিক সমিতি

সি.এস. প্লট # ২৪০/ঘ, চক সার্কুলার রোড

(উত্তর পাশে), চক বাজার, ঢাকা।

 

198. বাংলাদেশ মোজাইক মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

আমান টাইলস্

৩২৫, সোনারগাঁও রোড, ঢাকা-১২০৫।

 

199. বাংলাদেশ মোশন পিকচার্স এক্সিবিউটরস এসোসিয়েশন

স্যুট # ৬/১৬ (৭ম তলা)

ইন্টার্ন কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স

৭৩, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

 

200. বাংলাদেশ মটরসাইকেল এসেম্বলার্স এন্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

প্রযত্মেঃ উত্তরা গ্রুপ অব কোম্পানীজ

১০২, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সরণী

তেজগাঁও, ঢাকা।

 

201. বাংলাদেশ মটর সাইকেল ডিলার্স এসোসিয়েশন

২৮, নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা-১০০০।

 

202. বাংলাদেশ মটর পার্টস এন্ড টায়ার টিউব মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

৯, নর্থ ব্রুক হল রোড

ঢাকা-১১০০।

 

203. বাংলাদেশ এমএস পাইপ এন্ড ফিটিং ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১১৮/এ,  লুৎফর রহমান লেন (নর্থ সাউথ রোড)

বংশাল, ঢাকা।

 

204. বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি

সিটি হার্ট (৫ম তলা)

৬৭, নয়াপল্টন, ঢাকা।

 

205. বাংলাদেশ নন-পেকার ফ্রোজেন ফুডস্ এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

হাসনা টাওয়ার (২য় তলা)

১১১০/বি, আগ্রাবাদ বা/এ, চট্টগ্রাম।

 

206. বাংলাদেশ নার্সারী মালিক সমিতি

রোড # ০৬, বাড়ী # ১৯ (নীচ তলা)

ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।

 

207. বাংলাদেশ ওশান গোয়িং শিপ ওনার্স এসোসিয়েশন

এইচ.আর.সি ভবন

স্যুট # ৭০২ (৮ম তলা)

৪৬, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

 

208. বাংলাদেশ ওয়েল মিল্স এসোসিয়েশন

১১৫/৭-এ ডিসটিলারী রোড,

গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১২০৪।

 

209. বাংলাদেশ ওয়েল ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশন

হ্যাপি রহমান প্লাজা (৫ম তলা)

২৫-২৭, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

বাংলা মটর, ঢাকা।

 

210. বাংলাদেশ অন বোর্ড কুরিয়ার সার্ভিস এসোসিয়েশন

২৭, লিংক রোড (৫ম তলা)

বাংলামটর, ঢাকা-১০০০।

 

211. বাংলাদেশ অর্গানিক প্রোডাক্টস ম্যানুঃ এসোসিয়েশন

প্লট # ৬ (৫ম তলা), সড়ক # ১৩

নিকুঞ্জ # ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯।

 

212. বাংলাদেশ পিএবিএক্স এসোসিয়েশন

১৬৭, ডিসটিলারী রোড (৫ম তলা)

গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১২০৪।

 

213. বাংলাদেশ পাদুকা প্রস্ত্ততকারক সমিতি

১৬/২, জয়নাথ রোড, বকসিবাজার

লালবাগ, ঢাকা-১২১১।

214. বাংলাদেশ পাইকারী গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতি

মমতাজ প্লাজা

২/২, মকিম কাটারা (৩য় তলা)

(মমতাজ প্লাজা) মৌলভীবাজার, ঢাকা-১১০০।

 

215. বাংলাদেশ পাইকারী ভোজ্য তেল ব্যবসায়ী সমিতি

৭৭/২, মৌলভীবাজার, ঢাকা-১১০০।

 

216. বাংলাদেশ পেইন্ট ডাইস এন্ড কেমিক্যাল মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

এফ.আর প্লাজা (৫ম তলা)

১৮, ইমামগঞ্জ, ঢাকা।

 

217. বাংলাদেশ পেইন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

সুভাস্তু নজর ভ্যালী

ফ্ল্যাট # ১৬, এফ-২, টাওয়ার # ৫

প্রগতী সরণী, শাহজাদপুর, ঢাকা-১২১২

 

218. বাংলাদেশ পেপার কোন এন্ড টিউব ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

সুলতান বিল্ডিং (৩য় তলা)

১৪৭, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

 

219. বাংলাদেশ পেপার ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৬৯, সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরনী

শাহানশাহ কমপ্লেক্স (৫ম তলা), রুম # ০১

পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

 

220. বাংলাদেশ পেপার মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

২৫, জিন্দাবাহার, প্রথম লেন

নয়াবাজার (২য় তলা), ঢাকা-১১০০।

 

221. বাংলাদেশ পেপার মিল্স এসোসিয়েশন

প্লট # ৩৩৫ (২য় তলা), ব্লক-ডি

বসুন্ধরা আ/এ, ঢাকা-১২২৯।

 

222. বাংলাদেশ পার্সেল সার্ভিস ওনার্স এসোসিয়েশন

এস.এ. পরিবহন ভবন

২২-২৪, কাকরাইল,

শান্তিনগর রোড, ঢাকা।

 

223. বাংলাদেশ পাথর ব্যবসায়ী সমিতি

দারুস-সালাম আর্কেড (৮ম তলা)

রুম # ৮, ১৪, পুরানা পণ্টন, ঢাকা-১০০০।

 

224. বাংলাদেশ পাঠ্য পুস্তক মুদ্রণ ও বিপনণ সমিতি

প্রযত্নেঃ দশদিশা প্রিন্টার্স

১০২, কাকরাইল (৩য় তলা), ঢাকা।

 

225. বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স এসোসিয়েশন

৮০/২, কাকরাইল (৪র্থ তলা)

ভিআইপি রোড, ঢাকা।

 

226. বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশন

স্যুট # ৫০২, লেভেল # ৫, বস্নক # সি

বিজিএমইএ কমপ্লেক্স

২৩/১, পান্থপথ লিংক রোড

কাওরান বাজার, ঢাকা।

 

227. বাংলাদেশ পেট ফ্ল্যাক্স ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

সিটি হার্ট, স্যুট # ৫/৮ (৫ম তলা)

৬৭, নয়া পল্টন, ভিআইপি রোড

ঢাকা-১০০০।

 

228. বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক এসোসিয়েশন

       চৌধুরী কমপ্লেক্স, রুম নং-৮, (৬ষ্ঠ তলা)

       ১৫, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

 

229. বাংলাদেশ পাইপ এন্ড টিউবওয়েল মার্চেন্টস এসোসিয়েশন

খালেদা টাওয়ার (৩য় তলা)

১৪, হাজী ওসমান গনী রোড (৩য় তলা), ঢাকা।

 

230. বাংলাদেশ প্লাষ্টিক ব্যবসায়ী সমিতি

৪০, কে.বি রুদ্র রোড

উর্দু রোড (৪র্থ রোড), ঢাকা-১২১১।

 

231. বাংলাদেশ প্লাষ্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক-ও-রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন

পল্টন টাওয়ার, স্যুট # ৬০৩ ও ৬০৪

৮৭, পুরানা পল্টন লেন (৭ম তলা), ঢাকা।

 

232. বাংলাদেশ প্লাষ্টিক প্যাকেজিং রোল ম্যানুফ্যাকচারার্স ওনার্স এসোসিয়েশন

১৬, মকিম কাটারা (নাগিনা ভবন)

৪র্থ তলা, চক বাজার, ঢাকা-১২১১।

 

233. বাংলাদেশ পোদ্দার সমিতি

২৮, কোতোয়ালী রোড (৪র্থ তলা), ঢাকা-১১০০।

 

234. বাংলাদেশ পলিমার ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

৩১৫/বি, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা।

 

235. বাংলাদেশ পণ্য পরিবহন এজেন্সী মালিক সমিতি

৪৬, ইমামগঞ্জ, ঢাকা-১২১১।

236. বাংলাদেশ পটেটো এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

১০৫/২, কাকরাইল (৫ম তলা), ঢাকা।

 

237. বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশন

আদমজী কোর্ট (নীচ তলা)

১১৫-১২০, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।

 

238. বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগষ্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন

ফারাবি জেনারেল হসপিটাল লিঃ

সড়ক # ১৪(নতুন), বাড়ী # ৮/৩

ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা।

 

239. বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ এসোসিয়েশন

হক এন’স বিল্ডিং

৪৬/১, কাকরাইল রোড

কাকরাইল, ঢাকা।

 

240. বাংলাদেশ পাবলিশার্স এন্ড বুক সেলার্স এসোসিয়েশন

(বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি)

৩, লিয়াকত এ্যাভিনিউ, ঢাকা।

 

241. বাংলাদেশ পালস এন্ড লিনটিল ক্রাসিং মিলস ওনার্স এসোসিয়েশন

২৬, বি. দাস রোড

নারায়নগঞ্জ।

 

242. বাংলাদেশ পুরাতন কাপড় আমদানীকারক সমিতি

১৪/২, তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০।

 

243. বাংলাদেশ পুস্তক বাঁধাই ব্যবসায়ী সমিতি

৬৫, প্যারিদাস রোড, বাংলাবাজার

ঢাকা-১১০০।

 

244. বাংলাদেশ পিভিসি কম্পাউন্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

ইকবাল মার্কেট

৫/১, কমল দাহ রোড (৩য় তলা)

লালবাগ, ঢাকা-১২১১।

 

245. বাংলাদেশ পিভিসি পাইপ ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

২০/২৫, সিদ্দিক বাজার

নর্থ সাউথ রোড, ঢাকা।

 

246. বাংলাদেশ রেলওয়ে স্পেয়ার এন্ড এক্সেসরিজ সাপ্লায়ারার্স এসোসিয়েশন

৫২৮/৫৪৫, শেখ মুজিব রোড (৪র্থ তলা)

দেওয়ানবাগ, চট্টগ্রাম।

 

247. বাংলাদেশ রেডিমিক্স কনক্রিট এসোসিয়েশন

এবিসি হাউস (৪র্থ তলা)

৮, বনানী, কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, ঢাকা।

Download Bangla: Import Policy Order 2015-18